পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অজানা দেশ

  দিগন্ত জুড়ে বিস্তৃর্ণ ,মন হারানো  নীল আকাশ কোথায় শুরু কোথায় শেষ, অজানা স্বপ্নের  দেশ। আছে চন্দ্র ,সূর্য্য গ্রহ ,তারা বিশাল  তাদের  পরিবার, সকল দায়িত্ব করছে পালন ,নিজ কর্মে ব্যস্ত বিশ্ব চরাচর। রঙ বেরঙের ছবি আঁকে ,রংধনুর রং ছড়ায় নীল চাদরে, সৃষ্টির অপার সুখ, মেঘের ভেলায় ,স্বপ্নরা ডানা মেলে উড়ে। সাদা চাদরের আস্তরন খুলে , রাতের আঁধার পেরিয়ে,  মুচকি হেসে বেরিয়ে এলো দিনমনি, কপালে লাল টিপ দিয়ে। হলো আবার একটি নতুন প্রভাত পাখীদের মিষ্টি সুরে আশার আলোয় পথচলে ,আনন্দ খুশীর, আঁচল ভরে হারিয়ে গেছে কত রাত দিন, হাজার স্বপ্নরা হয়েছে নিঃশেষ দিনের আলোতে পথিকের পথ চলা, হয়না যে শেষ। অবিরত বয়ে চলা সময়ের স্রোত, দিনের শেষে ক্লান্তি নামে চাওয়া পাওয়ার হিসেব নিকেশ স্মৃতির পাতা বন্ধ খামে।

্ভালোবাসা অসহায়

বসে আছি পথ চেয়ে ফাগুনের গান গেয়ে যত ভাবি ভুলে যাবো মন মানে না আঁধার ঘনিয়ে আসছে তবুও  ভালোবাসার অপেক্ষা শেষ হয়না। ভালোবাসার কাছে  হৃদয়  অসহায় , মন সেটা বুঝে না  আর। ভালোবাসার  প্রদীপ জ্বালিয়ে ,নিদ্রাহীন  রাতে প্রহর গুণে অপক্ষার  কেটে যায়  আর‌ও একটি রাত    ভালোবাসার পথ চেয়ে , সকল না বলা কথা গুলো  আবার‌ও পড়ে  থাকে স্মৃতি হয়ে হৃদয়ে।

কবিতার হাত ধরে

কবিতার হাত ধরে...  রঙিন স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রেখে মনের আকাশে উড়ি, বাস্তব হোক যত‌ই কঠিন তবুও নতুন স্বপ্ন গড়ি। কখন‌ও সুখ কখন‌ও দুঃখ ছন্দে বেজে যায় তারা রিনিঝিনি নুপুরে  মান অভিমান জীবনের একতারা। জীবনের স্রোতে গা ভাসিয়ে চলে, সময়ের কথা শুনে, চেনা সূর্য মূখ লুকোয় ,ইচ্ছেরা যায় গোধূলি স্নানে, খুঁজে পাই জীবনের তীর, সকল যন্ত্রনা ,কষ্ট ভুলে কত সুর কত কল্পনা, ইচ্ছের  পাহাড়ে চড়ে, নীল আকাশে ডানা মেলে অজানার খোঁজ করে। সময়ে অসময়ে ছুটে আসে ভালোবাসার ডাকে, অকারনে মন অস্থির, খুঁজে পায় হারানো আমিকে। নিঃশব্দে লিখে যায় ,না বলা কথারা মনের ক্যানভাসে, চাওয়া পাওয়ার নেশাতে কিছু হারিয়ে যায় দিনের শেষে। ঘুনে ধরা এই  পৃথিবীতে আছে শুধু  জীবনের অপূর্ণতা, কবিতাকে  ভালোবেসে পেয়েছি ,জীবনের  পূর্ণতা। একলা  রাতে সঙ্গী হয় মোর  আঁকড়ে ধরি তাকে, ভাবনার পাখনা মেলে চলি ,জীবনের আঁকে বাঁকে । শব্দের মাতাল হাওয়ায়  হাজার  শব্দের অনুরণন,  কখন বেদনা, কখন ভালোলাগা হৃদের রক্তক্ষরণ। শব্দের মায়াজাল বুনে সাজায় তাকে মনের মত করে যত কষ্ট যত আঘাত, ভালোবাসা দিয়ে  কবিতা গড়ে।  কবিতার ছন্দে পড়ুক ঝড়ে,হাজার শব্দের রং ছড়ায়ে

