পোস্টগুলি

2022 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

সময় গেছে ফুরিয়ে

 উঠলো সেজে বরবধূ খেলাঘরে সোনামনির পুতুলের‌ আজ  বিয়ে  উলু দে শাখ বাজা এলো যে বর   আয়রে তোরা বরণডালা নিয়ে  ফেলে আসা দিনের কথা শৈশবের হারিয়ে যাওয়া সে পুতুল খেলা সোনালী স্মৃতিতে ফিরে দেখা  কাটেনা সময়  অলস দুপুর বেলা  পুতুল খেলা ভারী মজার রূপকথায় সাজানো শৈশব খেলতো বসে বসে নেই জ্বালা যন্ত্রনা আনন্দ খুশিতে ভরা বাস্তব বড় কঠিন জীবন বাঁধা নাগপাশে ।

আমার আমি বড্ড প্রিয়

সরলরেখা পথ সব সময় সরল হয়না। হিসেবে গরমিল হয়েই যায়।   আমার আমি নিজের আত্মবিশ্বাস টা একহাতে ধরে রাখে সবসময়। আসুক যত ঝড় ঝাপটা ,আপদ বিপদ, এসে ছিলো ও এক সময় অনেক বড় বড়  বিপদ নিজের আপনজনের উপর ।কখনো জীবন‌ও পরীক্ষা নেয় ,একসময় মনে হয়ে ছিলো যে এতো বড় বিপদ থেকে কি করে  রক্ষা পাবে ।  সে সময় ঠাকুরের আর্শীবাদ আর নিজের আত্মবিশ্বাসের উপর  ভর করে চলেছে।  অনেকটা জীবন পিছনে ফেলে এসেছে একটা কথা আমার আমি নিজেকে শিখাতে পেরেছে সবাই তোমার মত নয় সবাইকে অন্ধের মত বিশ্বাস করোনা । তার জন্য ভুলের মাশুল তোমাকেই  দিতে হবে। তথাপি সেই ভুলটাই আমার আমি করে ফেলে। অন্যায় আর মিথ্যা এই দুটোকে সহ্য করতে পারেনা যার জন্য প্রতিবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় যা তা নয় শুনতে হয়েছে।  দায় দায়িত্ব পালনে আমার আমি বরাবর উদগ্রীব। জন্ম থেকেই যেনো সেটা সাথে নিয়ে এসেছে । অনেক অভিজ্ঞতার মাঝেই আমার আমি নিজেকে শক্ত মজবুত করতে শিখেছে। বারবার নিজেকে প্রশ্ন করে কতটা পথ নিজেকে স্বার্থত্যাগ করে চলতে হবে। নিজের ইচ্ছে স্বপ্ন  ভালো লাগা, ভালোবাসা আমার আমির মধ্যে খুব ভালো করে বাঁচতে শিখেছে । আমার আমিকে কে বুঝলো কে বুঝলো না সেটার অভিমান

আমার স্কুল জীবন

ছোটবেলার স্মৃতির কথা মনে পড়লে এখন‌ও সেই স্কুলের কথায় বেশি করে মনে হয়।স্কুলে কাটানো জীবনটা অন্যান্য জীবনের থেকে একদম আলাদা।সবথেকে সেরা,কাটানো কত খুশি আনন্দ ছোটবেলার স্মৃতিতে অম্লান আজ‌ও। কলেজ জীবন টা আবার একদম অন্যরকম,সেখানে পুরোনো বন্ধুদের  বা শিক্ষক শিক্ষিকা কাওকেই পাওয়া যায়না।সে সব স্মৃতি খুব একটা মনে জায়গা করতে পারেনি।স্কুল জীবনের স্মৃতিচারণ করে আজ‌ও আনন্দ পাই। আমার ছোটবেলার স্কুল জীবন কেটেছে দুটো স্কুল মিলিয়ে ।প্রথম যে স্কুলে পড়েছিলাম তখন‌ও সেটা গরমেন্ট হয়নি। কয়েকবছর পর অবশ্য হয়ে গেছিলো। যার জন্য দুটো স্কুলের অনেক স্মৃতি আজও ভুলতে পারিনি। ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস সেভেন অব্দি এক স্কুলে পড়েছি ।সেখানে ছেলেমেয়ে উভয়ে ছিলো,আর সেটা আমার খুব কাছে ছিলো ,বাড়ী থেকে হেঁটে‌ই যেতাম ।আবার টিফিনে বাড়িতে এসে নাকে মুখে দিয়ে টিফিনের পর  যে ক্লাসথাকতো সে অনুযায়ী ব‌ই নিয়ে ছুটতাম ।  তারপর  ক্লাস এইটে উঠলাম যখন  তখন বেঙ্গলী র্গালস হাইস্কুলে এডমিশন নিলাম সেখানে টেইন অব্দি। তবে সেটা অনেকটা দূর ছিলো পাবলিক বাসে আসা যাওয়া করতে হতো। এই যে দূরে গিয়ে স্কুলে পড়ার আনন্দটা একদম অন্যরকম ছিলো।কত

কুসংস্কারের একাল সেকাল

সংস্কার আর কুসংস্কার আমাদের সমাজে বহু যুগ ধরে চলে আসছে। লোকের বিশ্বাসে বছরের পর বছর  কুসংস্কার কে টিকিয়ে রাখে। পাপ পূণ্যের চিন্তা ধারা গুলো যেদিন আমাদের মনের থেকে চলে যাবে সেদিন থেকেই হয়তো আমরা কুসংস্কার মুক্ত হতে পারবো। আমি বেশ কয়েকবার তিরুপতি মন্দির গেছি,তখন দেখেছি পুরুষ মহিলা উভয়ে ওখানে চুল দিতে। আমরা আমাদের মনে নানান ইচ্ছে পূরণের কথা ঠাকুরের কাছে গিয়ে বলি ,ঠাকুর আমার এই মনস্কামনা পূর্ণ হলে তোমাই এতো টাকার পূজো দেবো, কেও সোনার টিপ দেবে কেওবা জোড়া কবুতর, নানান রকম মান্নতের কথা ঠাকুরের কাছে বলে আসে ।তাই মন্দিরে চুল দেওয়ার ব্যাপারটা আমার মনে হয় সেরকম কিছু একটা ।  এমন শুনেছি যেসব মন্দিরে এই চুল দেওয়া হয় সেগুলো বিক্রি করে প্রচুর টাকা আসে।একদিকে মানুষ নিজের থেকেও বেশী ভগবানের প্রতি বিশ্বাস।  অন্যদিকে মঙ্গল অমঙ্গলের কথা  ভেবে আমাদের মনকে ভয় ভীতি করে তোলে  ।  ভগবানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ইচ্ছেপূরণ জানানোর একেকজনের একেক রকম মান্নত করে। আর  এই অন্ধবিশ্বাসেই মানুষকে কুসংস্কারের পথে ঠেলে দেয়।

শ্রাদ্ধে লোকদেখানো দান দক্ষিণা খাওয়া দাওয়ার প্রয়োজন আছে কি????

শ্রাদ্ধ হিন্দু শাস্ত্রের মৃতের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের অনু্ঠান। মৃতের আত্মার শান্তি কামনা করে নানান রকম আচার রীতি নিয়ম পালন করে আজ‌ও ।আগে দেখেছি একমাস করতো।এখন সেটাকে কমিয়ে  নিজেদের সুবিধা মত কেও ১৩দিন কেওবা ১১দিন শ্রাদ্ধের কাজকর্ম করে। সব  রীতি নিয়ম মানুষেরেই তৈরী । সব যখন মানুষ তৈরী করে নেয় তখন শ্রাদ্ধের খাওয়া দাওয়া সেগুলো মানুষ খুব সহজে বন্ধ করতে পারে। মৃতের আত্মার শান্তি কামনায় যেটুকু নিয়ম আছে সেগুলো নিজেদের আত্মীয় স্বজন মিলে করে নিতেই পারেন যেগুলো একদম না করলে নয়। আজকাল তো দেখছি শ্রাদ্ধের দিন নিয়ম সেরে রাখে কারন সেদিন অনেকে খাওয়া দাওয়া পছন্দ করেন না ।তাই মৎস্য মুখেরদিন বেশ ভালো করে অনেক লোকজন কে নিমন্ত্রণ করে ভুরিভোজ করানো হয় ।সেটা কি উদ্দেশ্যে করায় সেটা বুঝতে পারিনা। মানুষ ও খুশি খুশি গিয়ে খেয়ে আসেন। খেয়ে দেয়ে এসে আবার বলেন খুব ভালো খাইয়েছে পদ ভালো হয়েছে আরও কত কথা। শ্রাদ্ধের খাওয়া দাওয়া কোনদিন পছন্দ করিনা।  পুরোনো যেসব প্রথা আজকাল অনেক কিছুই আগের মত নেই তাহলে শ্রাদ্ধের নামে এইসব খাওয়া দাওয়ার কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। যে বেঁচে থাকতে  শান্তি পায়নি স

