পোস্টগুলি

2022 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ভালোবাসার ঘরে

কি ভুলের মাশুল দিলে,, ,আহামরি কিছুই তো চাইনি‌,,,। আমার চাওয়াটা ছিলো কি খুব বড় ,একটু ভালোবাসায় তো চেয়েছে,,তাতে যে এতো টা দাম দিতে হবে সেটা কখন বুঝতে পারেনি। আজ দেখি ভালোবাসায় ভালোবেসে লাল টকটকে গোলাপ দেওয়া হয় ,,  এটা কি ভালোবাসার পরিচয় প্রমাণ পত্র ,আমি যে তোমাকে কতটা ভালোবাসি,,, কিন্ত্ত আমার কাছে ভালোবাসার মানে ছিলো ,ছোট ছোট আনন্দ খুশী,, সেগুলোতে ভালোবাসা খুঁজে নিয়েছিলাম,,,,,না  কখনো ভালোবাসার জন্য  কখন কোনো প্রমাণ পত্র বা  ফুল চাইনি।  আজ দেখি ভালোবাসায়  অনেক কিছু আবদার করে ,,,,কি কি না চায়,, তবে কি  যুগের  সাথে ভালোবাসার রূপ রঙ চাওয়ার পরিধি সব বদলে গেছে নাকি,,,নাকি  মন গুলো দূষিত শহরের আবহাওয়ায় থেকে পবিত্র ভালবাসাক কে উপলদ্ধি করার ধারন  ক্ষমতা চলে গেছে। রাগ অভিমানে ভালোবাসার মান বাড়ে এতোদিন সেটা জেনে এসেছি,,,  ভালোবাসাকে তেমন করে কোনদিন বেঁধে রাখতে ও শিখিনি,,,,যেটা নিজের সেটাকে কেনো আগলিয়ে রাখতে হবে,,,,, শব্দের কটাক্ষে আজ ভালোবাসা অপমানিত হয় বারে বারে।  আমার সবটুকু দিয়ে ভালোবেসে ছিলাম ,, বিশ্বাসের উপর ভর করে চলতে চেয়েছিলাম,,,, সময়  বদলানোর সাথে সাথে ভালোবাসার প্রদীপ

বৃষ্টি ভেজা মন

বর্ষা মঙ্গল উৎসব কবিতা প্রতিযোগিতা শিরোনাম... বৃষ্টি ভেজা কলমে...উমা মজুমদার  তারিখ...২৯/৬/২২ ও বৃষ্টি  একটিবার নেমে এসো  তোমার শীতলতা  ছুঁয়ে দেখি তোমার আসার পথ চেয়ে সময়  ফুরায শুধু  কেন দাও  ফাঁকি। ফেলে আসা দিনের মত  তুমিও বুঝি  অনেক বদলে গেছো  বৃষ্টি হারিয়েছো কঠিন বাস্তবে  প্রকৃতির  নিয়মে  বর্ষায় তোমার সৃষ্টি । সারাদিন গোপনে তোমায় ভাবি  এ বুঝি নামবে প্রেমের শীতলধারা  থমথমে আকাশ আসবে তো বৃষ্টি   সিক্ত হবে ধরণী নব বারিধারায়  মাটির সোদা গন্ধে শৈশবের ফেলে  আসা স্মৃতি নতুন করে সাজবে তোমার প্রাণের সাথে প্রাণ মিলিয়ে  বিষন্ন মনটা নিজেকে খুঁজে পাবে।

