পোস্টগুলি

ভালোবাসার রং

মন যে বোঝেনা ভালোবাসা কারে  কয় প্রেমের যাঁতাকলে ভালোবাসা বোবা রয় জীবনে চলার পথে ভুল ভ্রান্তি পথ দেখায় উপরটা  দেখে কি মনের ভিতরটা বোঝা যায় জগতটা গোলকধাঁধা ভালো থেকে মন্দ ভালো সাদা কালোর ভেদাভেদে ভালোবাসার রং কালো ভালোবাসার হৃদয়টা থাকনা ভালোবাসার জন্য ভালোবাসাকে ভালোবেসে জীবনটাকে করো ধন্য।

ভালোবাসার ডাক

মন খারাপী একলা ঘরের আকাশ ভালোবাসার  ছটফটানি রাতের  আঁধার ক্লান্ত সময় বন্ধনের  মায়াজাল  আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা শূন্য ঘরে ভালোবাসার সংসার অন্ধকার একলা পথে বেড়িয়ে পড়ে ভালোবাসা   ঠিকানা খোঁজে মিছে কেন খুঁজো তাকে  হেথা হোথা ভালোবাসা   সবার হৃদয় মাঝে চেনা অচেনার ভীড় আপন ভেবে  ভালোবাসায়  আগলে  রাখে ভালোবাসার কাছে হৃদয় অসহায়  ফিরে আসে  ভালোবাসার ডাকে।

মা

মা যে আমার বড় আপন মায়ের হৃদয়ে আছে স্নেহ ধন মা  ডাকে  স্নেহ মমতা ঝরে মায়ের মুখটা খুব  মনে পড়

আমার স্বপ্ন পূরণ

কিছু চাওয়া যখন পাওয়াতে পরিনত হয়, তখন  সুন্দর এক অনুভূতির সৃষ্টি হয়। সেই অনুভূতি টা ভালোলাগা হয়ে তোমার হৃদয়ে স্থান করে নেয়। মনের অস্ফুট শব্দরা যখন প্রস্ফুটিত হতে চায়, তখন এক একটা ছন্দ  ফুলের মত সেজে উঠে কবিতা ।  খুব কঠিন শব্দ দিয়ে লিখতে পারিনা ,যখন যেমন মনে আসে তখন সেটা  খুব সহজ ভাষায় লিখে রাখি মনের পাতায়,বেঁধে রাখি কখন কাগজ কলম দিয়ে ,হারাতে চাই না  তাদের। ভালোলাগা শব্দরা সাজিয়েছে  আমার কবিতার পাতা। এই ব‌ইটিতে আমার  ৬২ টা কবিতা আছে।     গতকাল আমার জীবনের একটা সেরা দিন ছিলো। একটা সুন্দর মুহূর্ত কাটিয়েছি। আন্তর্জাতিক ব‌ইমেলাতে গিয়ে ।আমার নিজের স্বপ্নকে ছুঁয়ে দেখার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।  পৌষালী প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত আমার প্রথম একক সঙ্কোলন  " তবু মনে রেখো"   কবিতার বই প্রকাশ পেয়েছে।  যার হাত ধরে আমার এই সুন্দর প্রয়াস সফল হয়েছে সে  হলো আমাদের সকলের প্রিয় বন্ধু নামকরা প্রকাশক পৌষালী বিশ্বাস, পৌষালীকে আমার অনেক  ধন্যবাদ ও প্রাণভরা ভালোবাসা জানাই। আর আছে আমার  প্রিয় বন্ধু কেয়া এবং  প্রিয় দিদি স্মৃতিকনা দি ।তোমাদের দুজনের জন্য আমার অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা র‌ইলো ।

ইচ্ছেই বল

নিউজ চ্যানেল গুলোতে আজকাল যে সব খবর দেখায় সে সব দেখে মনটা দুশ্চিন্তায় থাকে। জয়তী আর অমিতের  দুই সন্তান নিয়ে সুখের সংসার ,।  অফিস যাওয়ার পথে  ছেলে মেয়েকে স্কুলে নামিয়ে দিয়ে যায়।     নিজের সব কাজ সামলে বাচ্চাদের  পড়াশোনারর দিকেও ভীষন নজর  ,জয়ীতার। নিজে গ্রেজুয়েশন করেছে তাই এখনও পর্যন্ত টিউশন রাখতে  হয়নি ,নিজেই  চালিয়ে নিচ্ছে।   তোমাকে স্কুটি চালানোটা  শিখে নিতে হবে জয়ীতা,,, বাচ্চাদের স্কুলে আনা নেওয়াটা তোমাকে এখন থেকে  করতে হবে, ,, প্রতিদিন বসের কথা শোনতে কার ভালো লাগে  বল ? তুমি  কি করে  যাবে ,,সেটা আমি ম্যানেজ করে নেবো ।.. রিক্সা করে আসা বাচ্চাদের এমনিতে নিরাপত্তা ন‌ই,,, সেটা  ভালো নয় কি, তোমার শিখে  নেওয়াটা।  ঠিক আছে ,  ভয় পেলে চলবে না,  বাচ্চাদের জন্য  আমাকে পারতেই হবে।  পারবে   জয়ীতা পারবে।

অস্থিরতা

গুনগুন কিছুতে বলতে পারছেনা  মাকে , চাকরি টা যে তার নেই। বছর দুয়েক আগে অনেক কষ্টে  চাকরিটা পেয়েছে।    হটাৎ  বাবার  অসুস্থতার  জন্য   গ্রেজুয়েশন টা  কমপ্লিট করেই  একটা  প্রাইভেট  কোম্পানিতে পার্টটাইম  জব  করে  সংসার চালাতো।     ভেবেছিলো মাষ্টারটা কমপ্লিট করতে পারলে  ভালো চাকরি যোগার করবে ,, সেটাও আর হলোনা।     পরিস্থিতির  কারণে   কোম্পানির ,কিছু  কর্মচারীকে ছাটাই করেছে। ,      সংসার কি করে চলবে সেটা ভেবেই  কূলকিনারা করতে পারছে না। গুনগনের মা কিছুটা হলেও বুঝতে পেরেছে। মেয়েকে এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সকাল সকাল মেয়েকে নিয়ে গানের রেওয়াজে বসে গেলো গুনগুনের কিছুই বুঝতে বাকি রইল না। মায়ের থেকেই গুনগুনের গানে হাতে খড়ি। মা খুব ভালো গান করতো।অনেকদিন গান শিখিয়েছে  বাচ্চাদের । মা চায়   আমিও মায়ের মত গানের চর্চা টা করে যাই। মা যে অলরেডি সবাইকে জানিয়ে দিয়েছে,  আগামীকাল থেকে গুনগুনের গানের স্কুলটা ছিল সেটাকে আবার শুরু  করবে,। গুনগুন‌ ও বুঝেছে পরিস্থিতির মোকাবেলায় সমাধানের পথ বেছে নিতে হয়।      

শব্দের বাগানে ঘুরে ফেরি, তাদের যত্ন করে মনের মত গড়ে তুলি ছোট ছোট শব্দের চারা গাছ।