আমার স্কুল জীবন

ছোটবেলার স্মৃতির কথা মনে পড়লে এখন‌ও সেই স্কুলের কথায় বেশি করে মনে হয়।স্কুলে কাটানো জীবনটা অন্যান্য জীবনের থেকে একদম আলাদা।সবথেকে সেরা,কাটানো কত খুশি আনন্দ ছোটবেলার স্মৃতিতে অম্লান আজ‌ও। কলেজ জীবন টা আবার একদম অন্যরকম,সেখানে পুরোনো বন্ধুদের  বা শিক্ষক শিক্ষিকা কাওকেই পাওয়া যায়না।সে সব স্মৃতি খুব একটা মনে জায়গা করতে পারেনি।স্কুল জীবনের স্মৃতিচারণ করে আজ‌ও আনন্দ পাই। আমার ছোটবেলার স্কুল জীবন কেটেছে দুটো স্কুল মিলিয়ে ।প্রথম যে স্কুলে পড়েছিলাম তখন‌ও সেটা গরমেন্ট হয়নি। কয়েকবছর পর অবশ্য হয়ে গেছিলো। যার জন্য দুটো স্কুলের অনেক স্মৃতি আজও ভুলতে পারিনি। ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস সেভেন অব্দি এক স্কুলে পড়েছি ।সেখানে ছেলেমেয়ে উভয়ে ছিলো,আর সেটা আমার খুব কাছে ছিলো ,বাড়ী থেকে হেঁটে‌ই যেতাম ।আবার টিফিনে বাড়িতে এসে নাকে মুখে দিয়ে টিফিনের পর  যে ক্লাসথাকতো সে অনুযায়ী ব‌ই নিয়ে ছুটতাম ।  তারপর  ক্লাস এইটে উঠলাম যখন  তখন বেঙ্গলী র্গালস হাইস্কুলে এডমিশন নিলাম সেখানে টেইন অব্দি। তবে সেটা অনেকটা দূর ছিলো পাবলিক বাসে আসা যাওয়া করতে হতো। এই যে দূরে গিয়ে স্কুলে পড়ার আনন্দটা একদম অন্যরকম ছিলো।কত

ধনী গরীব

একেই শরীরে একেই রক্ত মানুষের ভেদাভেদ মনে ধনী গরীব আসা যাওয়া একজনের হাতে সেই জানে  ধনী থাকে অট্টালিকায় সুযোগ সুবিধা আছে সবেতে   পেটের জ্বালা মেটায়  পথে পথে ঘুরে  রাত কাটে শুয়ে ফুটপাতে   রাতদিন খেটে খাওয়া গরিব সখ সৌখিনতার  কি বোঝে নামী দামী রেষ্টুরেন্ট কাপড় চোপড় ধনীকেই তো সাজে নুন আনতে পান্তা ফুরায়  ক্ষুধার্ত গরিবের  পেটের জ্বালা গরিবের সঞ্চয়ে ধনীর অপচয় কুকীর্তির  যত রঙ্গশালা  ধনীরা উড়ায় দুহাতে টাকা গরিবের ঝুলিতে দুটি টাকা গরিবের খাতায় লিখেছে নাম অসহায় হয়ে বেঁচে থাকা।

নিজের ভালোলাগা

সারাদিনের কর্মব্যস্ততা শেষে বিকেলে কিংবা সন্ধ্যায় মন চায় বন্ধু বান্ধব কিংবা প্রিয় মানুষের সাথে  কিছুটা সময় কাটাতে,,,,,,,,,,,. মান্নাদে র সেই বিখ্যাত ও জনপ্রিয় গান কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই.......সত্যি আজ আর কাওকে সেরকম করে আড্ডা দিতে দেখা যায় বলে মনে হয় না। ,,,,,,,আজ মোবাইলের দৌলতে দূরে থেকেও যেন খুব কাছ থেকে বসে গল্প করার মত মনে হয় ।ঘন্টাকে ঘন্টা, মন ভালো করা সুখ দুঃখের কথা বার্তা ,,,,,, । কেনো আজ মনটা এমন লাগছে  সব তো করছি তবে কেনো মন  বলছে  কিছু যেনো হয়নি ,,,,, তাড়াতাড়ি করে সব কাজ কর্ম সেরে নেয় ,,,,,,,কখন‌ও যদি ফোন চলে আসলো তাহলে তো হয়ে গেলো দুজনের থেকেই কথা শুনতে হবে,,,,,,,,,,কখন যে খাওয়া জুটবে  ঠিক নেই তাই    ফোন আসলে ফোনটা রিসিব করে বলে নেয় এগন রাখছি পরে সময় করে কল করে  জমিয়ে আড্ডা দেবো,,,,,,,,,,,  হাঁ চলে ঘন্টার পর ঘন্টা বোনে বোনে আড্ডা,,,, আবার মাঝে মাঝে মান অভিমান‌ও চলে,,,   ছেলে আর স্বামী বলে তোমরা এতো কি কথা বলো রোজ রোজ,,,,, তোমাদের কথা শেষ হয়না,,,,,,,,রুমি বলে,  জানি না ,কোথা থেকে এত কথা চলে আসে ,,,,,, রুমি আবার রেগে গিয়ে বলে  তোমরা তো কথায় খুঁজে পাও ন

একাল সেকাল শিক্ষা ব্যবস্থা

এখনকার শিশুরা ছড়া কবিতা গল্পের বই না পড়েই বড় হচ্ছে,,,,, তবে বই না পড়ার দায় পুরোপুরি শিশুদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়,,,,,,,,কারণ  আমরা বড়রা শিশুদের জন্য এমন এক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করেছি,,,,,,যা তাদের শুধু স্কুলের  ব‌ইয়ের বোঝার মাঝে শৈশব হারিয়ে গেছে ,,। স্কুলের ব্যাগটা বড্ড ভারী, আমরা কী আর বইতে পারি, এও কি একটা শাস্তি নয়,,,,,,কষ্ট, কষ্ট হয়,,,,,,,, আমার কষ্ট বুঝতে চাও, ,,,,,,দোহাই পড়ার চাপ কমাও -কষ্ট হয়, কষ্ট হয়।’  শিল্পী কবির সুমনের একটি গানের কথা এগুলো,,,,, তবে এ গানটি কেবল গানই নয়,এ  কথাগুলো সত্যি হয়ে এসেছে বর্তমান প্রজন্মের শিশুদের ক্ষেত্রেও.....। আমাদের সমাজে এমন বাবা  মায়ের অভাব নেই যারা সন্তানকে শিক্ষা দিতে চান শুধু বইয়ে মুখ গুজিয়ে রাখাই জীবন,,,,,,,পড়াশোনা তো সারাবছর,,,,,,, তারপর বছর শেষে বা  অন্যকোনো উৎসবের ছুটিতে সবাই যখন উৎসবের আমেজে থাকে তখনও চান সন্তান যেন কালির অক্ষরের বইটাকেই আঁকড়ে রাখুক শুধু,,,,,,,। ছুটি মানে ইচ্ছে মত ডানা মেলা নয়,,,,,,,ছুটিটাকেও কাজে লাগাতে হবে পড়াশোনা করে এমন মনে করেন অনেক অভিভাবক,,,,,,,,শিশুদের তাদের নিয়মের মত করেই বড় করা উচিত,,,,। আজকাল আমরা কচি মুখগ

ক্ষতি তো কিছু নেই

সূর্য ডোবার পালা আসে যদি আসুক বেশ তো গোধূলির রঙে হবে এই ধরণী স্বপ্নের দেশ তো স্বপ্নের ডানা মেলে উড়ে যাক যত  মন পাখি  আসবে তো ফিরে আঁধার ঘেরা আকাশ চোখ খুলবে গাইবে পাখি গান ভোরে  কতনা ব্যস্ততা শহরে ছুটাছুটির খেলায মত্ত পথ ভুলাতে হারায় কত জনারণ্যে তবুও  ফিরে আসুক আপনজন আপন ঘরেতে।