ও নদী কথা বলো

ও নদী কেন কথা বলো না একটিবার  ফিরে চাও  কোথায় তোমার চলার ঠিকানা রুদ্ধশ্বাসে   ছুটে যাও তোমারও যে আছে জন্ম ও বংশ পরিচয় সবাই জানে কত গ্রাম শহর,নগর প্রসিদ্ধ পবিত্র  পাহাড়ের  কোল বেয়ে নেমে আসা জলধারা ধরিত্রী  মায়ের সন্তান কুলুকুলু শব্দে বয়ে চলা একবুক তৃষ্ণার্তের তুমি যে  প্রাণের সমান একাকি  সুর তোলে কথা বলা আপন   মনে অনন্ত স্রোতে ভেসে আসা দুঃখ যন্ত্রনা বুকে  নাও টেনে শত সহস্র মানুষ নদীর তীরে জীবিকার পথ বেছে নিয়েছে তুমি গঙ্গা পতিত পাবনি  দেবী রূপে পূজিত সকলের কাছৈ ধীর স্থির বয়ে চলা নদী কখনো শান্ত কখনো অশান্ত  ভরা যৌবনে   হাজার ব্যাথা বুকে চেপে বয়ে  চলা মিলনের টানে।

অনুভূতির আকাশে

দুরত্বকে যত‌ই কাছে টানে  তত‌ই                         দূরে সরে যায় পাশাপাশি হেঁটে চলা সময়              স্মৃতিতে আড়াল করে  আবেগ অনুভূতি  মান অভিমানের                           চাদর জড়ায়।   বিশ্বাস ভাঙ্গা কান্নায় শব্দরা স্রোতে                                     ভাসে মনটা খুঁজে বেড়ায় এক টুকরো                     হৃদয় ভালোবেসে।

মা বাবার প্রতি কর্তব্য

মায়ের মমতা ভরা আঁচল  বাবার স্নেহের আশ্রয় আপদ বিপদে দুহাতে তাঁদের আর্শীবাদ চলার পাথেয়। সন্তানের মঙ্গল কামনা ,পথ চেয়ে বসে থাকা  এক মা ই পারে দিনরাত খেটে  সন্তানের ভবিষ্যৎ উন্নতি বাবার রোজগারে। শত অভাব অনটনে দুঃখের মাঝে হাসি ফোটায় মুখে প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে চিন্তা সন্তান কি করে থাকবে সুখে।  ভুলে যায় একদিন বৃদ্ধ হলে মা  বাবার  অসহায় মুখখানি দু চোখ ভরে অশ্রু ঝরে বাবা মায়ের একাকিত্বের কাহিনী। মা বাবা সকল সন্তানের  জীবনের পরম ধন পরম আদরের তাঁদের অসন্মান কখনো যেনো না হয় দেখা উচিত সন্তানের। মায়ের গর্ভে জন্ম নিয়ে দুচোখ ভরে দেখে, এই জগতকে  শ্রদ্ধা সন্মান দিয়ে ভালো রাখা সন্তানের কর্তব্য মাতা পিতা কে।

ঝর্ণা কলম

অতীতের ঝর্না কলম ছেলেবেলার ঝুলিতে কালিতে ভরা দুটি আঙ্গুল পারিনি মুছে দিতে। ঝর্ণা কলম  আর দোয়াত ভরা সুলেখা কালি  তুমি আছো ছেলেবেলায়  কি করে তোমায় ভুলি। পরীক্ষার আগে নতুন ঝর্ণা কলম ছেলেবেলায়  অক্ষরে অক্ষরে কালিতে ভরতো  সাদা পাতায়। ভালো নম্বরে উপহারে জুটতো আরেক ঝর্ণা কলম খুশি তে ঝলমল  পাওয়ার আনন্দটা ছিলোনা কম। আভিজাত্য ও ঐতিহ্যের গৌরব বুক পকেটের শোভা  ঝর্ণা  কলমে প্রকাশ পেতো কবি সাহিত্যিকদের প্রতিভা। কালি কলমের সম্পর্কে  ভাব চিন্তাধারার মিলন ঘটায় যুগের সাথে পুরাতন হলেও আছে মনের মনিকোঠায়। পুরাতন স্মৃতি হোক না পুরাতন তবুও যায় না ভোলা সময়ে অসময়ে বেঁচে থাকার সুখ হৃদয়ে থাকনা তোলা।

