পোস্টগুলি

ভালোবাসার ঘরে

কি ভুলের মাশুল দিলে,, ,আহামরি কিছুই তো চাইনি‌,,,। আমার চাওয়াটা ছিলো কি খুব বড় ,একটু ভালোবাসায় তো চেয়েছে,,তাতে যে এতো টা দাম দিতে হবে সেটা কখন বুঝতে পারেনি। আজ দেখি ভালোবাসায় ভালোবেসে লাল টকটকে গোলাপ দেওয়া হয় ,,  এটা কি ভালোবাসার পরিচয় প্রমাণ পত্র ,আমি যে তোমাকে কতটা ভালোবাসি,,, কিন্ত্ত আমার কাছে ভালোবাসার মানে ছিলো ,ছোট ছোট আনন্দ খুশী,, সেগুলোতে ভালোবাসা খুঁজে নিয়েছিলাম,,,,,না  কখনো ভালোবাসার জন্য  কখন কোনো প্রমাণ পত্র বা  ফুল চাইনি।  আজ দেখি ভালোবাসায়  অনেক কিছু আবদার করে ,,,,কি কি না চায়,, তবে কি  যুগের  সাথে ভালোবাসার রূপ রঙ চাওয়ার পরিধি সব বদলে গেছে নাকি,,,নাকি  মন গুলো দূষিত শহরের আবহাওয়ায় থেকে পবিত্র ভালবাসাক কে উপলদ্ধি করার ধারন  ক্ষমতা চলে গেছে। রাগ অভিমানে ভালোবাসার মান বাড়ে এতোদিন সেটা জেনে এসেছি,,,  ভালোবাসাকে তেমন করে কোনদিন বেঁধে রাখতে ও শিখিনি,,,,যেটা নিজের সেটাকে কেনো আগলিয়ে রাখতে হবে,,,,, শব্দের কটাক্ষে আজ ভালোবাসা অপমানিত হয় বারে বারে।  আমার সবটুকু দিয়ে ভালোবেসে ছিলাম ,, বিশ্বাসের উপর ভর করে চলতে চেয়েছিলাম,,,, সময়  বদলানোর সাথে সাথে ভালোবাসার প্রদীপ

বৃষ্টি ভেজা মন

বর্ষা মঙ্গল উৎসব কবিতা প্রতিযোগিতা শিরোনাম... বৃষ্টি ভেজা কলমে...উমা মজুমদার  তারিখ...২৯/৬/২২ ও বৃষ্টি  একটিবার নেমে এসো  তোমার শীতলতা  ছুঁয়ে দেখি তোমার আসার পথ চেয়ে সময়  ফুরায শুধু  কেন দাও  ফাঁকি। ফেলে আসা দিনের মত  তুমিও বুঝি  অনেক বদলে গেছো  বৃষ্টি হারিয়েছো কঠিন বাস্তবে  প্রকৃতির  নিয়মে  বর্ষায় তোমার সৃষ্টি । সারাদিন গোপনে তোমায় ভাবি  এ বুঝি নামবে প্রেমের শীতলধারা  থমথমে আকাশ আসবে তো বৃষ্টি   সিক্ত হবে ধরণী নব বারিধারায়  মাটির সোদা গন্ধে শৈশবের ফেলে  আসা স্মৃতি নতুন করে সাজবে তোমার প্রাণের সাথে প্রাণ মিলিয়ে  বিষন্ন মনটা নিজেকে খুঁজে পাবে।

ও নদী কথা বলো

ও নদী কেন কথা বলো না একটিবার  ফিরে চাও  কোথায় তোমার চলার ঠিকানা রুদ্ধশ্বাসে   ছুটে যাও তোমারও যে আছে জন্ম ও বংশ পরিচয় সবাই জানে কত গ্রাম শহর,নগর প্রসিদ্ধ পবিত্র  পাহাড়ের  কোল বেয়ে নেমে আসা জলধারা ধরিত্রী  মায়ের সন্তান কুলুকুলু শব্দে বয়ে চলা একবুক তৃষ্ণার্তের তুমি যে  প্রাণের সমান একাকি  সুর তোলে কথা বলা আপন   মনে অনন্ত স্রোতে ভেসে আসা দুঃখ যন্ত্রনা বুকে  নাও টেনে শত সহস্র মানুষ নদীর তীরে জীবিকার পথ বেছে নিয়েছে তুমি গঙ্গা পতিত পাবনি  দেবী রূপে পূজিত সকলের কাছৈ ধীর স্থির বয়ে চলা নদী কখনো শান্ত কখনো অশান্ত  ভরা যৌবনে   হাজার ব্যাথা বুকে চেপে বয়ে  চলা মিলনের টানে।

