পোস্টগুলি

সময় গেছে ফুরিয়ে

 উঠলো সেজে বরবধূ খেলাঘরে সোনামনির পুতুলের‌ আজ  বিয়ে  উলু দে শাখ বাজা এলো যে বর   আয়রে তোরা বরণডালা নিয়ে  ফেলে আসা দিনের কথা শৈশবের হারিয়ে যাওয়া সে পুতুল খেলা সোনালী স্মৃতিতে ফিরে দেখা  কাটেনা সময়  অলস দুপুর বেলা  পুতুল খেলা ভারী মজার রূপকথায় সাজানো শৈশব খেলতো বসে বসে নেই জ্বালা যন্ত্রনা আনন্দ খুশিতে ভরা বাস্তব বড় কঠিন জীবন বাঁধা নাগপাশে ।

আমার আমি বড্ড প্রিয়

সরলরেখা পথ সব সময় সরল হয়না। হিসেবে গরমিল হয়েই যায়।   আমার আমি নিজের আত্মবিশ্বাস টা একহাতে ধরে রাখে সবসময়। আসুক যত ঝড় ঝাপটা ,আপদ বিপদ, এসে ছিলো ও এক সময় অনেক বড় বড়  বিপদ নিজের আপনজনের উপর ।কখনো জীবন‌ও পরীক্ষা নেয় ,একসময় মনে হয়ে ছিলো যে এতো বড় বিপদ থেকে কি করে  রক্ষা পাবে ।  সে সময় ঠাকুরের আর্শীবাদ আর নিজের আত্মবিশ্বাসের উপর  ভর করে চলেছে।  অনেকটা জীবন পিছনে ফেলে এসেছে একটা কথা আমার আমি নিজেকে শিখাতে পেরেছে সবাই তোমার মত নয় সবাইকে অন্ধের মত বিশ্বাস করোনা । তার জন্য ভুলের মাশুল তোমাকেই  দিতে হবে। তথাপি সেই ভুলটাই আমার আমি করে ফেলে। অন্যায় আর মিথ্যা এই দুটোকে সহ্য করতে পারেনা যার জন্য প্রতিবাদ করতে গিয়ে অনেক সময় যা তা নয় শুনতে হয়েছে।  দায় দায়িত্ব পালনে আমার আমি বরাবর উদগ্রীব। জন্ম থেকেই যেনো সেটা সাথে নিয়ে এসেছে । অনেক অভিজ্ঞতার মাঝেই আমার আমি নিজেকে শক্ত মজবুত করতে শিখেছে। বারবার নিজেকে প্রশ্ন করে কতটা পথ নিজেকে স্বার্থত্যাগ করে চলতে হবে। নিজের ইচ্ছে স্বপ্ন  ভালো লাগা, ভালোবাসা আমার আমির মধ্যে খুব ভালো করে বাঁচতে শিখেছে । আমার আমিকে কে বুঝলো কে বুঝলো না সেটার অভিমান

আমার স্কুল জীবন

ছোটবেলার স্মৃতির কথা মনে পড়লে এখন‌ও সেই স্কুলের কথায় বেশি করে মনে হয়।স্কুলে কাটানো জীবনটা অন্যান্য জীবনের থেকে একদম আলাদা।সবথেকে সেরা,কাটানো কত খুশি আনন্দ ছোটবেলার স্মৃতিতে অম্লান আজ‌ও। কলেজ জীবন টা আবার একদম অন্যরকম,সেখানে পুরোনো বন্ধুদের  বা শিক্ষক শিক্ষিকা কাওকেই পাওয়া যায়না।সে সব স্মৃতি খুব একটা মনে জায়গা করতে পারেনি।স্কুল জীবনের স্মৃতিচারণ করে আজ‌ও আনন্দ পাই। আমার ছোটবেলার স্কুল জীবন কেটেছে দুটো স্কুল মিলিয়ে ।প্রথম যে স্কুলে পড়েছিলাম তখন‌ও সেটা গরমেন্ট হয়নি। কয়েকবছর পর অবশ্য হয়ে গেছিলো। যার জন্য দুটো স্কুলের অনেক স্মৃতি আজও ভুলতে পারিনি। ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস সেভেন অব্দি এক স্কুলে পড়েছি ।সেখানে ছেলেমেয়ে উভয়ে ছিলো,আর সেটা আমার খুব কাছে ছিলো ,বাড়ী থেকে হেঁটে‌ই যেতাম ।আবার টিফিনে বাড়িতে এসে নাকে মুখে দিয়ে টিফিনের পর  যে ক্লাসথাকতো সে অনুযায়ী ব‌ই নিয়ে ছুটতাম ।  তারপর  ক্লাস এইটে উঠলাম যখন  তখন বেঙ্গলী র্গালস হাইস্কুলে এডমিশন নিলাম সেখানে টেইন অব্দি। তবে সেটা অনেকটা দূর ছিলো পাবলিক বাসে আসা যাওয়া করতে হতো। এই যে দূরে গিয়ে স্কুলে পড়ার আনন্দটা একদম অন্যরকম ছিলো।কত