বার্ধক্যের একাকিত্ব

জীবনের চাকা ঘুরে চলে তাঁর ইচ্ছেমতন  জন্ম মৃত্যু আছে তাতে এটাই তো জীবন  শৈশবের হাসি খুশি দিন পিছনে পড়ে রয় জীবনের খোলস ধাপে ধাপে বদল  হয়। দায় দায়িত্ব পালনে কর্মরত সাধের সংসারে অনিশ্চিত জীবনের ছবি থাকে পিছনে পড়ে। সম্বল বল শেষে স্মৃতিচারণে একাকী দিন কাটে  বার্ধক্য এসে তাড়া দেয় বাঁচার আশা যায় মিটে। কে   আপন কে পর এই বোঝা নেবে কে  ঘাড়ে অসহায় হয়ে চায়না বাঁচতে দয়া করো সকলরে।

দুই প্রজন্ম

সমাজ পরিবর্তনশীল,,, এখানে দিন দিন নতুন নতুন পরিবর্তন ঘটছে,,একাল আর সেকাল  পরিবর্তন আমাদের জীবনে নিত্য পোশাকের মত হয়ে গেছে,,,,এর মধ্যে যেটা সব থেকে পরিবর্তন হচ্ছে সেটা হলো পারিবারিক সম্পর্ক,,,,,পারিবারিক বন্ধন,,,, পরিবর্তিত সময়ে আমরা লক্ষ করছি সমাজে কিছু জিনিষ যেমন আমাদের অভ্যাস, আমাদের জীবন যাপন  খুব দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে ,,,পারিবারিক বন্ধন গুলো ভেঙ্গে যাচ্ছে,,,,এখন নতুন প্রজন্মের সাথে অভিভাবকদের  মতের মিল কিছুতেই খাপ খাওয়াতে পারছে না,,,,,,,,, পুরানো প্রজন্ম দের সাথে নতুন প্রজন্মের অনেক মতবিরোধ ,,,,, প্রতিটি প্রজন্ম একটি নিদিষ্ট সময়ের সাথে জীবন যাপন করে,,,,, এতে কোন সন্দেহ নেই যে  ,,এখনকার সময়টা নতুন প্রজন্মের জন্য অনেক টা প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার মত,,,,,,,, অভিভাবক ও নতুন প্রজন্ম দু পক্ষকে‌ই সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হয়,,,,,,,।  নানা রকম মতবিরোধ থাকা সত্বেও অনেক সময় সন্তানদের কথা শুনতে হয় অভিভাবকের,,,,,,,,,,  তবু‌ও আমি মনে করি নিজ নিজ সন্তানদের ভালোর জন্য প্রত্যেক  অভিভাবকে কখন‌ও কঠোর হতে হয়,,,,,, সেটা নতুন প্রজন্মের জন্য কিছুটা হলে‌ও ভালো,,,,,,,, সময়ের সাথে চলতে চলতে আমর

সবুজের ব্যথা

বয়সের ভারে জীর্ণ দীর্ঘাঙ্গী আছো দাঁড়িয়ে রক্ত ঝরে তোমার শরীরের ধারালো অস্ত্রের ঘায়ে প্রাণ আছে যার কে বুঝিবে হায় বৃক্ষের ব্যথা প্রকৃতি আজ রুষ্ট শোনেনা কেও তাদের  কথা পেটের দায়ে করে কর্ম দোষ কি তার আছে বারে বারে আঘাত হানে তোমারি বৃক্ষ মাঝে কাঠফাটা রোদে  বসেছে কত  তোমারি ছায়াতলে  স্বার্থান্বেষী মানুষ  তবুও কাটে গাছ লোভের বলে মাঠ ঘাঠ  জলাশয় মরুভূমি প্রকৃতির করুন পরিনতি  নদী নালা  ভরাট আধুনিকতার ছোঁয়ায় সবুজ প্রকৃতি।