বৃথা জীবন

আঁধার রাত, স্মৃতির ছেঁড়াকথায়  ফেরারী মন ভাঙ্গা গড়ার বেহিসেবী কথা, গল্প সাজায় জীবন স্মৃতির কান্না বাস্তবতার স্রোতে ,শুধু অতীত খোঁজে রামধনুর নীল রং গায়ে, ভেসে বেড়ায় যত মনের  ইচ্ছে   নীশিথ রাতে  হাওয়ায় ভাসে রক্ত মাখা পথের গন্ধ   চাঁদের আলোয় চোখের তারা, শব্দরা কলমে আবদ্ধ , দীর্ঘশ্বাস ফেলে সময় ,বিসাক্ত মনটা রক্তাক্ত কাটা ঘায়ে, রাতের আকাশ একলা ঘরে,মিথ্যে স্বপ্নের ডালা সাজিয়ে সুখের স্বপ্নে আঁধার নামে বাতাসে উড়ে বিষের পরাগ ভাঙ্গা গড়ার বৃথা জীবন  সাদা কালোয় রঙিন মোড়ক।

চোখের ভাষা

56) চোখের ভাষা আজ চোখ দুটো বড় ক্লান্ত দিশেহারা, শুধু খুঁজে বেড়ায়  রাতের অন্ধকারে, শব্দরা মাতামাতি করে ,ঝড় তোলে দু চোখে, যে চোখ  নানান স্বপ্ন নিয়ে বাঁচতো, আজ শুধু শব্দ খুঁজে বেড়ায়,   যে চোখে  দেখেছিলো একদিন ,আকাশ সমান ভালোবাসা  আর না বলা কথার মান,অভিমান, আজ মনে হাজার প্রশ্ন পাবে কি ফিরে সে চোখকে, যে চোখ শিল্পী  তার  বেঁচে থাকার স্বপ্ন নিয়ে, তুলিতে শেষ টান দেয়, যে চোখে ছিলো কত মায়াবি রঙীন স্বপ্ন, যে চোখে ছিলো কবির কল্পনার কবিতা, যে চোখে   এক  মা  তার  সন্তানের জন্য স্বপ্নের জাল বুনতো, যে চোখে ভালোবাসার মানুষটি  তার হারানো স্বপ্ন খুঁজে পেতো, আজ সে চোখঅশ্রু সজল নয়নে ভেসে যায়, অপেক্ষারা আঁচল মুছে,  কত রাত জেগে থাকা   মা য়ের  চোখ, সন্তানের অপেক্ষায় ক্লান্ত,  চোখের ভাষা হারিয়েছে, সন্তানরা তার শৈশবের ভালোবাসা, মায়ের  স্নেহ , মায়া মমতা,আজ পড়তে পারে না, হারিয়ে গেছে ভালোবাসার মানুষটি,যে চোখে তার  ভালোবাসা খুঁজে পেয়েছিলো ,,আজ কোন মায়াবী চোখে  ভালোবাসা খুঁজে নিয়েছে সে,ভুলিয়েছে আবার দু চোখ, নীরব অশ্রু ঝরে পড়ে ,রাতের কনার আঁচল ভিজে , চোখের ভাষা কজন পারে পড়তে ,  নীরবে কেঁদে উঠে মন,চোখে