অনুভূতির আকাশে

দুরত্বকে যত‌ই কাছে টানে  তত‌ই                         দূরে সরে যায় পাশাপাশি হেঁটে চলা সময়              স্মৃতিতে আড়াল করে  আবেগ অনুভূতি  মান অভিমানের                           চাদর জড়ায়।   বিশ্বাস ভাঙ্গা কান্নায় শব্দরা স্রোতে                                     ভাসে মনটা খুঁজে বেড়ায় এক টুকরো                     হৃদয় ভালোবেসে।

মা বাবার প্রতি কর্তব্য

মায়ের মমতা ভরা আঁচল  বাবার স্নেহের আশ্রয় আপদ বিপদে দুহাতে তাঁদের আর্শীবাদ চলার পাথেয়। সন্তানের মঙ্গল কামনা ,পথ চেয়ে বসে থাকা  এক মা ই পারে দিনরাত খেটে  সন্তানের ভবিষ্যৎ উন্নতি বাবার রোজগারে। শত অভাব অনটনে দুঃখের মাঝে হাসি ফোটায় মুখে প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে চিন্তা সন্তান কি করে থাকবে সুখে।  ভুলে যায় একদিন বৃদ্ধ হলে মা  বাবার  অসহায় মুখখানি দু চোখ ভরে অশ্রু ঝরে বাবা মায়ের একাকিত্বের কাহিনী। মা বাবা সকল সন্তানের  জীবনের পরম ধন পরম আদরের তাঁদের অসন্মান কখনো যেনো না হয় দেখা উচিত সন্তানের। মায়ের গর্ভে জন্ম নিয়ে দুচোখ ভরে দেখে, এই জগতকে  শ্রদ্ধা সন্মান দিয়ে ভালো রাখা সন্তানের কর্তব্য মাতা পিতা কে।

ঝর্ণা কলম

অতীতের ঝর্না কলম ছেলেবেলার ঝুলিতে কালিতে ভরা দুটি আঙ্গুল পারিনি মুছে দিতে। ঝর্ণা কলম  আর দোয়াত ভরা সুলেখা কালি  তুমি আছো ছেলেবেলায়  কি করে তোমায় ভুলি। পরীক্ষার আগে নতুন ঝর্ণা কলম ছেলেবেলায়  অক্ষরে অক্ষরে কালিতে ভরতো  সাদা পাতায়। ভালো নম্বরে উপহারে জুটতো আরেক ঝর্ণা কলম খুশি তে ঝলমল  পাওয়ার আনন্দটা ছিলোনা কম। আভিজাত্য ও ঐতিহ্যের গৌরব বুক পকেটের শোভা  ঝর্ণা  কলমে প্রকাশ পেতো কবি সাহিত্যিকদের প্রতিভা। কালি কলমের সম্পর্কে  ভাব চিন্তাধারার মিলন ঘটায় যুগের সাথে পুরাতন হলেও আছে মনের মনিকোঠায়। পুরাতন স্মৃতি হোক না পুরাতন তবুও যায় না ভোলা সময়ে অসময়ে বেঁচে থাকার সুখ হৃদয়ে থাকনা তোলা।

বার্ধক্যের একাকিত্ব

জীবনের চাকা ঘুরে চলে তাঁর ইচ্ছেমতন  জন্ম মৃত্যু আছে তাতে এটাই তো জীবন  শৈশবের হাসি খুশি দিন পিছনে পড়ে রয় জীবনের খোলস ধাপে ধাপে বদল  হয়। দায় দায়িত্ব পালনে কর্মরত সাধের সংসারে অনিশ্চিত জীবনের ছবি থাকে পিছনে পড়ে। সম্বল বল শেষে স্মৃতিচারণে একাকী দিন কাটে  বার্ধক্য এসে তাড়া দেয় বাঁচার আশা যায় মিটে। কে   আপন কে পর এই বোঝা নেবে কে  ঘাড়ে অসহায় হয়ে চায়না বাঁচতে দয়া করো সকলরে।