পোস্টগুলি

2020 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

জীবনের রং

বিস্তির্ণ আকাশ মনের খোলা জানালা রংধনুর সাতরঙে ইচ্ছেদের ডানা মেলা দূর দিগন্তে স্বপ্নরা ছুটে মেঘের হাত ধরে চাওয়া পাওয়ার হিসেব বাস্তবতার ভীড়ে শহরের কোলাহলে সহস্র শব্দের গল্প কথা ক্ষত বিক্ষত মন ভরে দেয় কবিতার  পাতা নিস্তদ্ধ রাত সঙ্গী হয় একাকিত্বের ব্যাথায় জীবনের সত্য মিথ্যা  সময়ের কাঠগড়ায় চেনা পৃথিবীর অচেনা মানুষ মেপে কথা বলে হারানো দিনের বোঝা নিয়ে স্মৃতি বয়ে  চলে মনের ছেঁড়া পাতায়  নতুন  শব্দের করি খোঁজ সৃষ্টির খেলায় অটল দিন রাত্রি আসে রোজ।

আসছে দুই হাজার একুশ

বছর আগে এসেছিলে দু হাজার বিশ এমন এক রাতে অভিশপ্ত সেই রাত একটি বছর খেলেছো জীবনের সাথে অনেক হলো প্রাণ নিয়ে খেলা  এবার তুমি  নাও বিদায় বেদনার স্মৃতিগুলো মুছে দিতে চাই আগামীর প্রত্যাশায় প্রতিদিন যাচ্ছে কত প্রাণ মৃত্যুর শহরে বেঁচে আছি রাতদিন শুধু বাঁচার লড়াই  নতুন আশায় বুক বাঁধছি দুঃখ নেই মনে আজ এতটুকু তোমায়  বিদায় জানাতে বিষ মুক্ত হবে আকাশ বাতাস নতুন এক প্রভাতে দুঃস্বপ্ন ভেবে ভুলে যাবে সকলি তোমায় বিদায় জানিয়ে বাঁচবে  আবার  নতুন করে আশার আলো জ্বালিয়ে আসছে  দু হাজার একুশ আনন্দ খুশীর ঝোলা বয়ে সান্টার হাত ধরে নাচবে সবাই পুরোনো স্মৃতি ভুলে গিয়ে।

ছোটবেলা

ছুটি ছুটি বলে না কেও  বাজে না ছুটির ঘন্টা নিত্য নৈমত্তিক  একঘেয়ে  উদাসী জীবনটা চিৎকার করে বলি আয়না  ফিরে আর‌ও একবার কাটাই  তোর সাথে সব ভুলে  ছুটির দিন আবার কি করে বলি তোকে আজ যে   শুধু ছুটি ছুটি ব‌ইপত্রের পাট চুকিয়ে  তোকে ছাড়া দিন কাটি অলস দুপুরে খুঁজে ফেরি  টিফিনের সেই আধাবেলা চলতে চলতে শেষবেলায়  খেলছি শুধু লুকোচুরি খেলা গোধুলী রং মেখে উদাসী বিকেল স্মৃতিতে শৈশব খোঁজে বড় হ‌ওয়ার নেশায় ধূলোমাখা পথে  একলা ফেলে গেছে গতানুগতিক পথ স্মৃতির ভান্ডারে  তাকে খুঁজে চলেছি তুই যে বড় আদরের সব পেয়েও  আজ তোকে হারিয়েছি।

আঁধার আলো

সৃষ্টির ওপারে  আঁধার আলোর অন্তহীন খেলা ঘরের বধু জ্বালবে প্রদীপ অপেক্ষায় সাঁজ বেলা ধূলো  পথে ফিরছে পথিক আপনজন ফিরবে ঘরে ঠিক পাখীরা ফেরে আপন কুলায় আলোর অপেক্ষা ভোরবেলা।

ছুটি ছুটি

ছুটি ছুটি বলে না কেও বাজে না ছুটির ঘন্টা নিত্য নৈমত্তিক  একঘেয়ে উদাসী জীবনটা চিৎকার করে বলি আয়না ফিরে একবার কাটাই  তোর সাথে ছুটির দিনটা  আবার কি করে বলি তোকে আজ শুধু ছুটি ছুটি ব‌ইপত্রের পাট চুকিয়ে তোকে ছাড়া দিন কাটি।