ভালোবাসার রং

মন যে বোঝেনা ভালোবাসা কারে  কয় প্রেমের যাঁতাকলে ভালোবাসা বোবা রয় জীবনে চলার পথে ভুল ভ্রান্তি পথ দেখায় উপরটা  দেখে কি মনের ভিতরটা বোঝা যায় জগতটা গোলকধাঁধা ভালো থেকে মন্দ ভালো সাদা কালোর ভেদাভেদে ভালোবাসার রং কালো ভালোবাসার হৃদয়টা থাকনা ভালোবাসার জন্য ভালোবাসাকে ভালোবেসে জীবনটাকে করো ধন্য।

ভালোবাসার ডাক

মন খারাপী একলা ঘরের আকাশ ভালোবাসার  ছটফটানি রাতের  আঁধার ক্লান্ত সময় বন্ধনের  মায়াজাল  আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা শূন্য ঘরে ভালোবাসার সংসার অন্ধকার একলা পথে বেড়িয়ে পড়ে ভালোবাসা   ঠিকানা খোঁজে মিছে কেন খুঁজো তাকে  হেথা হোথা ভালোবাসা   সবার হৃদয় মাঝে চেনা অচেনার ভীড় আপন ভেবে  ভালোবাসায়  আগলে  রাখে ভালোবাসার কাছে হৃদয় অসহায়  ফিরে আসে  ভালোবাসার ডাকে।

মা

মা যে আমার বড় আপন মায়ের হৃদয়ে আছে স্নেহ ধন মা  ডাকে  স্নেহ মমতা ঝরে মায়ের মুখটা খুব  মনে পড়

আমার স্বপ্ন পূরণ

কিছু চাওয়া যখন পাওয়াতে পরিনত হয়, তখন  সুন্দর এক অনুভূতির সৃষ্টি হয়। সেই অনুভূতি টা ভালোলাগা হয়ে তোমার হৃদয়ে স্থান করে নেয়। মনের অস্ফুট শব্দরা যখন প্রস্ফুটিত হতে চায়, তখন এক একটা ছন্দ  ফুলের মত সেজে উঠে কবিতা ।  খুব কঠিন শব্দ দিয়ে লিখতে পারিনা ,যখন যেমন মনে আসে তখন সেটা  খুব সহজ ভাষায় লিখে রাখি মনের পাতায়,বেঁধে রাখি কখন কাগজ কলম দিয়ে ,হারাতে চাই না  তাদের। ভালোলাগা শব্দরা সাজিয়েছে  আমার কবিতার পাতা। এই ব‌ইটিতে আমার  ৬২ টা কবিতা আছে।     গতকাল আমার জীবনের একটা সেরা দিন ছিলো। একটা সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছি। আন্তর্জাতিক ব‌ইমেলাতে গিয়ে ।আমার নিজের স্বপ্নকে ছুঁয়ে দেখার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।  পৌষালী প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত আমার প্রথম একক সঙ্কোলন  " তবু মনে রেখো"   কবিতার বই প্রকাশ পেয়েছে।  যার হাত ধরে আমার এই সুন্দর প্রয়াস সফল হয়েছে সে  হলো আমাদের সকলের প্রিয় বন্ধু নামকরা প্রকাশক পৌষালী বিশ্বাস, পৌষালীকে আমার অনেক  ধন্যবাদ ও প্রাণভরা ভালোবাসা জানাই। আর আছে আমার  প্রিয় বন্ধু কেয়া এবং  প্রিয় দিদি স্মৃতিকনা দি ।তোমাদের দুজনের জন্য আমার অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা র‌ইলো ।