অতীতের ডায়রী থেকে

আমার জীবনে মজার ঘটনা বলতে গেলে বেশ কয়েকটি আছে , তার মধ্যে একটি ঘটনার কথা তোমাদের সাথে আমি শেয়ার করছি। এই ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতাতে,পূজোর সময়,বেশ কয়েকবছর আগে। দুই ছেলেকে নিয়ে তখন আমি  ব্যাঙ্গালোরে ওদের পড়াশোনার জন্য থাকতে হতো। সে বছর কলকাতার পূজো দেখবো বলে ব্যাঙ্গালোর থেকে কলকাতায় এসেছিলাম।  কলকাতার পূজো মানে বিশাল ব্যাপার।  চতুর্থী পঞ্চমী থেকেই শুরু হয়ে যায় পূজো দেখা আর এখন তো মহালয়া থেকেই শুরু হয়ে যায়।  আমরাও পঞ্চমী থেকেই পূজো দেখা শুরু হয়ে গেছিলো। আমার ছোটবোন আবার কলকাতাতেই থাকে।  পূজোর যেকোনো একটাদিন আমরা সবাই মিলে পূজো দেখি। তবে এখন আর রাত জেগে অবশ্য দেখি না।  সে বছর‌ও আমরা যথারীতি বেরিয়ে ছিলাম পূজো দেখতে গাড়ী নিয়ে।সারারাত জেগে পূজো দেখে আমরা সকলে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম । কখন যে ভোর ৫টা বেজে গেছে বলতেই পারিনি। একটা করে পূজো দেখছি সুন্দর সুন্দর ঠাকুরের ফোটো তুলছি। পূজো দেখা প্রায় শেষের পথে। একটা খুব ভালো পূজো বাকি ছিলো,পূজো প্যান্ডেলে  সবার চোখ ঘুমে ঢুলো ঢুলো,পূজো দেখার এ্যানার্জি সব চলে গেছে।  এখন আসল মজার কথায় আসা যাক , এতো ভীড়ের  মধ্যেও সারারাত পূজো দেখে সকলে একসাথ

কুসংস্কারের একাল সেকাল

সাপ্তাহিক প্রতিযোগিতা কুসংস্কারের একাল সেকাল কলমে..উমা মজুমদার ২/১১/২২ আমরা যে সমাজে বাস করি সেখানে অন্ধবিশ্বাস আর কুসংস্কারের অতল সমুদ্র।  তবে বলতে গেলে একাল সেকালের মধ্যে এখন  অনেক পার্থক্য এসেছে। এমন অনেক কুসংস্কার আছে যেগুলো সময়ের সাথে একটু একটু করে লোপ পেয়েছে। গ্রামেগঞ্জে এখনো কোন নারী বিধবা হলে শক্ত হাতেই তাকে সব নিয়ম পালন করতে হয়। হিন্দু শাস্ত্রের দোহাই দিয়ে কতনা নিয়ম পালন করিয়ে নেয় এখন‌ও।  স্বামী মারা গেলে চুল কেটে দেওয়া হতো । এটার পিছনে  মেয়েদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই সেটা করানো হতো এমনটা হতে পারে ।পুরোনো দিনের চিন্তাধারা  কুসংস্কারের মধ্যে আবদ্ধ ছিলো, নানানরকম বিধান দিয়ে লোকের মুখ বন্ধ করে রাখা হতো। না করলে পরিবারের অমঙ্গল হবে আর‌ও কত কি। মেয়েদের উপর জোর জলুম করে বিধবার নিয়ম করানো হতোচুল কেটে দিয়ে তার সৌন্দর্য নষ্ট করে দিতো। তোমার সৌন্দর্য দেখার মানুষ চলে গেছে, আর কি হবে তোমার এই সৌন্দর্যের,ইত্যাদি ইত্যাদি।  নারীদের কোনো কিছু প্রতিবাদ করার সাহস ছিলো না। স্বামী  মারা গেছে মানে ,সেদিন থেকেই তার‌ও সকল সুখ স্বাচ্ছন্দ্য ,তার খাওয়া দাওয়ার উপর বাধা নিষেধ জারি কর

ভুতের আজব কান্ড

কলমে...উমা মজুমদার ২২/১০/২২ বহুদিনের ইচ্ছে লিখি তাদের নিয়ে একখানা কবিতা ভুত চতুর্দশীতে ভুতের রাজা দিবে বর কবিতা খানা পৌঁছাবে  যখন ভুতের রাজার হাতে হটাৎ করে নিভলো আলো ঘরের  শুরু হলো ভুতের আজব  যত কান্ড ঘন কালো অন্ধকার বিচিত্র সব হাসি হাত পা শক্ত হয়ে ভয়ে লেখা আমার পন্ড  চোখ বড়বড় কালো কাপড়ে শরীর   মুখ আপাদমস্তক ঢাকা তাদের নেমন্তন্ন পেয়েই ছুটে আসে মর্তে  ভুত চতুর্দশীর আনন্দে বছরে একবার অতিথি হয়ে থাকে যেখানে সেখানে  কিছুদিন খায় দায় মানুষের শহরে  দীপাবলির আনন্দে মেতে থাকে তারা পেত্নি শাকচুন্নির মাতামাতি শহর জুড়ে।

শুভ বিজয়ার একাল সেকাল

মুছে যাওয়া দিনগুলি.... ১৮/১০/২২ যখনেই কোন আনন্দ খুশির কথা মনে হয় তখন মনটা হুট করে চলে যায় সেই সূদূর ছোটবেলায়। আজ‌ও যখন বিজয়া দশমীর দিন মাকে বরণ করে ঘরে আসি তখন বহু বছর আগে ফেলে আসা দিনের কথা খুব মনে  পড়ে।চোখের উপর জ্বল জ্বল করে ভেসে উঠে দশমীর দিনের কথা, ।  সেকাল আর একালের মধ্যে অনেক  পরিবর্তন এসেছে। আমরাও হয়তো কোথাও না কোথাও একটু অলস হয়ে পড়ছি সকলকে দেখে বা সবকিছু না চাইতে পাওয়া যায় বলে হয়তো । আজকাল তো অনলাইনের যুগ।ঘরে বসেই এসে যায় । মহালয়া শেষ হলেই আমার মাকে দেখেছি খ‌ইয়ের মোয়া, মূড়ির মোয়া, নারকেলের নাড়ু কাটানিমকি ,, এইসব বানিয়ে রাখতে ,পূজোর সময় বাড়ীতে লোকজন  আসলেই মিষ্টি আনা হতো না, এই সব দিয়ে চা দেওয়া হতো। পূজোর গন্ধ পাওয়া যেতো ।কত আন্তরিকতা ছিলো সবকিছুতে সময়‌ও ছিলো যথেষ্ট। এখনতো এইসবের বড্ড অভাব। আজকাল আর সেসবের পাট চুকিয়ে ফেলেছে।সকলে Helth concious হয়ে গেছে, বেশি মিষ্টি খেতে চায়না বলে আর করা হয়না ,খেতে ইচ্ছে হলে বাজারে পাওয়া যায় ,,সেখান থেকে কিছু নিয়ে আসলেই হলো।  দশমীর কথা বলতে গেলে সেটাই বলতে হয় , অতীতের র বিজয়া দশমী আর এখনকার দশমীতে অনেক পরিবর্তন

আচার রীতি নিয়মে একাল সেকাল

কলমে--উমা মজুমদার ১২/১০/২২ আমরা যে সমাজে বাস করছি সে সমাজে হাজারো রীতি নিয়ম আচার অনুষ্ঠান আছে ।মানা না মানা আমাদের উপর নির্ভর করে।আদিকাল থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত কিছু আচার রীতি নিয়মে র‌ অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আজকের যে আলোচনার বিষয় সেটা র উপর আমার কিছু বলার আছে সেটা ।আমাদের বাঙালি বিয়েতে অনেকআচার অনুষ্ঠান আছে ।আজকাল তো আবার কিছু আচার অনুষ্ঠান নতুন করে যোগ হয়েছে ।মেহেন্দী সঙ্গীত Ring ceremony আরো নতুন কিছু অনুষ্ঠান আজকাল করতে দেখা যায় । অপরকে দেখে আমরা নিজেদের মধ্যে বদল আনছি। তাই আমি বলছি   যে বিয়ের সময় ছেলে মাকে বলে যাওয়া কথাটা র মধ্যেও আমরা ইচ্ছে করলে পরিবর্তন করতে পারি । ' মা আমি তোমার জন্য দাসি আনতে যাচ্ছি "সেটার অর্থ যাই হোকনা কেনো,শুনতে বা বলতে কোনোটাই শোভনীয় নয়। আজকাল হয়তো তেমন করে কেও বলে কিনা জানিনা। হাসি ধামালি করে হয়তো কথাটা বিয়ের সময় বলাবলি করে, কিন্তু আজকের প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা সেটা বলবেনা আশাকরি।এখনকার মা কাকিমা জ্যাঠিমা বা  আমদের যাঁরা বড়রা আছেন তাদের মধ্যেও অনেক পরিবর্তন এসেছে। এমন অনেক নিয়ম আছে যেগুলো আগে খুব মানতো।আগে তো না খেয়ে বিয়ে করতো সার