জীবনের তাল

জীবনের ছন্দে বেজে যায় জীবনের একতারা   কখন‌ও সুখ কখন‌ও দুঃখ ছন্দে বাজে তারা রিনিঝিনি নুপুরে মিষ্টি মান অভিমান বিশ্বাস অবিশ্বাসে তাল কাটে সমান সুর ও তাল  ঠিকঠাক হলেই জীবনের ছন্দটা হয় সেরা।

জীবনের রং

বিস্তির্ণ আকাশ মনের খোলা জানালা রংধনুর সাতরঙে ইচ্ছেদের ডানা মেলা দূর দিগন্তে স্বপ্নরা ছুটে মেঘের হাত ধরে চাওয়া পাওয়ার হিসেব বাস্তবতার ভীড়ে শহরের কোলাহলে সহস্র শব্দের গল্প কথা ক্ষত বিক্ষত মন ভরে দেয় কবিতার  পাতা নিস্তদ্ধ রাত সঙ্গী হয় একাকিত্বের ব্যাথায় জীবনের সত্য মিথ্যা  সময়ের কাঠগড়ায় চেনা পৃথিবীর অচেনা মানুষ মেপে কথা বলে হারানো দিনের বোঝা নিয়ে স্মৃতি বয়ে  চলে মনের ছেঁড়া পাতায়  নতুন  শব্দের করি খোঁজ সৃষ্টির খেলায় অটল দিন রাত্রি আসে রোজ।

হেমন্তিকা

নতুন দিনের নতুন আশায় ষড়  ঋতুতে ধরিত্রী সাজে আসা যাওয়ার রীতি নিয়মে  বিদায়ের সুর বাজে আলো জ্বেলে  আসে মা শ্যামা সকল আঁধার যায় কেটে মিষ্টি আলোকে দিবাকর হাসে সোনালি ধানে ভরা মাঠে শিরশিরে হিমেল হাওয়া   কুয়াশার চাদরে শহর  ঢাকা হিমবায়ুর পালকি চড়ে নেমে  আসে যে  হেমন্তিকা রূপের রাণী সুখের বানী  নবান্নতে খুশীর হাওয়া উদাসী মনে ঝরা পাতা  নতুনের পথ চাওয়া মাঠে মাঠে সোনালি  ধান  ঘরে ঘরে  উৎসবের খুশী হেমন্তের আলোকচ্ছটায় কৃষকের  মূখের  হাসি নতুন ধানের  সুঘ্রানে  খেজুড়  গুড়ের  রসে মায়ের হাতে পিঠে পুলি   কে না খেতে  ভালোবাসে।

মনের কথা

মন রে  তুই কেন শুনিস না কথা  ছুটা ছুটি করিস না পাবি ব্যাথা বাঁধ মন টাকে শক্ত করে ভালো থাকবি এই সংসারে শিখে নে ভালো থাকার মন্ত্রটা  মনের  সাথে  কর সমঝতা।

ঝরা শিউলি

বিবাহিত জীবনে গত ২৭টা বছর ঘুটঘুটে কালো অন্ধকার ছিলো ,,,,,,,,,,আজ সেই অন্ধকার যেন এক নিমেষে আলোয় পরিনত করে দিলো তার মেয়ে অনন্যা,,,,,,, অমিতের সাথে ভালোবাসা করে বিয়ে করেছিলো,,,,, ,,,,,,আজ ভাবতে কষ্ট হয় কেন অমিতের মত একটা ছেলেকে সেদিন ভালোবেসে ছিলো ,,,,,কত স্বপ্ন নিয়ে না অমিতের সাথে ঘর বেঁধেছিলো,,,,,,,,, কোথায় ছিলো সেদিন অমিতের ভালোবাসা ,,,,,,,,,কেন সেদিন সে বলতে পারেনি কিছু ,,,,,,,, শেষে কিনা মেয়ে ,,,,,,,,, বংশে বাতি দেবে কে ?? ঝাঁঝিয়ে ওঠেন শাশুড়ি মা বীণা দেবী ,,,,,,,, আপনি দেখবেন মা ও একদিন বংশের মুখ উজ্জ্বল করবে,,,,,,, করুন সুরে বলে শিউলি,,,,,,, ওকে আমরা মানি না,,,,,,,,,এ মেয়ে জন্মানোর চেয়ে মরাই ভালো ,,,,,,,,, অমিতের মধ্য সেদিন একটুকু ভালোবাসার স্পর্শ ও সহমর্মতির হাত দেখতে পেলো না,,,,,,,,, হাজারো পুরানো স্মৃতি কথা মানসপটে একের পর এক মনে পড়তে লাগলো,,,,,,, সেই কালো অমাবষ্যার রাত শিউলি আজও ভুলেনি,,,,,,,,, এক কাপড়ে সেদিন শিউলি মেয়ে অনন্যাকে নিয়ে বেরিয়ে এসেছিল শ্বশুরবাড়ি থেকে ,,,,,,,,,,,,, সেদিন এই কঠিন সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়ে ছিলো,,,,,, শিউলি যে জীবনে এমন একটা দুঃসাহসিক সিন্ধান্ত