কুসংস্কারের একাল সেকাল

সংস্কার আর কুসংস্কার আমাদের সমাজে বহু যুগ ধরে চলে আসছে। লোকের বিশ্বাসে বছরের পর বছর  কুসংস্কার কে টিকিয়ে রাখে। পাপ পূণ্যের চিন্তা ধারা গুলো যেদিন আমাদের মনের থেকে চলে যাবে সেদিন থেকেই হয়তো আমরা কুসংস্কার মুক্ত হতে পারবো। আমি বেশ কয়েকবার তিরুপতি মন্দির গেছি,তখন দেখেছি পুরুষ মহিলা উভয়ে ওখানে চুল দিতে। আমরা আমাদের মনে নানান ইচ্ছে পূরণের কথা ঠাকুরের কাছে গিয়ে বলি ,ঠাকুর আমার এই মনস্কামনা পূর্ণ হলে তোমাই এতো টাকার পূজো দেবো, কেও সোনার টিপ দেবে কেওবা জোড়া কবুতর, নানান রকম মান্নতের কথা ঠাকুরের কাছে বলে আসে ।তাই মন্দিরে চুল দেওয়ার ব্যাপারটা আমার মনে হয় সেরকম কিছু একটা ।  এমন শুনেছি যেসব মন্দিরে এই চুল দেওয়া হয় সেগুলো বিক্রি করে প্রচুর টাকা আসে।একদিকে মানুষ নিজের থেকেও বেশী ভগবানের প্রতি বিশ্বাস।  অন্যদিকে মঙ্গল অমঙ্গলের কথা  ভেবে আমাদের মনকে ভয় ভীতি করে তোলে  ।  ভগবানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ইচ্ছেপূরণ জানানোর একেকজনের একেক রকম মান্নত করে। আর  এই অন্ধবিশ্বাসেই মানুষকে কুসংস্কারের পথে ঠেলে দেয়।

শ্রাদ্ধে লোকদেখানো দান দক্ষিণা খাওয়া দাওয়ার প্রয়োজন আছে কি????

শ্রাদ্ধ হিন্দু শাস্ত্রের মৃতের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের অনু্ঠান। মৃতের আত্মার শান্তি কামনা করে নানান রকম আচার রীতি নিয়ম পালন করে আজ‌ও ।আগে দেখেছি একমাস করতো।এখন সেটাকে কমিয়ে  নিজেদের সুবিধা মত কেও ১৩দিন কেওবা ১১দিন শ্রাদ্ধের কাজকর্ম করে। সব  রীতি নিয়ম মানুষেরেই তৈরী । সব যখন মানুষ তৈরী করে নেয় তখন শ্রাদ্ধের খাওয়া দাওয়া সেগুলো মানুষ খুব সহজে বন্ধ করতে পারে। মৃতের আত্মার শান্তি কামনায় যেটুকু নিয়ম আছে সেগুলো নিজেদের আত্মীয় স্বজন মিলে করে নিতেই পারেন যেগুলো একদম না করলে নয়। আজকাল তো দেখছি শ্রাদ্ধের দিন নিয়ম সেরে রাখে কারন সেদিন অনেকে খাওয়া দাওয়া পছন্দ করেন না ।তাই মৎস্য মুখেরদিন বেশ ভালো করে অনেক লোকজন কে নিমন্ত্রণ করে ভুরিভোজ করানো হয় ।সেটা কি উদ্দেশ্যে করায় সেটা বুঝতে পারিনা। মানুষ ও খুশি খুশি গিয়ে খেয়ে আসেন। খেয়ে দেয়ে এসে আবার বলেন খুব ভালো খাইয়েছে পদ ভালো হয়েছে আরও কত কথা। শ্রাদ্ধের খাওয়া দাওয়া কোনদিন পছন্দ করিনা।  পুরোনো যেসব প্রথা আজকাল অনেক কিছুই আগের মত নেই তাহলে শ্রাদ্ধের নামে এইসব খাওয়া দাওয়ার কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। যে বেঁচে থাকতে  শান্তি পায়নি স