আগমনী র সুর

আশ্বিনের শারদপ্রাতে বেজে  উঠলো মায়ের আগমনী  মা আসছে একটি  বছর পরে   ছড়িয়ে  দিতে শান্তির বাণী যাপিতজীবনের অবসাদ ক্লান্তি ভুলে  মায়ের আবাহনে দিন হয় শুরু  পূজোর গন্ধ চারিদিক ভেজা আকাশ মেঘ কেনো করে গুরু গুরু  মায়ের আসার পথ চেয়ে   অপেক্ষারা গুনে প্রহর ঢাক বাজে কাঁসর বাজে বাতাসে  ভেসে আসে আগমনীর সুর সকলের মুখে  ফোটাতে  হাসি  বছর পরে  আসে মা বাপের বাড়ি  মাতৃ আরাধনায় ব্যস্ত জগৎবাসী শুভশক্তি প্রতিষ্ঠায় মঙ্গল ঘট স্থাপন করি অসুরদলনী,পাপনাশনী জয় মা দুর্গা  অশুভ শক্তির বিনাশকারী দুর্গা তোমার নাম তুমি শিবজায়া হিমালয়দূহিতা দশভূজা সংকটনাশিনী কৃপাময়ী তোমায় জানাই প্রণাম।🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻

দেওয়াল ঘড়ি

  হারানো দিনের সে দেওয়াল ঘড়ি হেলে দুলে জাগ্রত প্রহরী  মাতিয়ে রাখতে ঘর শব্দ তরঙ্গে অতীতের পেন্ডুলাম ঘড়ি উপহারে পাওয়া একটি পেন্ডুলাম ঘড়ি টাঙ্গানো ছিলে কতকাল ধরে  বেশ তো চলছিলে  তুমি দম নিয়ে তবুও নতুনত্বে মন নিলো কেড়ে   চেহারা গঠন যত‌ই হোক আধুনিক কমেনি সময়ের চলার গতি  আজ সময় বয়ে যায় নীরবে নিভৃতে ব্যস্ততায় শুধু আমরা মাতি মিনিট সেকেন্ড ঘন্টা  মাপছে  সময় নেই কোন ভুল ঘড়িতে বিবর্তনের পথ বেয়ে হাঁটছে  সময় পদচিহ্ন এঁকে যায় প্রতি মুহূর্তে।

চোখ কান খোলা রেখে

সত্যে মিথ্যে র গল্প রচে কতনা দামে বাজারে  বেচে কানে শোনা চোখে দেখা হয় কি সব সত্যি সত্যহীন বাজারে মিথ্যে কেনে ব্যাগ ভর্তি কে সত্য কে মিথ্যে আসলটা কে বা জানে  মিথ্যের মুখরোচক গল্প সকলে নেয় মেনে বিবেক মনুষ্যত্ব মিথ্যের কোলে আশ্রয় নেয় সত্যকে আড়াল করে মিথ্যে আগে পোঁছায় যেখানে দেখো সেখানে মিথ্যের জয় জয়কার সত্যকে চলতে হয় একা তবেই মিলে তার পুরস্কার তাইতো বলে চোখ কান খোলা রেখে সত্যের পথ চেনো মিথ্যের  সাজানো পথে  মুখ থুবড়ে পড়ো না যেনো।

কিছু স্বপ্ন বেঁচে থাক

একদিন এমন ছিলো স্বপ্ন মানে ছিলো না জানা  যখন তখন বেহিসাবি স্বপ্নরা করতো  আনাগোনা  মনশহরে উড়ে উড়ে বেড়ায় হাজারো স্বপ্নের মেলা  বেনামী স্বপ্নরা আসে যায় মন ভুলানো করে খেলা   উপেক্ষা অবহেলায় চেনা স্বপ্নরা হারায় মনের উঠোনে মধ্যবৃত্তের যাপন শব্দের কোলাহল স্বপ্ন বাঁচে নির্জনে ।

ডাকবাক্স

✍️উমা মজুমদার ২৮/৮/২২ হাজার  মানুষের পথচলা তবুও  পথের ধারে  আছে  কবে থেকে একা সময়ের খোলসে রঙ বদল নতুন আবিষ্কার  প্রযুক্তির কল্যাণে ডাকবাক্সকে  ভুলে থাকা মুঠোফোনে ব্যস্ত সবাই রঙমাখানো জীবন   ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ ইমেইলের জমানা অতীতে ছিলো সবার প্রিয় ধুলোমাখা ডাকবাক্স ছলছল চোখে স্মৃতিচারণ অপেক্ষায় দিন কাটেনা সময়ের আগে খবর পোঁছে  আবেগ অনুভূতি হারায় ইতি প্রীতি ভালোবাসা নিরোদ্দেশে ডাকবাক্স বাই বাই।

স্বাধীনতা তোমাকে চাই

স্বাধীনতা তোমাকে চাই.. স্বাধীনতা  তোমাকে জানাই শত শত কোটি প্রণাম পরাধীনতার শিঙ্খল  ভেঙ্গে পেয়েছি স্বাধীনতার নাম বহু বীর শহীদদের রক্তে কেনা আমাদের এই স্বাধীনতা স্বাধীনতার পঁচাত্তর বর্ষপূর্তি মহোৎসবের পূণ্যর্তীর্থ ভারতমাতা  স্বাধীনতা মানে ১৫ই আগস্ট স্বাধীনতা দিবস আমাদের ছোটবেলা  স্বাধীনতা মানে স্কুলের মাঠ পতাকা উত্তোলন  প্রতিযোগিতার খেলা স্বাধীনতা শব্দটির উচ্চারণে আমাদের প্রিয় জন  গন মন বন্দেমাতরম  স্বাধীনতা মানে ইতিহাসের পাতায়  কেঁদে উঠে বীর শহীদদের হাজারো নাম স্বাধীনতা মানে নয়  স্লোগান পতাকা হাতে মিছিল নয় একদিনের  শুধু দিবস পালন স্বাধীনতা  হোক ঘরে ঘরে  অধিকার সন্মানে মননে বিশ্বাসে হোক স্বাধীনতার পূনর্মিলন বৃটিষ শোষণ থেকে মুক্তি পেতেই কি ছিলো স্বাধীনতার আন্দোলন দেশপ্রেমিকের আত্মত্যাগ স্বাধীনতা কেনো আজ যন্ত্রণাজর্জর‌ অবস্থায় শোষক ও শোষিতের লড়াই চলে আসে  যুগ যুগ স্বাধীনতা আজ তুমি কোথায় ফিরে এসো আর‌ও একবার দেখিয়ে দাও স্বাধীনতা অক্ষরে অক্ষরে সততার আলিঙ্গনে শুদ্ধ হোক স্বাধীনতা অনাবিল মুক্ত হাওয়ায় বাঁচুক স্বাধীনতা মাথা উঁচু করে। 🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻

আমার বাবা

বাবা কতকাল হয়ে গেছে তোমায় দেখিনা তাই বলে তুমি  নেই কাছে সেটা কখনো ভাবিনা আছো তুমি হৃদয়ে আমার মনে প্রাণে প্রতি সময়ে  ধন্য আমি আমার জীবন তোমায় বাবা রূপে পেয়ে আমার বাবা আমার কাছে সবচেয়ে আপনজন বাবার মত এই জীবনে  আর  পাবোনা একজন তোমার ছত্রছায়ায় বেড়ে ধন্য হয়েছিলো  জীবন   ছিলো বুকে গভীর ভালবাসা সহজ সরল তোমার মন  তোমার শিক্ষা উপদেশ জীবনের মূলমন্ত্র করে রেখেছি  কঠিন সময়ে ভেঙ্গে না পড়ার জীবনে চলার সাহস পেয়েছি আসুক যত ঝড় ঝাপটা তোমার  আর্শীবাদে  চলবো এগিয়ে মায়ের শাসন তোমার  আদর ভালোবাসা সব কিছু দেয় ভুলিয়ে।

রাখীর বন্ধন

ভাই বোনের সম্পর্ক চিরন্তন রাখী ভাইয়ের রক্ষা কবচ   ভাইয়ের সন্মূখে সাজানো থালা ধূপধূনা প্রদীপ জ্বেলে  দীর্ঘায়ু কামনা ভাইয়ের দিদি বোনের  মঙ্গলকামনাতে শ্রাবনের পূর্ণিমা তিথিতে  ধর্মিয় অনুষ্ঠান রাখী বন্ধন বলে সংস্কৃতির হাত ধরে হাঁটছি মোরা আচার  রীতি মেনে  পালন করি উৎসব ঘরে ঘরে আনন্দ উল্লাসের মাধ্যমে একে অপরের গুরত্ব সন্মান ভালোবাসায় বাঁধা বন্ধনে  পবিত্র সুতোয়  বাঁধা রাখী অঙ্গীকার ও শপথের নামে।