ইচ্ছেই বল

নিউজ চ্যানেল গুলোতে আজকাল যে সব খবর দেখায় সে সব দেখে মনটা দুশ্চিন্তায় থাকে। জয়তী আর অমিতের  দুই সন্তান নিয়ে সুখের সংসার ,।  অফিস যাওয়ার পথে  ছেলে মেয়েকে স্কুলে নামিয়ে দিয়ে যায়।     নিজের সব কাজ সামলে বাচ্চাদের  পড়াশোনারর দিকেও ভীষন নজর  ,জয়ীতার। নিজে গ্রেজুয়েশন করেছে তাই এখনও পর্যন্ত টিউশন রাখতে  হয়নি ,নিজেই  চালিয়ে নিচ্ছে।   তোমাকে স্কুটি চালানোটা  শিখে নিতে হবে জয়ীতা,,, বাচ্চাদের স্কুলে আনা নেওয়াটা তোমাকে এখন থেকে  করতে হবে, ,, প্রতিদিন বসের কথা শোনতে কার ভালো লাগে  বল ? তুমি  কি করে  যাবে ,,সেটা আমি ম্যানেজ করে নেবো ।.. রিক্সা করে আসা বাচ্চাদের এমনিতে নিরাপত্তা ন‌ই,,, সেটা  ভালো নয় কি, তোমার শিখে  নেওয়াটা।  ঠিক আছে ,  ভয় পেলে চলবে না,  বাচ্চাদের জন্য  আমাকে পারতেই হবে।  পারবে   জয়ীতা পারবে।

অস্থিরতা

গুনগুন কিছুতে বলতে পারছেনা  মাকে , চাকরি টা যে তার নেই। বছর দুয়েক আগে অনেক কষ্টে  চাকরিটা পেয়েছে।    হটাৎ  বাবার  অসুস্থতার  জন্য   গ্রেজুয়েশন টা  কমপ্লিট করেই  একটা  প্রাইভেট  কোম্পানিতে পার্টটাইম  জব  করে  সংসার চালাতো।     ভেবেছিলো মাষ্টারটা কমপ্লিট করতে পারলে  ভালো চাকরি যোগার করবে ,, সেটাও আর হলোনা।     পরিস্থিতির  কারণে   কোম্পানির ,কিছু  কর্মচারীকে ছাটাই করেছে। ,      সংসার কি করে চলবে সেটা ভেবেই  কূলকিনারা করতে পারছে না। গুনগনের মা কিছুটা হলেও বুঝতে পেরেছে। মেয়েকে এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সকাল সকাল মেয়েকে নিয়ে গানের রেওয়াজে বসে গেলো গুনগুনের কিছুই বুঝতে বাকি রইল না। মায়ের থেকেই গুনগুনের গানে হাতে খড়ি। মা খুব ভালো গান করতো।অনেকদিন গান শিখিয়েছে  বাচ্চাদের । মা চায়   আমিও মায়ের মত গানের চর্চা টা করে যাই। মা যে অলরেডি সবাইকে জানিয়ে দিয়েছে,  আগামীকাল থেকে গুনগুনের গানের স্কুলটা ছিল সেটাকে আবার শুরু  করবে,। গুনগুন‌ ও বুঝেছে পরিস্থিতির মোকাবেলায় সমাধানের পথ বেছে নিতে হয়।      

শব্দের বাগানে ঘুরে ফেরি, তাদের যত্ন করে মনের মত গড়ে তুলি ছোট ছোট শব্দের চারা গাছ।

বন্ধুত্বের বন্ধনে

 মিমি মাকে সান্তনা দেয় ঠিকেই ,,,,কিন্ত মিমির মনটাও তো খারাপ   দুবছর বাবা মারা গেছে,,,,। তার উপর দাদা বিদেশ চলে যাওয়াতে মায়ের মনটা সবসময় খারাপ থাকে।  ২৫   প্রমিলা মায়ের ছোটবেলার বান্ধবী,,,,,, দুজনে ভীষণ ভালো বন্ধু। তাই  মিমি একটা  সারপ্রাইজ প্ল্যান করেছে,,,,।   ১৪ মিমি এবং রুমিকে দেখে প্রমিলা যেমন অবাক,,,,তেমনি খুশিও খুব ,,কতদিন দেখা হয়নি,খুব ভালো করেছিস  এসে,,,,।   ১৭ রুমি কিছুই জানতো না মেয়ে এমন সারপ্রাইজ দিবে,,,,,,।  ৮ মিমি আসার  সময় কিছু খাবার সাথে করে নিয়ে এসেছেলো।  প্রমিলা আন্টি চা বানিয়ে গল্পতে বসে গেলো ,,.। প্রমিলার মেয়ে রিনি আর  মিমি দুজনে নিজেদের মত গল্পতে ব্যস্ত,,,,,,,,।   ২৬ কখন যে  সময় চলে গেলো রুমি ঘড়ির দিকে তাকিয়ে অবাক,,,,,,,।  ১০ ১০০ শব্দ। এককাপ চয়ের সাথে বন্ধুত্বের মিলন  সকল অবসাদ ভুলিয়ে দেয়,,   ।

