পোস্টগুলি

প্রকৃতি র প্রেম

এই আকাশে আমার মুক্তি আলোয় আলোয় আমার মুক্তি ধূলায় ধূলায় ঘাসে ঘাসে এই আকাশে আমার মুক্তি আলোয়, আলোয়।” প্রকৃতির অপরূপ সুধায় বিস্মিত কবির বন্দনা কবিতা গানে ষড়ঋতুর অপরূপ সৌন্দর্যৈর বর্ণনা । কবির কবিতায় প্রকৃতি যেন রহস্যাবৃতা এক নারী গ্রীস্মের প্রখর তাপদাহ  রিমঝিম বর্ষার শিতল বারি। শরতের শুভ্রতা , মেঘবালিকার রৌদ্র ছায়ার খেলা প্রকৃতির রূপ রঙে আপন ভাবনায় কবির ছন্দ মেলা। হেমন্তের ভরা যৌবন ,শীতের ঝরা পাতায় মর্মর ধ্বনি বসন্তের মাতাল হাওয়া , উদাসী বনের করুন কাহিনী। কবির কলমে ,আকাশ ভরা সূর্য তারা বিশ্ব ভরা প্রাণ খাঁচার ভিতর পোষা পাখি, মুক্ত পাখী গায় প্রকৃতির গান। সর্বগ্রাসী মানুষের লোভের হাত,  প্রকৃতিকে বাঁচায়  কে  বিধাতার যা কিছু কল্যাণের দান, মানুষ ধংস করে তাকে।।

তবু মনে রেখো

মনের কি দোষ বলো মন আছে তাই ভাবনা আসে মন শুধায় ভাবনাকে থাকবে কি সদায় এই ভাবে পাশে যেতে হবে  পরপারে  আসবে যখন ডাক   ছেড়ে যাবো একদিন  ভালোবাসা টুকু সাথে নিয়ে মনের অগোচরে কোনদিন তবু‌ও মনে রেখো  কখন‌ও যদি আমায় পড়ে মনে পুরোনো স্মৃতিকে নিও কাছে টেনে জানি না হৃদয়ে জাগবে কি তোমার  আমার চলে যাওয়ার ব্যাথা স্মৃতির মলিন খামে লিখে রেখো আমার ভালোবাসার কথা  এই মন ক্ষনে ক্ষনে শুধায়   পাবে কি জায়গা স্মৃতিটুক  তোমার ভাবনার বুকে পারো যদি রেখো আমায়  ভালোবাসার অশ্রু করে তোমার  দুই চোখে। তবুও মনে রেখো আমায়।

বৃষ্টি ভেজা দিন

মেঘলা আকাশ বাদল দিনে বুক দুরু দুরু মেঘের গর্জনে ঝম ঝমিয়ে  নামলো বৃষ্টি  চোখ জুড়ানো অপরূপ  সৃষ্টি থৈ থৈ জলে মাঠ ঘাট ভরে ব্যাঙ ব্যাঙাণীর নাচন ধরে কাপড় ভিজে বাড়ীর ছাদে কেও বা পড়ে মরন ফাঁদে কচিকাঁচারা মাতে বৃষ্টির জলে  মাঠে কাদা ফুটবল খেলে কাগজের নৌকা জলে ভাসে ছিপ নিয়ে যায় নদীর পাশে আয় রে খোকন ঘরে আয় টাপুর টুপুর বৃষ্টিতে খোকন বেড়ায় বৃষ্টি তে ভেজার পেলো ফল নাক দিয়ে পড়ে সর্দি জল যে চলে যায় আর আসে না বৃষ্টির পাশে শৈশব হাসে না রিনিঝিনি নুপুরে শৈশবকে ডাকে স্মৃতির ঘরে শৈশব জলছবি আঁকে