ধনীর বিলাসিতা

দিয়ে গেছে  কত উপদেশ বানী জ্ঞানী গুণীজন  জীবনে চলার পথে মেনে চলা অতি প্রয়োজন। স্বার্থপর দুনিয়া নিজের কথা ভেবে লোভে মরে দুর্নীতি  দুরারোগ্য ব্যাধিতে ধনীকে আক্রান্ত করে।  ক্ষুধার্ত অসহায় গরীবের ছুটাছুটি দিনরাত পথে লোভে পাপ পাপে মৃত্যু সে কথাটি যদি রাখে গেঁথে। নুন আনতে পান্তা ফুরায় গরীবের ক্ষিদে অল্পতে মেটে ধনীর পেট টাকায় ভরে ভোগ বিলাসে রাতদিন কাটে। চাই চাই আরো চাই গরীবের টাকায়  ধনীর বিলাসিতা গরীবের বাঁচা মরা ধনীর হাতে সময়  বলেনা সে কথা।

মাছে ভাতে

নয় যে ট্যাংরা চুনোপুঁটি   চেয়ে দেখে বার বার কাতলাকে আগলে বুকে খুশিতে ঝলমল চেহেরা তার । সারাদিনটা  গেলো কেটে পুকুর পাড়ে ধরতে গিয়ে মাছ ভাগ্যটা  উদয় হলো কাকার  কাতলাটা ধরা দিলো আজ। ফুটলো হাসি গিন্নি র  মুখে  কাতলা দেখে আমার হাতে বাচ্চারা হলো বেজায় খুশি  কতদিন খায়না মাছে ভাতে।

মনের বাসনা

নীল আকাশে মেঘের দেশে            যাসনা  আর   উড়ে,   মনের খাঁচায় বাঁধবো তোকে              থাকবি হৃদয় জুড়ে।    খাঁচায় বন্দী মন পাখি            মুক্ত আকাশ চায়, বাঁধন ছেঁড়া বনের পাখি              আনন্দে পথ হারায়।        অতৃপ্ত বাসনা প্রানে লয়ে                            বেঁচে থাকার লড়াই।  শিকল বাঁধা মন পাখি                     সঙ্গী হবে তোর নীল আকাশে আলোর ধারা                              যাবে উড়ে বহুদূর   তোর আশাতে পথ  চেয়ে                    আসবি তুই যখন সকল বাঁধন মুক্ত করে                    উড়বো মোরা দুজন।

অভিমানী কথারা

মনের কথা মনেই রয় দোষ যে কার‌ও তা নয় নিজের দোষে নিজে মরি বসে সময়ের অপেক্ষা করি বললে পরে তুমি হলে মন্দ তার চেয়ে থাক মুখটা বন্ধ মনের সাথে মনের দ্বন্দ্ব চলে চুপকথারা হৃদয়ে অশ্রু ফেলে কত কথা আজও হয়নি  বলা জীবনের বাটে কাটাকাটি খেলা।

স‌ইতে হয় কখনো

ক্ষতদের আর্তনাদ চায়না বারবার হেরে যেতে কখনো স‌ইতে হয় মনের সান্তনা কবিতার পাতাতে বুঝতে পারেনা  আজ‌ও সমীকরণে কোথায় ভুল সততার আভূষণে থাকায় কি তার হিসেবে অমিল  সরল অংক নয় সরল নিজের মত সকলকে  ভাবা যত‌ই  খোঁজো সমাধানের পথ গ্রাস করে জটিল থাবা  করলে হার স্বীকার জয়টা লুকানো সত্যের বিশালতায়  আত্মত্যাগে প্রশান্তি শক্তির সঞ্চার হৃদয়ের গভীরতায় ।

দুই মেরু

 প্রযুক্তির জয়জয়কার জীবন  ধারনে একাল সেকাল সময়ের পরিবর্তন বিজ্ঞানের অগ্রগতি অত্যাধুনিকে সময়ের হাল চিন্তা বুদ্ধি ভার্চুয়াল জগত মোবাইলে ব্যস্ত নতুন প্রজন্ম সময়ের সাথে বিলুপ্তির পথে তবুও কার‌ও কাছে সংবাদপত্র  জীবনের মাধ্যম ।

আঘাতের লাঠি

উমা মজুমদার ১০/৭/২২ যাপিত জীবন কাঁটায় ভরা  দুঃখ অপমানের গাঁটছড়া জীবনটা নয় অতটা সহজ ঘাত প্রতিঘাত পার করে রোজ কথার আঘাত অন্তরে গিয়ে লাগে বুকে চেপে আঘাত আগুন জ্বলে  চোখে আঘাতের লাঠি দেখাবে পথ বাঁচার  মাথা উঁচু করে একটি আঘাত জীবনকে সঠিক পথ  দেখাতে পারে আঘাত হানে আনুক লোকের  বলা বলুক সে আঘাতকে  হাতিয়ার করে জীবন জয়ী হোক।

মনের কথা

১হাইকু আঁধার রাত  স্বপ্নের ছেঁড়াকথা    ফেরারী মন ২) ভাঙ্গা গড়ার    বেহিসেবী জীবন        গল্প সাজায় ৩)স্মৃতির কান্না বাস্তবতার স্রোত      অতীত খোঁজে ৪)ইচ্ছেরা ডাকে         রামধনুর নীল             স্বপ্ন মিছিল ৫) উচ্ছিষ্ট জল          নীশিথের রাত                   আতঙ্ক মন   ৬) প্রেমিক মন         মৌমাছি র গুঞ্জন                 হৃদয় ভাঙ্গে ৭) পথিক জানে         পথের আত্মকথা ধূলিকণা                ৮)চাঁদের আলো  শব্দের ঘোরাফেরা    মনের পাতা ৯) শীতল বারি বেদনার আকাশে আসুক ঝেঁপে ১০) মন রঙীন বসন্ত কথা বলে কোকিল ডাকে

স্মৃতির মোড়কে ঢাকা

স্মৃতিতে অম্লান বৃষ্টি ভেজা সকাল  খুঁজে ফিরি  হারানো বৃষ্টির বিকেল  কতকাল কেটে গেলো ভিজে না শৈশব দমবন্ধ জীবন যাপনে হারিয়েছে সব ইচ্ছে করে ছুটে চলি বৃষ্টিতে ব‌ই কাঁধে কাদা মাখা শৈশব ভিজে একা একা মাঠে সময় চলে নিজের মত বৃষ্টি আসে যায় অচেনা লাগে সবকিছু একা সময় কাটাই বয়স তো যাচ্ছে বেড়ে তবুও শৈশব খোঁজে  মায়ের বকুনিতে আদর মাখা মনের মাঝে বৃষ্টি হলে মনে পড়ে মুড়িমাখা পেঁয়াজ দিয়ে মন কেমন করা খিচুড়ির গন্ধে শৈশবটা লুকিয়ে  সাদা মাটা জীবনটা স্মৃতির আড়ালে কথা বলে টুপটাপ বৃষ্টি ঝরে  ইচ্ছের নৌকা ভাসিয়ে জলে স্মৃতি নিয়ে নাড়াচাড়া শৈশবকে  বাঁচিয়ে রাখা ডাকলে পড়ে দেয় সাড়া স্মৃতির মোড়কে থাকুক ঢাকা।

ভালোবাসার ঘরে

কি ভুলের মাশুল দিলে,, ,আহামরি কিছুই তো চাইনি‌,,,। আমার চাওয়াটা ছিলো কি খুব বড় ,একটু ভালোবাসায় তো চেয়েছে,,তাতে যে এতো টা দাম দিতে হবে সেটা কখন বুঝতে পারেনি। আজ দেখি ভালোবাসায় ভালোবেসে লাল টকটকে গোলাপ দেওয়া হয় ,,  এটা কি ভালোবাসার পরিচয় প্রমাণ পত্র ,আমি যে তোমাকে কতটা ভালোবাসি,,, কিন্ত্ত আমার কাছে ভালোবাসার মানে ছিলো ,ছোট ছোট আনন্দ খুশী,, সেগুলোতে ভালোবাসা খুঁজে নিয়েছিলাম,,,,,না  কখনো ভালোবাসার জন্য  কখন কোনো প্রমাণ পত্র বা  ফুল চাইনি।  আজ দেখি ভালোবাসায়  অনেক কিছু আবদার করে ,,,,কি কি না চায়,, তবে কি  যুগের  সাথে ভালোবাসার রূপ রঙ চাওয়ার পরিধি সব বদলে গেছে নাকি,,,নাকি  মন গুলো দূষিত শহরের আবহাওয়ায় থেকে পবিত্র ভালবাসাক কে উপলদ্ধি করার ধারন  ক্ষমতা চলে গেছে। রাগ অভিমানে ভালোবাসার মান বাড়ে এতোদিন সেটা জেনে এসেছি,,,  ভালোবাসাকে তেমন করে কোনদিন বেঁধে রাখতে ও শিখিনি,,,,যেটা নিজের সেটাকে কেনো আগলিয়ে রাখতে হবে,,,,, শব্দের কটাক্ষে আজ ভালোবাসা অপমানিত হয় বারে বারে।  আমার সবটুকু দিয়ে ভালোবেসে ছিলাম ,, বিশ্বাসের উপর ভর করে চলতে চেয়েছিলাম,,,, সময়  বদলানোর সাথে সাথে ভালোবাসার প্রদীপ

