পোস্টগুলি

2021 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

প্রকৃতি র প্রেম

এই আকাশে আমার মুক্তি আলোয় আলোয় আমার মুক্তি ধূলায় ধূলায় ঘাসে ঘাসে এই আকাশে আমার মুক্তি আলোয়, আলোয়।” প্রকৃতির অপরূপ সুধায় বিস্মিত কবির বন্দনা কবিতা গানে ষড়ঋতুর অপরূপ সৌন্দর্যৈর বর্ণনা । কবির কবিতায় প্রকৃতি যেন রহস্যাবৃতা এক নারী গ্রীস্মের প্রখর তাপদাহ  রিমঝিম বর্ষার শিতল বারি। শরতের শুভ্রতা , মেঘবালিকার রৌদ্র ছায়ার খেলা প্রকৃতির রূপ রঙে আপন ভাবনায় কবির ছন্দ মেলা। হেমন্তের ভরা যৌবন ,শীতের ঝরা পাতায় মর্মর ধ্বনি বসন্তের মাতাল হাওয়া , উদাসী বনের করুন কাহিনী। কবির কলমে ,আকাশ ভরা সূর্য তারা বিশ্ব ভরা প্রাণ খাঁচার ভিতর পোষা পাখি, মুক্ত পাখী গায় প্রকৃতির গান। সর্বগ্রাসী মানুষের লোভের হাত,  প্রকৃতিকে বাঁচায়  কে  বিধাতার যা কিছু কল্যাণের দান, মানুষ ধংস করে তাকে।।

তবু মনে রেখো

মনের কি দোষ বলো মন আছে তাই ভাবনা আসে মন শুধায় ভাবনাকে থাকবে কি সদায় এই ভাবে পাশে যেতে হবে  পরপারে  আসবে যখন ডাক   ছেড়ে যাবো একদিন  ভালোবাসা টুকু সাথে নিয়ে মনের অগোচরে কোনদিন তবু‌ও মনে রেখো  কখন‌ও যদি আমায় পড়ে মনে পুরোনো স্মৃতিকে নিও কাছে টেনে জানি না হৃদয়ে জাগবে কি তোমার  আমার চলে যাওয়ার ব্যাথা স্মৃতির মলিন খামে লিখে রেখো আমার ভালোবাসার কথা  এই মন ক্ষনে ক্ষনে শুধায়   পাবে কি জায়গা স্মৃতিটুক  তোমার ভাবনার বুকে পারো যদি রেখো আমায়  ভালোবাসার অশ্রু করে তোমার  দুই চোখে। তবুও মনে রেখো আমায়।

বৃষ্টি ভেজা দিন

মেঘলা আকাশ বাদল দিনে বুক দুরু দুরু মেঘের গর্জনে ঝম ঝমিয়ে  নামলো বৃষ্টি  চোখ জুড়ানো অপরূপ  সৃষ্টি থৈ থৈ জলে মাঠ ঘাট ভরে ব্যাঙ ব্যাঙাণীর নাচন ধরে কাপড় ভিজে বাড়ীর ছাদে কেও বা পড়ে মরন ফাঁদে কচিকাঁচারা মাতে বৃষ্টির জলে  মাঠে কাদা ফুটবল খেলে কাগজের নৌকা জলে ভাসে ছিপ নিয়ে যায় নদীর পাশে আয় রে খোকন ঘরে আয় টাপুর টুপুর বৃষ্টিতে খোকন বেড়ায় বৃষ্টি তে ভেজার পেলো ফল নাক দিয়ে পড়ে সর্দি জল যে চলে যায় আর আসে না বৃষ্টির পাশে শৈশব হাসে না রিনিঝিনি নুপুরে শৈশবকে ডাকে স্মৃতির ঘরে শৈশব জলছবি আঁকে