প্রথম প্রেম

সে আমার প্রথম ভালোবাসা, থাকবে হৃদয়ে চিরদিন তোমার আমার পথচলা, অনেকটা পথ অনেকদিন। সে এসেছিল মনের  অগোচরে নীরবে নিভৃতে, নিঃসঙ্গ দিনে মন ছুঁয়ে গেলো বৃষ্টি ভেজা রাতে। সময়ে অসময়ে ছুটে আসে ভালোবাসার ডাকে শুধুই যে দিয়ে গেছে ,পায়নি কিছুই আমার থেকে।  সে যে আমার প্রথম প্রেম প্রথম ভালোবাসা ছন্দ সাজিয়ে পূরণ করে  মনের সকল আশা। ক্ষনিকের পৃথিবীতে আছে শুধু বিশ্বাসঘাতকতা, তাকে  ভালোবেসে পেয়েছি জীবনের পূর্ণতা। জীবন যখন বিষন্ন মনে হয়, আঁকড়ে ধরি তাকে ভাবনার পাখনা মেলে জাগায় ,আমার হৃদয়কে। শব্দের মাতাল হাওয়ায় ছুঁয়ে যায়, আমার মনপ্রাণ   প্রেম  ভালোবাসায গড়ে তুলে ,কবিতার দালান বৃষ্টি মাখা আদর দিয়ে  ভিজিয়ে যায় যত মনের জ্বালা শব্দের মায়াজালে সাজিয়ে হৃদয়ে আমার  ছন্দের মালা।

বৃষ্টিতে শৈশব

মেঘলা আকাশ বাদল দিনে বুক দুরু দুরু মেঘের গর্জনে ঝম ঝমিয়ে  নামলো বৃষ্টি  চোখ জুড়ানো অপরূপ  সৃষ্টি থৈ থৈ জলে মাঠ ঘাঠ ভরে ব্যাঙ ব্যাঙাণীর নাচন ধরে কাপড় ভিজে বাড়ীর ছাদে কেও বা পড়ে মরন ফাঁদে কচিকাঁচারা মাতে বৃষ্টির জলে  মাঠে কাদা ফুটবল খেলে কাগজের নৌকা জলে ভাসে ছিপ নিয়ে যায় নদীর পাশে আইরে খোকন ঘরে আয় টাপুর টুপুর বৃষ্টিতে ভিজে বেড়ায় বৃষ্টি তে ভেজার পেলো ফল নাক দিয়ে পড়ে সর্দি জল যে চলে যায় আর আসে না বৃষ্টির পাশে শৈশব হাসে না রিনিঝিনি নুপুরে বৃষ্টি সুর তোলে  শৈশব বসে কাঁদে স্মৃতির আড়ালে।

বৃষ্টি ভেজা দিন

গ্রীষ্মের শেষ বেলায় ,তাপদাহে ওষ্ঠাগত প্রাণ নবজলধারা হয়ে নেমে এসো, বর্ষার আহ্বান।  আষাড়ের কালো মেঘ ,ঢেকেছে  আকাশ শুকনো ধরণী সিক্ত হবে  দেয় যে আভাস এই বৃষ্টি ভেজা দিনে রিনি ঝিনি নুপুরে চুপি চুপি এলে তুমি আমার মনের ঘরে রিম ঝিম বর্ষায় ,মনের ভেজা জানালায় ছুঁয়ে যায় মন বার বার, স্নিগ্ধ বারিধারায়। ঝর ঝর ধারাপাতে, তোমার রূপের বাহার বৃষ্টি ভেজা দিনে একলা মনে  সঙ্গী  আমার। মাটির সোঁদা গন্ধে ,বাঁধন মানে না এ  মন রিম ঝিম বর্ষায় মন  ,শুধুই করে গুণ গুণ। বর্ষা তুমি এলে মনে পড়ে ,ফেলে আসা দিনগুলি শৈশবটা হারিয়ে গেছে ,বৃ্ষ্টি ভেজা দিনে অশ্রু ফেলি। বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর ,আড়ালে কান পেতে শুনি বর্ষার শীতল আবেশ ,হৃদয়ে বাজে ,  অনুরাগের ধ্বনি।

বৃষ্টির পরশ

নীতু ভালো করে জানে আবির কি ভাবছে ,,,,,,, এমন এক বৃষ্টির রাতে নীতুর জন্য‌ই আবিরের  প্রাণটা ফিরে পেয়েছে,,,রক্তাক্ত আবির  যন্ত্রনায় ছটফট করছিলো রাস্তায়  ,,, কেও তাকে সাহার্য্য করেনি ,,,  একমাত্র নীতুই   তাকে দেখে হসপিটাল নিয়ে গিয়ে সেবা শ্রুশ্রষা দিয়ে ভালো করে তুলেছে ,,,,,নীতুর ব্যবহার  আবিরকে খুব মুগ্ধ করে,,,,একদিন নীতুকে  ভালোবাসার কথা জানায়,,,  নীতু‌ও  মানা করতে পারেনি সেদিন ,,,,, সেও মনে মনে আবিরকে  ভালোবেসে ফেলেছে। বৃষ্টি আবিররের কাছে বেদনার থেকে‌ও ভালোবাসার পরশ বেশী।