অনুভূতির আকাশে

ও বৃষ্টি  একটিবার নেমে এসো  তোমার শীতলতা  ছুঁয়ে দেখি তোমার আসার পথ চেয়ে সময়  ফুরায শুধু  কেন দাও  ফাঁকি। ফেলে আসা দিনের মত  তুমিও বুঝি   বদলে গেছো  অনেক বৃষ্টি হারিয়েছো কঠিন বাস্তবে  প্রকৃতির  নিয়মে  বর্ষায় তোমার সৃষ্টি । সারাদিন গোপনে তোমায় ভাবি  এ বুঝি নামবে প্রেমের শীতলধারা  থমথমে আকাশ আসবে তো বৃষ্টি   সিক্ত হবে ধরণী নব বারিধারায়  মাটির সোদা গন্ধে শৈশবের ফেলে  আসা স্মৃতি নতুন করে সাজবে তোমার প্রাণের সাথে প্রাণ মিলিয়ে  বিষন্ন মনটা নিজেকে খুঁজে পাবে।

ও নদী কথা বলো

ও নদী  কথা বলো প্রকৃতির কোলে জলতরঙের সুরে  গান গেয়ে যাও কোথায় তোমার চলার ঠিকানা রুদ্ধশ্বাসে   ছুটে যাও তোমারও যে আছে জন্ম ও বংশ পরিচয় নেই অজানা  কত গ্রাম শহর,নগর প্রসিদ্ধ পবিত্র জল ঘরে বয়ে আনা পাহাড়ের  কোল বেয়ে নেমে আসা জলধারা ধরিত্রী  মায়ের সন্তান কুলুকুলু শব্দে বয়ে চলা একবুক তৃষ্ণার্তের তুমি যে  প্রাণের সমান একাকি  সুর তোলে কথা বলা    মনে অনন্ত স্রোতে ভেসে আসা দুঃখ যন্ত্রনা বুকে  নাও টেনে শত সহস্র মানুষ নদীর তীরে জীবিকার পথ বেছে নিয়েছে তুমি গঙ্গা পতিত পাবনি  দেবী রূপে পূজিত সকলের কাছে  ধীর স্থির বয়ে চলা নদী কখনো শান্ত কখনো অশান্ত  ভরা যৌবনে   হাজার ব্যাথা বুকে চেপে হাজারো পথ  চলা মিলনের টানে।

অনুভূতির শব্দ

দুরত্বকে যত‌ই কাছে টানে  তত‌ই                         দূরে সরে যায় পাশাপাশি হেঁটে চলা সময়              স্মৃতিতে আড়াল করে  আবেগ অনুভূতি  মান অভিমানের                           চাদর জড়ায়।   বিশ্বাস ভাঙ্গা কান্নায় শব্দরা স্রোতে                                     ভাসে মনটা খুঁজে বেড়ায় এক টুকরো                     হৃদয় ভালোবেসে।

মা বাবার প্রতি কর্তব্য

মায়ের মমতা ভরা আঁচল  বাবার স্নেহের আশ্রয় আপদ বিপদে দুহাতে তাঁদের আর্শীবাদ চলার পাথেয়। সন্তানের মঙ্গল কামনা ,পথ চেয়ে বসে থাকা  এক মা ই পারে দিনরাত খেটে  সন্তানের ভবিষ্যৎ উন্নতি বাবার রোজগারে। শত অভাব অনটনে দুঃখের মাঝে হাসি ফোটায় মুখে প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে চিন্তা সন্তান কি করে থাকবে সুখে।  ভুলে যায় একদিন বৃদ্ধ হলে মা  বাবার  অসহায় মুখখানি দু চোখ ভরে অশ্রু ঝরে বাবা মায়ের একাকিত্বের কাহিনী। মা বাবা সকল সন্তানের  জীবনের পরম ধন পরম আদরের তাঁদের অসন্মান কখনো যেনো না হয় দেখা উচিত সন্তানের। মায়ের গর্ভে জন্ম নিয়ে দুচোখ ভরে দেখে, এই জগতকে  শ্রদ্ধা সন্মান দিয়ে ভালো রাখা সন্তানের কর্তব্য মাতা পিতা কে।

ঝর্ণা কলম

অতীতের ঝর্না কলম ছেলেবেলার ঝুলিতে কালিতে ভরা দুটি আঙ্গুল পারিনি মুছে দিতে। ঝর্ণা কলম  আর দোয়াত ভরা সুলেখা কালি  তুমি আছো ছেলেবেলায়  কি করে তোমায় ভুলি। পরীক্ষার আগে নতুন ঝর্ণা কলম ছেলেবেলায়  অক্ষরে অক্ষরে কালিতে ভরতো  সাদা পাতায়। ভালো নম্বরে উপহারে জুটতো আরেক ঝর্ণা কলম খুশি তে ঝলমল  পাওয়ার আনন্দটা ছিলোনা কম। আভিজাত্য ও ঐতিহ্যের গৌরব বুক পকেটের শোভা  ঝর্ণা  কলমে প্রকাশ পেতো কবি সাহিত্যিকদের প্রতিভা। কালি কলমের সম্পর্কে  ভাব চিন্তাধারার মিলন ঘটায় যুগের সাথে পুরাতন হলেও আছে মনের মনিকোঠায়। পুরাতন স্মৃতি হোক না পুরাতন তবুও যায় না ভোলা সময়ে অসময়ে বেঁচে থাকার সুখ হৃদয়ে থাকনা তোলা।

বার্ধক্যের একাকিত্ব

  “মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে” কবিগুরুর এই উক্তিটি আমাদের সবার মনের সুপ্ত বাসনার প্রতিফলন,,,, আমরা দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে চাই কিন্তু বার্ধক্য আমরা সহজে মেনে নিতে পারিনা।,,তাই নয় কি????   দূরের আকাশে সন্ধ্যা নামে হাওয়ায় ভাসে  দীর্ঘশ্বাস  দিবসের অবসান সময়ের কাছে বন্দী তবুও বাঁচার আশ শৈশব থেকে কৈশোর কাটে  যে বেশ হাসি খুশিতে  আগামী স্বপ্ন নিয়ে যৌবন ছুটে বেড়ায় জীবনের পথে এক এক করে খোলস বদলায় প্রাণ যতক্ষন  শরীরে  দায় দায়িত্ব পালনে কর্মরত সংসার স্বাদ আহ্লাদ পূর্ণ করে  জীবনের পরীক্ষা সময়ের চাকায়  আপন ভাগ্য নির্ধারণ  সম্বল বল শেষ ,চমকে যাওয়া ফোনের ঘন্টি ,ছলছল চোখে স্মৃতিচারণ জীবন কাব্যে  সমাপ্তির পথে শব্দের হালচাল বার্ধক্যের থাবায় শীরা উপশীরা বেঁয়ে নিঃশব্দে নেমে আসা কষ্ট বিশ্রামের নেশায়   চাওয়া পাওয়ার হিসেব নিকেশের শেষ চাওয়া জীবনের দোরগোড়ায়  ফুরিয়েছে সকল ইচ্ছে সাধ জীবনের নাগপাশ মুক্ত করে পরপারের অপেক্ষায়।

দুই প্রজন্ম

সমাজ পরিবর্তনশীল,,, এখানে দিন দিন নতুন নতুন পরিবর্তন ঘটছে,,একাল আর সেকাল  পরিবর্তন আমাদের জীবনে নিত্য পোশাকের মত হয়ে গেছে,,,,এর মধ্যে যেটা সব থেকে পরিবর্তন হচ্ছে সেটা হলো পারিবারিক সম্পর্ক,,,,,পারিবারিক বন্ধন,,,, পরিবর্তিত সময়ে আমরা লক্ষ করছি সমাজে কিছু জিনিষ যেমন আমাদের অভ্যাস, আমাদের জীবন যাপন  খুব দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে ,,,পারিবারিক বন্ধন গুলো ভেঙ্গে যাচ্ছে,,,,এখন নতুন প্রজন্মের সাথে অভিভাবকদের  মতের মিল কিছুতেই খাপ খাওয়াতে পারছে না,,,,,,,,, পুরানো প্রজন্ম দের সাথে নতুন প্রজন্মের অনেক মতবিরোধ ,,,,, প্রতিটি প্রজন্ম একটি নিদিষ্ট সময়ের সাথে জীবন যাপন করে,,,,, এতে কোন সন্দেহ নেই যে  ,,এখনকার সময়টা নতুন প্রজন্মের জন্য অনেক টা প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার মত,,,,,,,, অভিভাবক ও নতুন প্রজন্ম দু পক্ষকে‌ই সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হয়,,,,,,,।  নানা রকম মতবিরোধ থাকা সত্বেও অনেক সময় সন্তানদের কথা শুনতে হয় অভিভাবকের,,,,,,,,,,  তবু‌ও আমি মনে করি নিজ নিজ সন্তানদের ভালোর জন্য প্রত্যেক  অভিভাবকে কখন‌ও কঠোর হতে হয়,,,,,, সেটা নতুন প্রজন্মের জন্য কিছুটা হলে‌ও ভালো,,,,,,,, সময়ের সাথে চলতে চলতে আমর