কুসংস্কার

কুসংস্কার টিকে থাকে শুধুমাত্র মানুষের বিশ্বাসের কারণে,,,,,,,, কোন যুক্তি দিয়ে বিচার করলে কিংবা বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে দেখা যায় কুসংস্কারের আসলে কোনো ভিত্তি নেই,,,,, মানুষ তার অমঙ্গলের ভয়ে ভীত হয়ে বিভিন্ন হাস্যকর বিষয়কেও বিশ্বাস করে মেনে চলে,,,, তাদের অন্ধ বিশ্বাসই কুসংস্কারকে অন্য সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেয় এবং বছরের পর বছর যুগের পর যুক এগুলোকে আঁকড়ে ধরে রাখে,,,,,,, কোনো রকম চিন্তা বা বুদ্ধি বিবেচনা দিয়ে বিচার করা ছাড়াই তারা কুসংস্কারের প্রতি অন্ধ বিশ্বাস স্থাপন করে,,,,, আর তাই কেউ কেউ মঙ্গল কিংবা শনিবার অমঙ্গল ও অশুভ কিছু ঘটার আশংকায় অনেক প্রয়োজন থাকলেও কোথাও যাত্রা করে না,,,,,,,কালো বিড়াল কিংবা এক শালিক দেখলে যাত্রা অশুভ ভেবে যাওয়া বন্ধ করে দেয়,,,,,,,কোনো কথা বলার সময় টিকটিকি যদি টিক টিক করে শব্দ করে তাহলে সেই শব্দকে ঐ কথার সত্যতা নিশ্চিত করার মাধ্যম হিসেবে ধরে নেয়,,,, জোড়া শালিক দেখলে ভাগ্য ভালো হবে বলে কেউ কেউ বিশ্বাস করে,,,,,, এর সবই হলো কুসংস্কারের প্রতি অন্ধবিশ্বাসের ফল,,,,,। সে আদিমকাল থেকে বিবর্তনের মধ্যে দিয়ে মানুষ জগৎ এবং জীবনকে জানতে  বুঝতে ও চিনতে শিখেছে,,,,,,,যত‌ই জ

জীবন কথা

জোছনা আলোয়  শব্দরা খোঁজে রাতের নির্জনে   কথারা  ভিজে বিকৃত বিরূপ   জীবন  কাঁদে ভালোবাসা মরে   প্রেমের ফাঁদে পুরোনো নতুন  স্মৃতির   টানে অতীত খোঁজে  টানাপোড়েনে নির্ঘুম তারারা   শব্দ   জাগায় একলা আকাশ  গল্প  সাজায় সারা রাত জাগে    চুপকথারা    ভোরের অপেক্ষা রাতের তারা।

মনের কথা

১হাইকু আঁধার রাত  স্বপ্নের ছেঁড়াকথা    ফেরারী মন ২) ভাঙ্গা গড়ার    বেহিসেবী জীবন        গল্প সাজায় ৩)স্মৃতির কান্না বাস্তবতার স্রোত      অতীত খোঁজে ৪)ইচ্ছেরা ডাকে         রামধনুর নীল             স্বপ্ন মিছিল ৫) উচ্ছিষ্ট জল          নীশিথের রাত                   আতঙ্ক মন   ৬) প্রেমিক মন         মৌমাছি র গুঞ্জন                 হৃদয় ভাঙ্গে ৭) পথিক জানে         পথের আত্মকথা              গো ধূলি বেলা ৮)চাঁদের আলো  শব্দের ঘোরাফেরা    মনের পাতা ৯) শীতল বারি বেদনার আকাশে আসুক ঝেঁপে ১০) মন রঙীন বসন্ত কথা বলে কোকিল ডাকে