আমার স্কুল জীবন

ছোটবেলার স্মৃতির কথা মনে পড়লে এখন‌ও সেই স্কুলের কথায় বেশি করে মনে হয়।স্কুলে কাটানো জীবনটা অন্যান্য জীবনের থেকে একদম আলাদা।সবথেকে সেরা,কাটানো কত খুশি আনন্দ ছোটবেলার স্মৃতিতে অম্লান আজ‌ও। কলেজ জীবন টা আবার একদম অন্যরকম,সেখানে পুরোনো বন্ধুদের  বা শিক্ষক শিক্ষিকা কাওকেই পাওয়া যায়না।সে সব স্মৃতি খুব একটা মনে জায়গা করতে পারেনি।স্কুল জীবনের স্মৃতিচারণ করে আজ‌ও আনন্দ পাই। আমার ছোটবেলার স্কুল জীবন কেটেছে দুটো স্কুল মিলিয়ে ।প্রথম যে স্কুলে পড়েছিলাম তখন‌ও সেটা গরমেন্ট হয়নি। কয়েকবছর পর অবশ্য হয়ে গেছিলো। যার জন্য দুটো স্কুলের অনেক স্মৃতি আজও ভুলতে পারিনি। ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস সেভেন অব্দি এক স্কুলে পড়েছি ।সেখানে ছেলেমেয়ে উভয়ে ছিলো,আর সেটা আমার খুব কাছে ছিলো ,বাড়ী থেকে হেঁটে‌ই যেতাম ।আবার টিফিনে বাড়িতে এসে নাকে মুখে দিয়ে টিফিনের পর  যে ক্লাসথাকতো সে অনুযায়ী ব‌ই নিয়ে ছুটতাম ।  তারপর  ক্লাস এইটে উঠলাম যখন  তখন বেঙ্গলী র্গালস হাইস্কুলে এডমিশন নিলাম সেখানে টেইন অব্দি। তবে সেটা অনেকটা দূর ছিলো পাবলিক বাসে আসা যাওয়া করতে হতো। এই যে দূরে গিয়ে স্কুলে পড়ার আনন্দটা একদম অন্যরকম ছিলো।কত

ধনী গরীব

একেই শরীরে একেই রক্ত মানুষের ভেদাভেদ মনে ধনী গরীব আসা যাওয়া একজনের হাতে সেই জানে  ধনী থাকে অট্টালিকায় সুযোগ সুবিধা আছে সবেতে   পেটের জ্বালা মেটায়  পথে পথে ঘুরে  রাত কাটে শুয়ে ফুটপাতে   রাতদিন খেটে খাওয়া গরিব সখ সৌখিনতার  কি বোঝে নামী দামী রেষ্টুরেন্ট কাপড় চোপড় ধনীকেই তো সাজে নুন আনতে পান্তা ফুরায়  ক্ষুধার্ত গরিবের  পেটের জ্বালা গরিবের সঞ্চয়ে ধনীর অপচয় কুকীর্তির  যত রঙ্গশালা  ধনীরা উড়ায় দুহাতে টাকা গরিবের ঝুলিতে দুটি টাকা গরিবের খাতায় লিখেছে নাম অসহায় হয়ে বেঁচে থাকা।