পোস্টগুলি

প্রয়াগরাজ ভ্রমণ

প্রয়াগরাজ উত্তরপ্রদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর যা গঙ্গা, যমুনা ও সরস্বতী নদীর সঙ্গমস্থলে অবস্থিত, যা হিন্দুদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র স্থান,,। শহরের সমস্ত কোণে কোণে যেন আধ্যাত্মিকতা ছড়িয়ে আছে ,, সেপ্টেম্বর ৫ তারিখ আমরা রওনা দিলাম প্রয়াগরাজের উদ্দেশ্য,,,। বাড়মের এক্সপ্রেস হাওড়া থেকে ছাড়ার কথা রাত ৭টার পরে । যথারীতি আমরা অনেক আগেই পৌঁছে গেলাম হাওড়া স্টেশনে,,, ফার্স্ট ক্লাস ওয়েটিং রুমে বসে কিছুক্ষণ সেখানেই আরাম করলাম,,। সময় যেন আর কাটতে চায় না,,।  তারপর একসময় ট্রেন নির্দিষ্ট প্লাটফর্মে ঢুকল এবং আমাদের নিয়ে যথা সময়ে রওনা দিল,,,,। সকাল সাড়ে ছয়টায় প্রয়াগরাজ পৌছানোর কথা,,,, তাই সেটা একটা চিন্তার  বিষয় ছিলো,,,। খুব তাড়াতাড়ি রাত্রের ডিনার শেষ করে আমরা ঘুমিয়ে পড়লাম,,। সকাল হতে না হতেই জানালার ধারে এসে বসলাম,,। বাইরের দৃশ্য দেখতে দেখতে আমরা  সময়ের  আগেই  পোঁছে গেলাম প্রয়াগরাজে,,,। ট্রেন থেকে নেমে এবার হোটেলে যাওয়ার পালা,,।

প্রকৃতির ছোঁয়া

ভোরের আকাশে রঙের খেলা বেজে উঠে শঙ্খধ্বনি ভোরবেলা  সকাল হতেই মাঠে  ফসলের চাষ মিষ্টি রোদের হাতছানি ব্যস্ত মানুষ।

অনুভূতির জগৎ

বিচিত্র এই পৃথিবী বিস্ময় ও বৈচিত্র্যে ভরপুর   অনুভূতির বিচিত্র ক্যানভাস… জীবন তার নিজের নিজস্বতা নিয়ে থাকতে ভালোবাসে তবুও অনুভূতির দাস… জীবন চক্রের প্রতি মুহূর্ত  তাদের  সাক্ষী করেই আমাদের পথচলা… অসংখ্য অনুভূতির দুঃখ বেদনা হদয়ের এক কোণে লুকিয়ে ফেলা…. এটাই বোধহয় জীবনের সার্থকতা বা বাস্তবতা যেটাই কেন বলিনা… কিছু অনুভূতি  হৃদয়ের এত কাছে থাকে যে শব্দে প্রকাশ করা যায় না…. শীতের ঝরাপাতার মতো আজ অনুভূতিরা বড্ড প্রাণহীন…. ডিজিটাল দুনিয়ায় মনের আবেগ অনুভূতিও পা মেলায় কখনো হাসে কখনো কাঁদে এই তো জীবন….

জীবন

জীবনের শুরু বা মাঝবয়সে আমাদের যে তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রতিযোগিতা আর পাওয়ার তাগিদ ,,,,তাড়াহুড়ো করে সবকিছু পাওয়ার যে প্রতিযোগিতা,,, বয়স বাড়লে মানুষ তার থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়ে প্রতিটি মুহূর্তকে শান্তভাবে উপভোগ করতে চায়,,,। বয়স বাড়ার সাথে সাথে তাতে এক ধরণের রেশ টেনে ধরে,,,, চাওয়া পাওয়ার এই রেশ টেনে ধরা কোনো  হতাশা নয়,,,, বরং এটি জীবনের এক ধরণের শান্ত অবসান,,। জীবনের দীর্ঘ পথ চলায় যা কিছু পাওয়া গেছে,,,তা নিয়েই মন তৃপ্ত হতে শেখে,,,।

মাতৃহারা

বয়স যতই হোক না কেন, মা চলে গেলে মানুষ সব বয়সেই যেন অভিভাবকহীন ও একা হয়ে পড়ে।

নাতনি আমার

ঘরে এলো  লক্ষী সোনা নাতনি আমার চাঁদের কণা প্রতিদিন ভিডিও কলে দেখি তাকে ভরে যায় মনটা খুশিতে দূর থেকে  ঘাড় ঘুরিয়ে দেখে গাল ভরে হাসে মিষ্টি মিষ্টি চাউনি দেখি দূরে বসে। ঠাম্মির বনু বড়ই প্রিয় সকলের ভালোবাসার মম সে বাবা মায়ের  ঠাকুরদাদার চুলবুলে দিদিভাই  Titiksha বলে ডাকে প্রিয় কাকাই বন্ধুরা ডাকবে শীবিশা যাবি খেলতে  সময় লাগবে homework শেষ হতে  সময়ের স্রোতে শিশুরা খেলাধুলা ভুলে শৈশব বড়ই মধুর কখন যে যায় চলে  বড় হোক আদর স্নেহ ভালোবাসায় আর্শীবাদের হাত বড়দের থাকুক মাথায় দায় দায়িত্ব কর্তব্যে যত্নে লালন পালন মা বাবার ছত্রছায়ায় সুরক্ষিত জীবন।

পুরোনো ও নতুন দুই সময়ের সেতু

পুরনো ও নতুন দুই হলো সময়ের সেতু …  এই দুইয়ের সঠিক তালমিলেই ভারসাম্য বজায় থাকে… বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা ও সততার মতো পুরোনো মূল্য বোধ ধরে রেখে নতুন যুগের প্রগতিশীল চিন্তাকে গ্রহণ করে সামনে এগিয়ে চলা… পুরোনো আর নতুনের খেলায় জয় পরাজয় না খুঁজে  পারস্পরিক সন্মান বজায় রেখে স্থায়ী সমস্যার সমাধান খুঁজে নেওয়া… পুরোনোর ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই তো নতুনের জন্ম হয়.. পুরোনো আমাদের সবসময় অভিজ্ঞতা আমাদের শিকড় আমাদের পথ চলা শেখায়… সমাজের প্রাণশক্তি  ভবিষ্যতের রূপকার বর্তমান প্রজন্ম..   যেখানে সময়ের স্রোতে বদলায় ভাবনা স্বপ্ন ..আর পথ চলার রীতি নীতি…. সময়ের পরিবর্তনে আধুনিকতা হলো মন ও চিন্তার মুক্তি… সমাজ কে এগিয়ে নিতে হলে পুরোনোকে অবহেলা করা যাবেনা…আবার নতুনকেও বর্জন করা যায়না.. পুরোনো যদি আমাদের শিকড় হয় তাহলে নতুন সেই গাছের সবুজ পাতা ও ফুল ফল… শিকড় ও পাতার মেলবন্ধনে সমাজ নামক মহীরুহটিকে বাঁচিয়ে রাখা যায়….।