প্রকৃতির সুখ

প্রকৃতির সুখ রিমঝিম  বর্ষায় শীতল স্পর্শ, সকলের হৃদয়ে, শ্রাবণধারায় কত আনন্দ গান, নেচে গেয়ে। গাঢ় নীল আকাশ ,রৌদ ঝলমল চায়না বর্ষাকে, আকাশ ধোয়া গায়ে  বর্ষা রানী শরৎকে কাছে ডাকে ।    চুপিসারে  এসে শরৎ হাজির বর্ষার পাশে, মেঘ মুক্ত নীল আকাশ , বর্ষা আছে চুপটি করে বসে। সিংহাসনের লড়াই চলছে ,মেঘের আড়ালে। শরতের আকাশ দেখে   বর্ষা যাই যাই বলে। দুজনের বন্ধুত্বে ভাব হয় নীল আকাশ জুড়ে, সাদা কালো মেঘ ভেসে বেড়ায় হাত ধরে। রৌদ বৃষ্টি নিয়ে মেতে থাকে দুজনে প্রকৃতির বুকে,  শরতের অপরূপ শোভায় মুগ্ধ, বর্ষার দুচোখে। শরৎ ছড়িয়ে দেয় রূপের শোভা দিক দিগন্তে, শিউলির সুবাস, নির্মল বাতাস, শারদ প্রাতে। আকাশে বাতাসে ভেসে আসছে  আগমনীর সুর, কাশের মেলা হেলে দুলে,মা আসতে আর কতদূর।

মনের বাসনা

নীল আকাশে মেঘের দেশে            যাসনা  আর   উড়ে,   মনের খাঁচায় বাঁধবো তোকে              থাকবি হৃদয় জুড়ে।    খাঁচায় বন্দী মন পাখি            মুক্ত আকাশ চায়, বাঁধন ছেঁড়া বনের পাখি              আনন্দে পথ হারায়।        অতৃপ্ত বাসনা প্রানে লয়ে                            বেঁচে থাকার লড়াই।  শিকল বাঁধা মন পাখি                     সঙ্গী হবে তোর নীল আকাশে আলোর ধারা                              যাবে উড়ে বহুদূর   তোর আশাতে পথ  চেয়ে                    আসবি তুই যখন সকল বাঁধন মুক্ত করে                    উড়বো মোরা দুজন।

কবির দার্শনিক ভাবনা

রবীন্দ্রনাথ হলেন বিশ্ববরেণ্য কবি  যিনি আধুনিক ভারতীয় দর্শনের একজন বড় প্রতিনিধি,,,,,, সেকথা বিংশ শতাব্দীর ভারতীয় দার্শনিকরা স্বীকার করেছেন,,,, । ১৮৭৩ সালে ১১বছর নয় মাস বয়সে কবির উপনয়ন হয় ,,,তখন গায়ত্রী মন্ত্র জপ করবার খুব ঝোঁক ছিল,,আর এই গায়ত্রী মন্ত্রের প্রভাবেই  কবির সারাজীবনের দার্শনিক ভাবনার মূলমন্ত্র,,,, । কবির  "মানুষের ধর্ম" গ্রন্থের  " "মানব সত্য" ,"ভাষনে" জীবনের শেষ দিকে‌ও কবি স্মরণ করেছেন এই দিনের কথা,,,,। তখন কবির বয়স মাত্র বারো বছর ,, তিনি বলেছেন এই মন্ত্র চিন্তা করতে করতে কবির মনে হতো বিশ্বভূবনের অস্তিস্ব আর কবির অস্তিত্ব একাত্মক,,,,,এরকম চিন্তার আনন্দে কবির মনের মধ্যে একটা জ্যোতি এনে দিয়েছে,,,কবি সেটা নিজেই বলেছেন,,। কবি একজন দার্শনিক হয়েও ,,কোন দার্শনিক তর্কবিবিদ্যার যুক্তি প্রণালীতে যেতে চাইতেন না,,তিনি হলেন সত্য দ্রষ্টা,,,সত্যকে উপলব্ধি করেন সরাসরি কাব্যিক রূপকল্প থেকে,,,,। আমাদের দেশে দর্শন বলতে বোঝায় দৃষ্টি এবং সত্যদর্শন,,,রবীন্দ্রনাথ তাই ফিলোসফি শব্দটিকে এই অর্থে গ্রহণ করেছিলেন,,,,,তাই কবির চিন্তায় "ব্যাক্তিগত উপল