সবুজের ব্যথা

বয়সের ভারে জীর্ণ দীর্ঘাঙ্গী আছো দাঁড়িয়ে রক্ত ঝরে তোমার শরীরের ধারালো অস্ত্রের ঘায়ে প্রাণ আছে যার কে বুঝিবে হায় বৃক্ষের ব্যথা প্রকৃতি আজ রুষ্ট শোনেনা কেও তাদের  কথা পেটের দায়ে করে কর্ম দোষ কি তার আছে বারে বারে আঘাত হানে তোমারি বৃক্ষ মাঝে কাঠফাটা রোদে  বসেছে কত  তোমারি ছায়াতলে  স্বার্থান্বেষী মানুষ  তবুও কাটে গাছ লোভের বলে মাঠ ঘাঠ  জলাশয় মরুভূমি প্রকৃতির করুন পরিনতি  নদী নালা  ভরাট আধুনিকতার ছোঁয়ায় সবুজ প্রকৃতি।

ভালোবাসার রং

মন যে বোঝেনা ভালোবাসা কারে  কয় প্রেমের যাঁতাকলে ভালোবাসা বোবা রয় জীবনে চলার পথে ভুল ভ্রান্তি পথ দেখায় উপরটা  দেখে কি মনের ভিতরটা বোঝা যায় জগতটা গোলকধাঁধা ভালো থেকে মন্দ ভালো সাদা কালোর ভেদাভেদে ভালোবাসার রং কালো ভালোবাসার হৃদয়টা থাকনা ভালোবাসার জন্য ভালোবাসাকে ভালোবেসে জীবনটাকে করো ধন্য।

ভালোবাসার ডাক

মন খারাপী একলা ঘরের আকাশ ভালোবাসার  ছটফটানি রাতের  আঁধার ক্লান্ত সময় বন্ধনের  মায়াজাল  আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা শূন্য ঘরে ভালোবাসার সংসার অন্ধকার একলা পথে বেড়িয়ে পড়ে ভালোবাসা   ঠিকানা খোঁজে মিছে কেন খুঁজো তাকে  হেথা হোথা ভালোবাসা   সবার হৃদয় মাঝে চেনা অচেনার ভীড় আপন ভেবে  ভালোবাসায়  আগলে  রাখে ভালোবাসার কাছে হৃদয় অসহায়  ফিরে আসে  ভালোবাসার ডাকে।

মা

মা যে আমার বড় আপন মায়ের হৃদয়ে আছে স্নেহ ধন মা  ডাকে  স্নেহ মমতা ঝরে মায়ের মুখটা খুব  মনে পড়

আমার স্বপ্ন পূরণ

কিছু চাওয়া যখন পাওয়াতে পরিনত হয়, তখন  সুন্দর এক অনুভূতির সৃষ্টি হয়। সেই অনুভূতি টা ভালোলাগা হয়ে তোমার হৃদয়ে স্থান করে নেয়। মনের অস্ফুট শব্দরা যখন প্রস্ফুটিত হতে চায়, তখন এক একটা ছন্দ  ফুলের মত সেজে উঠে কবিতা ।  খুব কঠিন শব্দ দিয়ে লিখতে পারিনা ,যখন যেমন মনে আসে তখন সেটা  খুব সহজ ভাষায় লিখে রাখি মনের পাতায়,বেঁধে রাখি কখন কাগজ কলম দিয়ে ,হারাতে চাই না  তাদের। ভালোলাগা শব্দরা সাজিয়েছে  আমার কবিতার পাতা। এই ব‌ইটিতে আমার  ৬২ টা কবিতা আছে।     গতকাল আমার জীবনের একটা সেরা দিন ছিলো। একটা সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছি। আন্তর্জাতিক ব‌ইমেলাতে গিয়ে ।আমার নিজের স্বপ্নকে ছুঁয়ে দেখার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।  পৌষালী প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত আমার প্রথম একক সঙ্কোলন  " তবু মনে রেখো"   কবিতার বই প্রকাশ পেয়েছে।  যার হাত ধরে আমার এই সুন্দর প্রয়াস সফল হয়েছে সে  হলো আমাদের সকলের প্রিয় বন্ধু নামকরা প্রকাশক পৌষালী বিশ্বাস, পৌষালীকে আমার অনেক  ধন্যবাদ ও প্রাণভরা ভালোবাসা জানাই। আর আছে আমার  প্রিয় বন্ধু কেয়া এবং  প্রিয় দিদি স্মৃতিকনা দি ।তোমাদের দুজনের জন্য আমার অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা র‌ইলো ।

ইচ্ছেই বল

নিউজ চ্যানেল গুলোতে আজকাল যে সব খবর দেখায় সে সব দেখে মনটা দুশ্চিন্তায় থাকে। জয়তী আর অমিতের  দুই সন্তান নিয়ে সুখের সংসার ,।  অফিস যাওয়ার পথে  ছেলে মেয়েকে স্কুলে নামিয়ে দিয়ে যায়।     নিজের সব কাজ সামলে বাচ্চাদের  পড়াশোনারর দিকেও ভীষন নজর  ,জয়ীতার। নিজে গ্রেজুয়েশন করেছে তাই এখনও পর্যন্ত টিউশন রাখতে  হয়নি ,নিজেই  চালিয়ে নিচ্ছে।   তোমাকে স্কুটি চালানোটা  শিখে নিতে হবে জয়ীতা,,, বাচ্চাদের স্কুলে আনা নেওয়াটা তোমাকে এখন থেকে  করতে হবে, ,, প্রতিদিন বসের কথা শোনতে কার ভালো লাগে  বল ? তুমি  কি করে  যাবে ,,সেটা আমি ম্যানেজ করে নেবো ।.. রিক্সা করে আসা বাচ্চাদের এমনিতে নিরাপত্তা ন‌ই,,, সেটা  ভালো নয় কি, তোমার শিখে  নেওয়াটা।  ঠিক আছে ,  ভয় পেলে চলবে না,  বাচ্চাদের জন্য  আমাকে পারতেই হবে।  পারবে   জয়ীতা পারবে।

অস্থিরতা

গুনগুন কিছুতে বলতে পারছেনা  মাকে , চাকরি টা যে তার নেই। বছর দুয়েক আগে অনেক কষ্টে  চাকরিটা পেয়েছে।    হটাৎ  বাবার  অসুস্থতার  জন্য   গ্রেজুয়েশন টা  কমপ্লিট করেই  একটা  প্রাইভেট  কোম্পানিতে পার্টটাইম  জব  করে  সংসার চালাতো।     ভেবেছিলো মাষ্টারটা কমপ্লিট করতে পারলে  ভালো চাকরি যোগার করবে ,, সেটাও আর হলোনা।     পরিস্থিতির  কারণে   কোম্পানির ,কিছু  কর্মচারীকে ছাটাই করেছে। ,      সংসার কি করে চলবে সেটা ভেবেই  কূলকিনারা করতে পারছে না। গুনগনের মা কিছুটা হলেও বুঝতে পেরেছে। মেয়েকে এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সকাল সকাল মেয়েকে নিয়ে গানের রেওয়াজে বসে গেলো গুনগুনের কিছুই বুঝতে বাকি রইল না। মায়ের থেকেই গুনগুনের গানে হাতে খড়ি। মা খুব ভালো গান করতো।অনেকদিন গান শিখিয়েছে  বাচ্চাদের । মা চায়   আমিও মায়ের মত গানের চর্চা টা করে যাই। মা যে অলরেডি সবাইকে জানিয়ে দিয়েছে,  আগামীকাল থেকে গুনগুনের গানের স্কুলটা ছিল সেটাকে আবার শুরু  করবে,। গুনগুন‌ ও বুঝেছে পরিস্থিতির মোকাবেলায় সমাধানের পথ বেছে নিতে হয়।      

