পোস্টগুলি

আমার কাছে আমার মা

আমার কাছে আমার মা,..... মা তুমি চলে গিয়েও এখনো সর্বদা আছো চোখের সন্মুখে...চোখ বন্ধ করলেই যেন তোমাকে অনুভব করি....মা কে কি কখনো যায় ভুলা মা মানে অনেক কিছু যা  লিখে যায়না প্রকাশ করা....কাছে নাইবা পেলাম তোমাকে তবুও তোমার স্নেহ মমতা ভালোবাসা সব কিছুকে  রেখেছি  আগলে হৃদয়ে... পৃথিবীর মধুরতম ডাক মা..... ছোট্ট এ শব্দের অতলে লুকানো থাকে গভীর স্নেহ, মমতা আর পৃথিবীর সবচেয়ে  অকৃত্রিম ভালোবাসা....… শৈশব থেকে আনন্দ বেদনা ভয় কিংবা উদ্দীপনা প্রতিটি মানবিক অনুভূতিতে জড়িয়ে  থাকে মায়ের নাম....... জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের সবশেষ আশ্রয়স্থল মা নামের ওই মমতাময়ী নারীর আঁচল..... একটি শিশু জন্মের আগে থেকেই মায়ের সান্নিধ্যে অভ্যস্ত হতে থাকে একটু একটু করে.......মায়ের ভেতর বেড়ে  ওঠার সময়টা থেকেই সন্তানের যে আত্মিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় মায়ের সঙ্গে, জন্মের পর সেটা ধীরে ধীরে কেবল  বাড়তেই থাকে..... মা আমাদের অস্তিত্বের এক অপরিহার্য অংশে পরিণত হন....  কবি কাজী নজরুল ইসলাম ঠিকই লিখেছেন:  পার হয়ে কত নদী কত সে সাগর  এই পারে এলি তুই শিশু যাদুকর!  কোন রূপ-লোকে ছিলি রূপকথা তুই,  রূপ ধরে এলি এই মমতার ভুঁই। পৃথিবীর সক

প্রাণের হিল্লোল

সবুজের সমারোহে ফুলে ফলে প্রাণের হিল্লোল প্রকৃতিজুড়ে আকাশ বাতাস মুখরিত  কৃষ্ণচূড়ার ডালে কুহুকুহু সুরে। পলাশ শিমুলে বসন্তের রঙ   বুকে প্রেমের আগুন জ্বলে বসন্ত মানেই  পূর্ণতা নতুন আবেগে  মনপ্রাণ ভরিয়ে তোলে। বসন্ত আনে  প্রেমের নেশা  ভালোবাসার রঙে প্রেমিক যুগল   ফাগুনের ফাগে রঙের উচ্ছাস  বসন্তের আঙ্গিনায় খেলে দোল।

বসন্তের রঙে রঙিন

✍️উমা মজুমদার ২৬/৩/২৪ বসন্তের রঙে রঙিন.... মন মাতানো ফাগুন রাঙা আকাশ  গাছে গাছে পলাশ শিমুলের মেলা  ভালোবাসার বীজ বুনে মনের গভীরে   কোকিলের কুহু সুরে মন উতলা। পলাশের রঙে রঙ মাখিয়ে মাতোয়ারা বসন্ত  এসে দাঁড়ায় সকলের দ্বারে রঙ রূপে ভরপুর চিরনবীন বসন্ত  কচি কচি পাতায় সবুজ রঙ ভরে। আকাশে বাতাসে উড়ে ফাগের আবির  দখিন হাওয়ার মাতাল সমীরণ  দৌলের রঙে রাঙায় একে অপরকে  হৈ হুল্লোড়ে বসন্ত উৎসব করে পালন।  আট থেকে আশি  রঙে মাতামাতি একে  অপরকে রঙ মাখে ভেদাভেদ সব ভুলে  প্রকৃতি জুড়ে বসন্ত ফাগুন ফুলের গন্ধে ভ্রমর পাগল গুন গুন করে ফুলে ফুলে। যাওয়া আসার ছকে বাঁধা জীবনটায়  বয়ে আনে কত আনন্দ খুশীর ছোঁয়া বিদায় বেলা এসেই গেল চৈত্রের বেলাশেষ বর্ষ বরণের আনন্দে পেটপুরে খাওয়া দাওয়া।

বাঁচার অবলম্বন

কবিতা দিবসে আমার  একটি কবিতা..... বাঁচার অবলম্বন...... ✍️উমা মজুমদার ২১/৩/২৪ কবিতা তোমাকে  ভালোবেসে পেয়েছি জীবনের  পূর্ণতা হারানোর নেই ভয় তোমার সাথে কতনা মোর সখ্যতা বাঁচার অবলম্বনে মনের  বাঁধনে বেঁধেছি তোমাকে  ভাবনার পাখনা মেলে চলি জীবনের আঁকে বাঁকে শব্দের মাতাল হাওয়ায়  হাজার  ছন্দের অনুরণন  কখনো বেদনা কখনো যন্ত্রনায় হয় হৃদের রক্তক্ষরণ শব্দের মায়াজাল বুনে সাজায় তাকে মনের মত করে যত কষ্ট যত আঘাত ভালোবাসায়   কবিতা গড়ে  কবিতার ছন্দে পড়ুক ঝড়ে হাজার শব্দের রং ছড়ায়ে কি লিখি তা জানিনা মনের কথা  লিখি ভালোবাসা দিয়ে।

তুমি নারী

তুমি নারী, তোমার তুলনা তুমি নিজে সৃষ্টির অতুলনীয় তুমি, নারী তোমায় সাজে নারী তোমার কত রূপ তুমি এক জননী    তুমি  হলে সকল সন্তানের গর্ভধারিণী   মাতৃরূপে করুণাময়ী মমতাময়ীর ভান্ডার     দিচ্ছো পরিচয় তোমার নিজস্বতার  কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলেছো পুরুষের সমান নিজের স্বত্বায় পরিচয়  নারীর যোগ্য স্থান  নারী নয় অবলা  নারীর আছে সমান অধিকার হবে না নারী লজ্জিত, নিজ হস্তে উঠাও হাতিয়ার।

কালের ফ্যাশন

 নারী পুরুষ উভয়ে  চলে কালের ফ্যাশানে   আজব যত সব  অলংকার মহিলার কানে     সাজপোশাকের নেই বালাই      আধুনিকতার ছোঁয়া সবটাই বদলে যেতে বসেছে জীবনযাত্রায় পরিবর্তনে।

শিক্ষার আলো

সকাল হলে বেড়িয়ে যায় দাদু মোষ নিয়ে সময় কাটে ভালোই দাদুর বাচ্চাদের পড়িয়ে। দাদু নাতির  দেখা হয় রোজ পথের ধারে ছুটির দিনে দাদুর কাছে পড়াশোনা করে। দাদু বলে নাতিকে বড় যদি তুমি হতে চাও  পড়াশোনা করো মন দিয়ে তবে শিক্ষিত হও। পড়াশোনার অনেক গুণ যদি লাগে কাজে জ্ঞানের আলো জ্বলবে দেখো সকলের মাঝে।