প্রথম প্রেম

সে আমার প্রথম ভালোবাসা, থাকবে হৃদয়ে চিরদিন তোমার আমার পথচলা, অনেকটা পথ অনেকদিন। সে এসেছিল মনের  অগোচরে নীরবে নিভৃতে, নিঃসঙ্গ দিনে মন ছুঁয়ে গেলো বৃষ্টি ভেজা রাতে। সময়ে অসময়ে ছুটে আসে ভালোবাসার ডাকে শুধুই যে দিয়ে গেছে ,পায়নি কিছুই আমার থেকে।  সে যে আমার প্রথম প্রেম প্রথম ভালোবাসা ছন্দ সাজিয়ে পূরণ করে  মনের সকল আশা। ক্ষনিকের পৃথিবীতে আছে শুধু বিশ্বাসঘাতকতা, তাকে  ভালোবেসে পেয়েছি জীবনের পূর্ণতা। জীবন যখন বিষন্ন মনে হয়, আঁকড়ে ধরি তাকে ভাবনার পাখনা মেলে জাগায় ,আমার হৃদয়কে। শব্দের মাতাল হাওয়ায় ছুঁয়ে যায়, আমার মনপ্রাণ   প্রেম  ভালোবাসায গড়ে তুলে ,কবিতার দালান বৃষ্টি মাখা আদর দিয়ে  ভিজিয়ে যায় যত মনের জ্বালা শব্দের মায়াজালে সাজিয়ে হৃদয়ে আমার  ছন্দের মালা।

বৃষ্টিতে শৈশব

মেঘলা আকাশ বাদল দিনে বুক দুরু দুরু মেঘের গর্জনে ঝম ঝমিয়ে  নামলো বৃষ্টি  চোখ জুড়ানো অপরূপ  সৃষ্টি থৈ থৈ জলে মাঠ ঘাঠ ভরে ব্যাঙ ব্যাঙাণীর নাচন ধরে কাপড় ভিজে বাড়ীর ছাদে কেও বা পড়ে মরন ফাঁদে কচিকাঁচারা মাতে বৃষ্টির জলে  মাঠে কাদা ফুটবল খেলে কাগজের নৌকা জলে ভাসে ছিপ নিয়ে যায় নদীর পাশে আইরে খোকন ঘরে আয় টাপুর টুপুর বৃষ্টিতে ভিজে বেড়ায় বৃষ্টি তে ভেজার পেলো ফল নাক দিয়ে পড়ে সর্দি জল যে চলে যায় আর আসে না বৃষ্টির পাশে শৈশব হাসে না রিনিঝিনি নুপুরে বৃষ্টি সুর তোলে  শৈশব বসে কাঁদে স্মৃতির আড়ালে।

বৃষ্টি ভেজা দিন

গ্রীষ্মের শেষ বেলায় ,তাপদাহে ওষ্ঠাগত প্রাণ নবজলধারা হয়ে নেমে এসো, বর্ষার আহ্বান।  আষাড়ের কালো মেঘ ,ঢেকেছে  আকাশ শুকনো ধরণী সিক্ত হবে  দেয় যে আভাস এই বৃষ্টি ভেজা দিনে রিনি ঝিনি নুপুরে চুপি চুপি এলে তুমি আমার মনের ঘরে রিম ঝিম বর্ষায় ,মনের ভেজা জানালায় ছুঁয়ে যায় মন বার বার, স্নিগ্ধ বারিধারায়। ঝর ঝর ধারাপাতে, তোমার রূপের বাহার বৃষ্টি ভেজা দিনে একলা মনে  সঙ্গী  আমার। মাটির সোঁদা গন্ধে ,বাঁধন মানে না এ  মন রিম ঝিম বর্ষায় মন  ,শুধুই করে গুণ গুণ। বর্ষা তুমি এলে মনে পড়ে ,ফেলে আসা দিনগুলি শৈশবটা হারিয়ে গেছে ,বৃ্ষ্টি ভেজা দিনে অশ্রু ফেলি। বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর ,আড়ালে কান পেতে শুনি বর্ষার শীতল আবেশ ,হৃদয়ে বাজে ,  অনুরাগের ধ্বনি।