একেই বৃন্তে দুটি ফুল

ভালোলাগা  আর ভালোবাসা  দুটির অবস্থান  দুই  মেরুতে ভালোলাগা না ভালোবাসা কে শ্রেষ্ঠ শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা কবির কলমেতে ভালোলাগা চায়না টাকা কড়ি   নেই কোন মনের মিথ্যে অজুহাত ভালোবাসা চায় প্রতিশ্রুতি,সন্মান , অধিকারের মান দন্ড করে নির্নিত । ভালোলাগা মুক্ত খোলা আকাশ,  ক্ষনিকের আনন্দে তৃপ্তির ঢেঁকুর, হৃদয়ের নেই কোন টানাপোড়েন  চলতে ফিরতে অনুভূতি ভালোলাগার। ভালোবাসা  খুঁজে বেড়ায় শক্ত হৃদয়  নিজের মনের উপর সদায় সচেতন স্নেহ মায়া মমতার সুতোয়  গাঁথে মালা মালাকে ধরে  রাখার দায়িত্ব করে বহন। ভালোলাগা বলে উঠে, আমাতেই খুশি  দুঃখ যন্ত্রনার ভয় নেই আমাকে নিয়ে ভাঙ্গা গড়ার খেলায় থাকিনা আমি মেতে এক ফোঁটা খুশিতে ভালোলাগা যায় ছুঁয়ে । ভালোবাসার চোখে জল, কে বুঝবে তাকে অনন্তকাল ধরে বয়ে বেড়ানোর নেশায় জন্ম   ভালোলাগার সুত্র ধরেই ভালোবাসার সৃষ্টি  একেই বৃন্তে দুটি ফুল, সৃষ্টির আড়ালে করে কর্ম।

একান্ত আপনের জন্মদিন

এলো যে আবার  বছর ঘুরে   একান্ত আপনের এই দিন। কবিতা গানে গানে সাজবে আপন ঘরে আনন্দ উল্লাসে ভরে উঠবে নতুন করে। সে যে  মধুর এক মায়ার বাঁধন মোদের অতি প্রিয় পরিবার একান্ত আপন। দূরে থেকেও ন‌ইকো দূরে পড়েছি বাঁধা বন্ধুত্বের ডোরে। হাতে খুন্তি , শব্দ সাজাই কাগজ কলমে, কাজের ফাঁকে সময় কাটায় নিত্যুনতুন গেমে। বন্ধুত্বের বন্ধনে দৃঢ় হোক একান্ত আপনের পথ চলা সকল বন্ধুদের জন্য আপন দরজা সদায় খোলা। শুভ হোক একান্ত আপন তোমার জন্মদিন শুভেচ্ছা শুভকামনায় ভরে উঠুক একান্ত আপনের এই দিন।