শব্দের বাগানে ঘুরে ফেরি, তাদের যত্ন করে মনের মত গড়ে তুলি ছোট ছোট শব্দের চারা গাছ।

বন্ধুত্বের বন্ধনে

 মিমি মাকে সান্তনা দেয় ঠিকেই ,,,,কিন্ত মিমির মনটাও তো খারাপ   দুবছর বাবা মারা গেছে,,,,। তার উপর দাদা বিদেশ চলে যাওয়াতে মায়ের মনটা সবসময় খারাপ থাকে।  ২৫   প্রমিলা মায়ের ছোটবেলার বান্ধবী,,,,,, দুজনে ভীষণ ভালো বন্ধু। তাই  মিমি একটা  সারপ্রাইজ প্ল্যান করেছে,,,,।   ১৪ মিমি এবং রুমিকে দেখে প্রমিলা যেমন অবাক,,,,তেমনি খুশিও খুব ,,কতদিন দেখা হয়নি,খুব ভালো করেছিস  এসে,,,,।   ১৭ রুমি কিছুই জানতো না মেয়ে এমন সারপ্রাইজ দিবে,,,,,,।  ৮ মিমি আসার  সময় কিছু খাবার সাথে করে নিয়ে এসেছেলো।  প্রমিলা আন্টি চা বানিয়ে গল্পতে বসে গেলো ,,.। প্রমিলার মেয়ে রিনি আর  মিমি দুজনে নিজেদের মত গল্পতে ব্যস্ত,,,,,,,,।   ২৬ কখন যে  সময় চলে গেলো রুমি ঘড়ির দিকে তাকিয়ে অবাক,,,,,,,।  ১০ ১০০ শব্দ। এককাপ চয়ের সাথে বন্ধুত্বের মিলন  সকল অবসাদ ভুলিয়ে দেয়,,   ।

একেই বৃন্তে দুটি ফুল

ভালোলাগা  আর ভালোবাসা  দুটির অবস্থান  দুই  মেরুতে ভালোলাগা না ভালোবাসা কে শ্রেষ্ঠ শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা কবির কলমেতে ভালোলাগা চায়না টাকা কড়ি   নেই কোন মনের মিথ্যে অজুহাত ভালোবাসা চায় প্রতিশ্রুতি,সন্মান , অধিকারের মান দন্ড করে নির্নিত । ভালোলাগা মুক্ত খোলা আকাশ,  ক্ষনিকের আনন্দে তৃপ্তির ঢেঁকুর, হৃদয়ের নেই কোন টানাপোড়েন  চলতে ফিরতে অনুভূতি ভালোলাগার। ভালোবাসা  খুঁজে বেড়ায় শক্ত হৃদয়  নিজের মনের উপর সদায় সচেতন স্নেহ মায়া মমতার সুতোয়  গাঁথে মালা মালাকে ধরে  রাখার দায়িত্ব করে বহন। ভালোলাগা বলে উঠে, আমাতেই খুশি  দুঃখ যন্ত্রনার ভয় নেই আমাকে নিয়ে ভাঙ্গা গড়ার খেলায় থাকিনা আমি মেতে এক ফোঁটা খুশিতে ভালোলাগা যায় ছুঁয়ে । ভালোবাসার চোখে জল, কে বুঝবে তাকে অনন্তকাল ধরে বয়ে বেড়ানোর নেশায় জন্ম   ভালোলাগার সুত্র ধরেই ভালোবাসার সৃষ্টি  একেই বৃন্তে দুটি ফুল, সৃষ্টির আড়ালে করে কর্ম।

একান্ত আপনের জন্মদিন

এলো যে আবার  বছর ঘুরে   একান্ত আপনের এই দিন। কবিতা গানে গানে সাজবে আপন ঘরে আনন্দ উল্লাসে ভরে উঠবে নতুন করে। সে যে  মধুর এক মায়ার বাঁধন মোদের অতি প্রিয় পরিবার একান্ত আপন। দূরে থেকেও ন‌ইকো দূরে পড়েছি বাঁধা বন্ধুত্বের ডোরে। হাতে খুন্তি , শব্দ সাজাই কাগজ কলমে, কাজের ফাঁকে সময় কাটায় নিত্যুনতুন গেমে। বন্ধুত্বের বন্ধনে দৃঢ় হোক একান্ত আপনের পথ চলা সকল বন্ধুদের জন্য আপন দরজা সদায় খোলা। শুভ হোক একান্ত আপন তোমার জন্মদিন শুভেচ্ছা শুভকামনায় ভরে উঠুক একান্ত আপনের এই দিন।

অতীতের আড্ডা

অতীত খুঁজে বেড়ায়  অলিগলি পথ কোথায় হারালো সেই আড্ডার মিলন বিবর্তনের স্রোতে গা ভাসিয়ে চলেছে  ব্যস্ত সময়ের  আধুনিক জীবন যাপন। উঠেনা ঝড় তর্ক বিতর্কের,হাসি, ঠাট্টা গল্প কথায় জমেনা, আড্ডার আসর  সময় লিখে যায়  সময়ের ইতিহাস প্রযুক্তির কল্যাণে আড্ডায় নেয় মোড়। চেটিং ,ভিডিও কলে ব্যস্ত,  নেট দুনিয়ায়  আড্ডার ঝড় উঠে ,সোশ্যাল মিডিয়ায়তে বন্ধ ঘরে সময় কটায়, চুমুক দিয়ে কাপে স্মৃতিরা হেঁটে  যায়, চেনা পথ ধরে অতীতে। ব্যস্ত জীবন ব্যস্ত সবাই  নিজের কাজে মগ্ন ইচ্ছে মত কাটছে সময় ভাবনারা সব বিচ্ছিন্ন।

সময়ের কথা

যেতে যেতে সময় বলে যায় কতনা কথা প্রযুক্তির কল্যাণে হারিয়েছে পুরোনো প্রথা।  মুঠোফোনে ভুলেছে মানুষ, চিঠিপত্র লেখা হারানো চিঠি স্মৃতিতে, বারবার ফিরে দেখা। হাজার  মানুষের পথচলা ,পথের ধারে সে একা সময়ের খোলসে রপ বদলায়  ,তাকে ভুলে থাকা। হলুদ খাম,পোস্টকার্ডে লেখা  ,আবেগের ঝুলি প্রীতি, শুভেচ্ছা, ভালোবাসার গুপ্ত কথার  বুলি। ফোন কল মেসেজে প্রাণের স্পর্শ ঠিকানাহীন  অস্তিত্বের পরিচয় হারিয়ে ডাকবাক্স জনহীন। আধুনিকতার ছোঁয়ায়, মোবাইলটা পেলো  হাতে , ছোট এক যন্ত্রে কথা বলা আপনজনের সাথে ।   নতুন আলোয় সময় হারায় ,নীল আলো দুচোখে দ্রুত এগিয়ে যায় , ব্যস্ত জীবন মোবাইল নেটওয়ার্কে। সময়ের ছব্দবেশে ,পুরোনো রীতিনীতি মুখোশে ঢাকা পড়ে, পৃথিবীকে পায় হাতের মুঠোয়, আধুনিক বিজ্ঞানকে সঙ্গী করে।

বেনাম ভালোবাসা

কি ভুলের মাশুল দিয়ে চলে যাও অমন করে ফিরে এসো  একটি বার, যেওনা তুমি আমায় ছেড়ে ভালোবাসার একগুচ্ছ গোলাপ  রয়েছে তোমার পথ চেয়ে হৃদয়ের খাতায়  নামটি লেখা ভালাবাসার সবটুকু  দিয়ে  রাগ অভিমানে ভালোবাসায় না জানে কত দিতে হয় দাম ঝরা ফুলের পাপড়ি মত ঝরে ভালোবাসা রয়ে যায় পথে বেনাম।

ছন্দহীন জীবন

 উদ্বেগ, আতঙ্ক  ছাড়াই  বেড়িয়ে পরা রোজ লাগামছাড়া,হৈ  হুল্লোড় পেটপুরে  ভুরিভোজ জনঅরণ্যে র সমুদ্রে জোয়ার এসেছে বর্ষবরণের আনন্দ স্রোতে গা ভাসায় ,জন্মিলে মরিতে হবে ভয়  কিসের।    পথে পরে থাকে  অজস্র স্মৃতি দুঃখ বেদনার কষ্ট অজ্ঞানতার অন্ধকারে পৃথিবীর চেহেরা  অস্পষ্ট।  বেনাম অতিথি কড়া নাড়ে , অজানা ভয় মনে জাগে উপহারে বেদনার ছবি,  দমকা  হাওয়া ঝড়ের বেগে। হাসি কান্নার শব্দে নিঃশব্দে, সময় বয়ে যায়,কর্মে অটল ঘন মেঘে আঁধার ঢাকে, মিটমিটিয়ে চায়, মিষ্টি তারার দল।