বৃষ্টির পরশ

নীতু ভালো করে জানে আবির কি ভাবছে ,,,,,,, এমন এক বৃষ্টির রাতে নীতুর জন্য‌ই আবিরের  প্রাণটা ফিরে পেয়েছে,,,রক্তাক্ত আবির  যন্ত্রনায় ছটফট করছিলো রাস্তায়  ,,, কেও তাকে সাহার্য্য করেনি ,,,  একমাত্র নীতুই   তাকে দেখে হসপিটাল নিয়ে গিয়ে সেবা শ্রুশ্রষা দিয়ে ভালো করে তুলেছে ,,,,,নীতুর ব্যবহার  আবিরকে খুব মুগ্ধ করে,,,,একদিন নীতুকে  ভালোবাসার কথা জানায়,,,  নীতু‌ও  মানা করতে পারেনি সেদিন ,,,,, সেও মনে মনে আবিরকে  ভালোবেসে ফেলেছে। বৃষ্টি আবিররের কাছে বেদনার থেকে‌ও ভালোবাসার পরশ বেশী।

মিনি সাগা,,,মুখোশের আড়ালে

হটাৎ  করে  সেদিন  রুমির  সথে  দেখা  হলো ,,,, যে রুমিকে আমি চিনি ,,,, সেই রুমিকে আমি সেদিন চিনতেই পারলাম না ,,,, প্রাণাজ্জল রুমি কোথায়  যেন হারিয়ে গেছে,,,,,আগের চেহারা আগের হাসি খুশী রুমিকে কোথাও খুঁজে পায়নি,,,,,  জানিস রমা ,, যাকে ভালোবেসে নিজেকে সোঁপে দিয়েছিলাম সে যে ধোকাবাজ বেরোলো,,,  মুখোশের আড়ালে এমন চেহেরা ভাবতেই পারিনি ।

হোলি

রঙের উৎসবে হোলি খেলে সব ভুলে রঙ মাখে গালে। খোকা খুকিরাও মেতেছে দেখো কেমন রঙের খেলায়  ফাগুনের ফাগে আবির  ছড়ায় বসন্ত বেলায় ছকে বাঁধা জীবনটায়  একটু খুশীর ছোঁয়া স্মৃতির পাতায় রঙ মাখে  ফাগুন হাওয়া।

ক্ষনিকের আনন্দ

শ্রুতি  এসে বারবার মাকে তাড়া দিচ্ছে কত দেরী হবে,, , কিন্ত সম্পা  হারিয়ে যাচ্ছে  নিজের অতীতে। সব স্মৃতি তাজা হয়ে গেলো। সকাল  থেকেই ব্যস্ত ,  পিকনিকের তৈয়ারী চলছে মেয়ের জন্য,,,। আবদার  করে  বলেছে, লুচি  আলুরদম  করে দিবে।, কলেজ  জীবনে    সম্পা নিজের  মাকে দিয়ে এমনটাই করিয়ে নিতো সত্যি  সময়  কেমন  কথা  বলে  যায়,,,, ।

জাগো নারী

খুলো পরাধীনতার শিকল মুছে নাও চোখের জল  শিকলে বাঁধা বন্দী জীবন  মানায় না নারীকে এখন নারী শক্তিতে জাগাও মনোবল‌ নারী বলে  হবে না  দুর্বল অনেক হয়েছে শাসন শোষন বন্ধ হোক নারী  নির্যাতন ঝড় উঠুক নারী স্বাধীনতার সসন্মানে  নারীর বাঁচার অধিকার।

চা য়ের অনুভূতি

চায়ের অনুভূতি উমা মজুমদার ১৫/৩/২১ স্বাদে গন্ধে  ভরপুর, একটি কুঁড়ি দুটি পাতা নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় সৃষ্টি ,চা য়ের সার্থকতা। দিনে রাতে চাহিদা ,হাটে বাজারে ফুটপাতে মাটির ভাঁড়ে,  চা য়ের তৃপ্তি  চলতে ফিরতে। বেঁচে থাকার আশ্রয় চা বানিয়ে পেট চালায় এক কাপ চা য়েতে সারাদিনের  ক্লান্তি মেটায়  ব্যস্ত জীবননের নিত্যসঙ্গী দিনের শুরু চা দিয়ে চা য়ে আছে অনেক গুণ ,লেবু চা  আদা দিয়ে  গল্প কথায়  আসর জমে, চা য়ের  বেশ আড্ডাটা ভালোবাসার মিষ্টি অনুভূতি, থাকে চা য়ের চুমুকটা।