অতীতের আড্ডা

অতীত খুঁজে বেড়ায়  অলিগলি পথ কোথায় হারালো সেই আড্ডার মিলন বিবর্তনের স্রোতে গা ভাসিয়ে চলেছে  ব্যস্ত সময়ের  আধুনিক জীবন যাপন। উঠেনা ঝড় তর্ক বিতর্কের,হাসি, ঠাট্টা গল্প কথায় জমেনা, আড্ডার আসর  সময় লিখে যায়  সময়ের ইতিহাস প্রযুক্তির কল্যাণে আড্ডায় নেয় মোড়। চেটিং ,ভিডিও কলে ব্যস্ত,  নেট দুনিয়ায়  আড্ডার ঝড় উঠে ,সোশ্যাল মিডিয়ায়তে বন্ধ ঘরে সময় কটায়, চুমুক দিয়ে কাপে স্মৃতিরা হেঁটে  যায়, চেনা পথ ধরে অতীতে। ব্যস্ত জীবন ব্যস্ত সবাই  নিজের কাজে মগ্ন ইচ্ছে মত কাটছে সময় ভাবনারা সব বিচ্ছিন্ন।

সময়ের কথা

যেতে যেতে সময় বলে যায় কতনা কথা প্রযুক্তির কল্যাণে হারিয়েছে পুরোনো প্রথা।  মুঠোফোনে ভুলেছে মানুষ, চিঠিপত্র লেখা হারানো চিঠি স্মৃতিতে, বারবার ফিরে দেখা। হাজার  মানুষের পথচলা ,পথের ধারে সে একা সময়ের খোলসে রপ বদলায়  ,তাকে ভুলে থাকা। হলুদ খাম,পোস্টকার্ডে লেখা  ,আবেগের ঝুলি প্রীতি, শুভেচ্ছা, ভালোবাসার গুপ্ত কথার  বুলি। ফোন কল মেসেজে প্রাণের স্পর্শ ঠিকানাহীন  অস্তিত্বের পরিচয় হারিয়ে ডাকবাক্স জনহীন। আধুনিকতার ছোঁয়ায়, মোবাইলটা পেলো  হাতে , ছোট এক যন্ত্রে কথা বলা আপনজনের সাথে ।   নতুন আলোয় সময় হারায় ,নীল আলো দুচোখে দ্রুত এগিয়ে যায় , ব্যস্ত জীবন মোবাইল নেটওয়ার্কে। সময়ের ছব্দবেশে ,পুরোনো রীতিনীতি মুখোশে ঢাকা পড়ে, পৃথিবীকে পায় হাতের মুঠোয়, আধুনিক বিজ্ঞানকে সঙ্গী করে।

বেনাম ভালোবাসা

কি ভুলের মাশুল দিয়ে চলে যাও অমন করে ফিরে এসো  একটি বার, যেওনা তুমি আমায় ছেড়ে ভালোবাসার একগুচ্ছ গোলাপ  রয়েছে তোমার পথ চেয়ে হৃদয়ের খাতায়  নামটি লেখা ভালাবাসার সবটুকু  দিয়ে  রাগ অভিমানে ভালোবাসায় না জানে কত দিতে হয় দাম ঝরা ফুলের পাপড়ি মত ঝরে ভালোবাসা রয়ে যায় পথে বেনাম।

ছন্দহীন জীবন

 উদ্বেগ, আতঙ্ক  ছাড়াই  বেড়িয়ে পরা রোজ লাগামছাড়া,হৈ  হুল্লোড় পেটপুরে  ভুরিভোজ জনঅরণ্যে র সমুদ্রে জোয়ার এসেছে বর্ষবরণের আনন্দ স্রোতে গা ভাসায় ,জন্মিলে মরিতে হবে ভয়  কিসের।    পথে পরে থাকে  অজস্র স্মৃতি দুঃখ বেদনার কষ্ট অজ্ঞানতার অন্ধকারে পৃথিবীর চেহেরা  অস্পষ্ট।  বেনাম অতিথি কড়া নাড়ে , অজানা ভয় মনে জাগে উপহারে বেদনার ছবি,  দমকা  হাওয়া ঝড়ের বেগে। হাসি কান্নার শব্দে নিঃশব্দে, সময় বয়ে যায়,কর্মে অটল ঘন মেঘে আঁধার ঢাকে, মিটমিটিয়ে চায়, মিষ্টি তারার দল।