আমি

২. আমি ভাবি বসে মনে মনে ,তুমি কি সত্যি  আছো আমার হৃদয় জুড়ে, মান অভিমান আবেগ অনুভূতি ,সবে তোমার , তবু‌ও কি জানি তোমায়।   চলতে চলতে ক্লান্ত পথে    ছুটে যাই তোমাকে নিয়েই, নীরব অশ্রু হয়ে চোখের পাতা  মুছে দিয়ে যাও ,আমার সকল আঘাত। বেঁচে থাকার রঙ্গীন স্বপ্নে জাল বুনে যাও  তুমি আমার মনের গহীনে, ভালোবাসা হয়ে তৃষ্ণার্ত হৃদয়ে   ছুটে আসো তুমি সকল সময়ে। দুঃখের সাগরে  সুখের জোয়ার হয়ে   থেকো  তুমি আমার পাশে, স্মৃতির সঙ্গী হয়ে  এসো আমার  হৃদয়ের মনিকোঠায়।  গোধূলী বেলার সাঁজের বাতি হয়ে  থেকো তুমি আমার আঙিনায়। কখন‌ও যদি পথ ভুলে  যাই  খুঁজে নিও তুমি আমায়। হটাৎ করে বলবে ডেকে ভয় কি  তোর  আমি যে আছি তোর মনেতে বাঁধা  তবুও যে পরানে লাগে  ভয় , থাকবে তো  তুমি  আমার সকল পথ চলায় ।

কবিগুরুর প্রকৃতি র প্রেম

প্রকৃতির অপরূপ সুধায় বিস্মিত কবির বন্দনা কবিতা গানে ষড়ঋতুর অপরূপ সৌন্দর্যৈর বর্ণনা । কবির কবিতায় প্রকৃতি যেন রহস্যাবৃতা এক নারী গ্রীস্মের প্রখর তাপদাহ  রিমঝিম বর্ষার শিতল বারি। শরতের শুভ্রতা , মেঘবালিকার রৌদ্র ছায়ার খেলা প্রকৃতির রূপ রঙে আপন ভাবনায় কবির ছন্দ মেলা। হেমন্তের ভরা যৌবন ,শীতের ঝরা পাতায় মর্মর ধ্বনি বসন্তের মাতাল হাওয়া , উদাসী বনের করুন কাহিনী। কবির কলমে ,আকাশ ভরা সূর্য তারা বিশ্ব ভরা প্রাণ খাঁচার ভিতর পোষা পাখি, মুক্ত পাখী গায় প্রকৃতির গান। সর্বগ্রাসী মানুষের লোভের হাত,  প্রকৃতিকে বাঁচায়  কে  বিধাতার যা কিছু কল্যাণের দান, মানুষ ধংস করে তাকে।।

তবু মনে রেখো

মনের কি দোষ বলো মন আছে তাই ভাবনা আসে মন শুধায় ভাবনাকে থাকবে কি সদায় এই ভাবে পাশে যেতে হবে  পরপারে  আসবে যখন ডাক   ছেড়ে যাবো একদিন  ভালোবাসা টুকু সাথে নিয়ে মনের অগোচরে কোনদিন তবু‌ও মনে রেখো  কখন‌ও যদি আমায় পড়ে মনে পুরোনো স্মৃতিকে নিও কাছে টেনে জানি না হৃদয়ে জাগবে কি তোমার  আমার চলে যাওয়ার ব্যাথা স্মৃতির মলিন খামে লিখে রেখো আমার ভালোবাসার কথা  এই মন ক্ষনে ক্ষনে শুধায়   পাবে কি জায়গা স্মৃতিটুক  তোমার ভাবনার বুকে পারো যদি রেখো আমায়  ভালোবাসার অশ্রু করে তোমার  দুই চোখে। তবুও মনে রেখো আমায়।