নারী নয় অবলা

শ্রেষ্টত্বের মুকুট আজ তোমার মাথায় ধৈর্যে,শৌর্যে পরিচয় ,নারীর গরিমায়  সভ্যতার আড়ালে লড়ে যাও প্রতিদিন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলছে পুরুষের সমান নারী তোমার কত রূপ তুমি এক জননী   তুমি  হলে সকল সন্তানের গর্ভধারিণী মাতৃরূপে  করুণাময়ী মমতাময়ীর ভান্ডার  দিচ্ছো পরিচয় তোমার নিজস্বতার দশহাতে ঘরে বাইরে সামলাও ,সমান তালে অপমানিত লাঞ্ছিত,তবু তুমি নারী বলে হবে না দিবস পালন, একদিনের জন্যে নারীর সন্মান হোক প্রতিদিনের প্রতিক্ষনে তুমি নারী ,তুমি সৃষ্টি  সংসারের ঢাল তুমি স্ত্রী ,কন্যা ,ভগিনী, মাতৃরূপে  তোমায় নমি নারীর সন্মান  ঘরে ঘরে ,নারী নয় অবলা পরাধীনতার শিকল খুলো ,পড়ো  জয়ের মালা।

নববধূ

নব বধূ সাজে  নতুন স্বপ্ন সাজিয়ে বৌ এলো আপন ঘরে পা রাঙিয়ে  ভুল ভ্রান্তিতে ভরা  জীবন আজ থেকে তবুও চলতে হবে জানতে হবে সবাইকে স্নেহের বাঁধন ছেড়ে এলে বাবার বাড়ী ভালোবেসে রাখবে তুমি শশুরবাড়ী পরকে আপন করে ভালোবাসা দিও দুঃখ কষ্ট আসুক যত মানিয়ে নিও।

মাতৃভাষা

কি করে ভুলি তোমায় মা আমার ভাষা মায়ের ভাষা হিন্দী ইংলিশের সংমিশ্রনে আজ  ভুলতে বসেছি রক্তে লেখা মাতৃভাষা নিজেদের বলিদান দিয়ে ইতিহাসে  যারা  লিখেছিলো মাতৃভাষার নাম সেই চিরস্মরণীয় দিনটাকে স্মরণ  করে জানাই শহীদদের শত প্রণাম মাতৃভাষা আমার স্বাধীনতা আমার মান  মাতৃভাষা  আমার জন্মগত অধিকার শুধু একদিনের জন্য নয় এই দিবস পালন কোন ভাষাকে করিনা অপমান বাংলা ভাষা  আমার অহংকার দুঃখ হয় তাদের  দেখে  যখন কিনা বলে বাংলাটা আমার আসে না ভালো করে মা র থেকে  যেমন বড় হয় না কখন‌ও কেও  মায়ের মত থাকুক আমার মাতৃভাষা হৃদয় জুড়ে

স্মৃতির অন্তরালে

                                                 দমদম                                                   ১১/২/২১ প্রিয়  জলি                                                                         তুই আমার ভালোবাসা নিস। আশাকরি খুব ভালো আছিস। কত বছর পর আবার তোর সাথে কথা বলছি । তোকে সেদিন ফেসবুকে  দেখার পর থেকে আর থাকতে পারছিলাম না ,, মনে হচ্ছিলো যেনো তোর কাছে পাখীর মত উড়ে চলে যাই।               কত বছর তোর সাথে কোন দেখা সাক্ষাৎ নেই বল তো,,,, যখন স্মার্ট ফোনটা ছেলে জন্মদিনে উপহার দিলো  ,,,আর শুনেছি কার‌ও নাম টাইপ করে সার্চ করলে তাকে পাওয়া যায় ,,সে লোভটা আর সামলাতে পারলাম না ,,,তখন সাথে সাথে তোর নামটাই যে সর্ব প্রথমে টাইপ করলাম,,,,সেই কবে থেকে  পাগলের মত তোকে খুঁজে চলেছি ,,, গৌহাটি গেলেই তোর কথা খুব মনে হতো জানিস,,,,,,এক সাথে স্কুল কলেজের দিনগুলো কাটিয়েছি ,, তোর সাথে কাটানো ফেলে আসা দিনগুলো কি করে ভুলি বল,,?,,আজও যখন মনে করি মনে হয় ফিরে যাই সে দিন গুলোতে,,,,একসাথে  স্কুলে যাওয়া তারপর মাধ্যমিক পাশ করার একেই কলেজে এডমিশন নেওয়া  ,,সত্যি তুই আর আমি কত ভালো বন্ধু ছিলাম,,,, । কত বন্ধু ছিলো

লকডাউন

দিন রাত কাটছেএই ভেবে  আগামী দিনটার কি হবে। বাইরে  ঘুরছে অজানা শত্রু লকডাউন বুঝিয়ে দিলো ঘরটাই  পরম মিত্র। মানুষকে করলেন গৃহবন্দী কোয়ারেনটাইন্ড মারন ভাইরাসে  জীবন আজ অবরুদ্ধ। সোশ্যাল ডিস্টানসিং, Quarantine, লক ডাউন  অজানা শব্দের ধ্বনিতে তছনছ মানব জীবন।  ভুলে গেছি  চেনা পথ চেনা শহর  লড়াই চলছে ,মানুষের সাথে জীবানুর। সকলে আমরা সকলের তরে লকডাউন মানতে বন্দী ঘরে।

মুখোশ

কত‌ই রঙ্গ দেখি এই দুনিয়ায় ভাই রে ভাই কে ভালো কে মন্দ   বোঝা বড় দায়। মুখোশের আড়ালে চেহেরা, কখন‌ও ভালো  কখন‌ও খারাপ   মূখে মিষ্টি পিছনে ছোরা, করে মধুর   আলাপ। বিশ্বাসটা আর নেই  ,ভালো মানুষের  বড়‌ই  অভাব দেখবো আরো কত কিছু ,বদলাবে না  এই স্বভাব।

শীতের মজা

শীতের হাওয়ায় লাগলো নাচন,  আমলকীর ওই ডালে ডালে জানালা দিয়ে মিষ্টি রৌদ , আহা কি  মজা শীতের সকালে। ঘুরে মজা খেয়ে মজা ,  শীতের মজা নাও লুটে পুটে খেজুর গুড়ের গন্ধ আসে , মায়ের হাতের পুলি পিঠে ছুটছে  সবাই দলে দলে   চিড়িয়াখানা আর বনভোজনে কেও বা করে শীতের ফ্যাশন  কারো বা কাটে শীত রাস্তার এক কোনে।
পথ আমারে সেই দেখাবে যে আমারে চায় আমি অভয় মনে ছাড়ব তরী, এই শুধু মোর দায় প্রভুকে স্মরন করে, হাজার পথ যাবো পেরিয়ে বাঁধা বিঘ্ন দূর করে ,আঁধারকে যাবো কাটিয়ে সময় হোক যত‌ই খারাপ ,শক্ত হাতে ধরব হাল সামলে নেবো জীবন তরী, হবে এক নতুন সকাল।

হারাতে চাইনা

জীবনের চলার পথে  বেঁচে থাকার আশ্রয় নিপুণ কলাকার হয়ে  করে যাচ্ছি অভিনয় মুখে হাসি বুকে কষ্ট  প্রতিনিয়ত হারাই নিজেকে মন অসহায় খুঁজে ফেরি সেই চেনা আমার আমিকে।