মা আসছেন

কৈলাশ থেকে আসছে মা  সঙ্গে চার ছেলেপুলে মায়ের আগমনে আনন্দের উল্লাস  পূজোর গন্ধ শিউলি ফুলে বাজলো তোমার আলোর বেনু   মাতলো রে ভূবন  মা আসছে বাপের বাড়ী খুশীতে  নাচে মন শঙ্খ উলুধ্বনি আর ঢাকের আওয়াজে করবো  মাকে  দু হাতে বরণ বেজে উঠেছে মায়ের শঙ্খধ্বনি করবে এবার মা অসুর নিধন তুমি যে অসুর বিনাশিনী শক্তিরূপিণী দেখাও তোমার রূপ মহিষাসুর মর্দিনী ধংস করো মা এই অসুর শক্তি বিনাশ করো যত অপ শক্তি তুমি মা দুর্গতিনাশিনী।

নবপত্রিকা

..................... আকাশে বাতাসে মহা  শক্তির আগমনী সকল কষ্ট ভুলায় মাগো  তোমার  মূখখানি মন্ডপে মন্ডপে দেবীর অধিষ্ঠান  শঙ্খ উলুধ্বনিতে পূজোর সকালে স্নান সেরে  লাড়পাড় শাড়ীতে কলাব‌উ সেজে মাথায় ঘোমটা  তুমি জগৎজননী নয়টি  গাছে তোমার সৃষ্টি  দেবী নবপত্রিকাবাসিনী ঢাকের বোলে পূজোর মন্ত্রাচ্চোরনে শুরু হয় পূজোর আয়োজন সপ্তমীর সকালে মহা সমারোহে তোমার  হয় স্থাপন অবগুন্ঠিতা বধূ সেজে থাকো তুমি দেবীর ডান পাশে  নব দূর্গা নবপত্রিকা দেবীদূর্গার প্রতীক পরিচয় তোমার অশুভ শক্তিনাশে।

মায়ের রূপ

প্রতিমাতেই নয় প্রতি মা তেই মা থাকে এটা যেমনটা সত্যি তেমনেই চিরন্তন,,,,,,,, সন্তানদের জন্য এক মা দূর্গার রূপ ধারন করে দশভূজায়  যেমন সংসার সামলায় তেমনি দরকার পড়লে  মহিষাসুর মর্দিনী সাজতে পিছুপা হোন না,,,,,,,, একেক সময় খুব মনেহয় সে ই কাকিমার কথা,,,,,,,,,,,, আমরা উনাকে কাকিমা বলেই ডাকতাম,, খুব কাছ থেকে এক মা কে  লড়তে দেখেছি তার পরিবারের জন্য,,,,,,,,,  কাকিমার স্বামী মানে কাকু খুব ভালো পোষ্টে রেল‌ওয়েতে কাজ করতেন ,,,,,,,,,,আর কাকিমাও কর্মরতা মহিলা ছিলেন ,,,ভালো সরকারী অফিসে কাজ করতেন ,,,,,, চার ছেলে মেয়ের সংসার কোন অভাব কষ্ট ছিলো না,,,,,,,,,তথাপি বলে না যে এই জীবনে সুখ সবার ভাগ্যে থাকে না ,,,,,,,,,,, কিন্ত কাকিমার জীবনটা অন্যান্য মহিলাদের মত ছিলো না ,,,,,,,,, ছোটবেলা থেকেই সে কাকিমাকে দেখে দেখে যেন আমরা বড় হয়েছি,,,,,,,,,একজন মা একজন স্ত্রী  হতে হলে কতটা ধৈর্য্য সহনশীলতার প্রয়োজন সেটা কাকিমাকে না দেখলে সত্যি বুজতাম না,,,,,,,,, সেই কাকিমাকে দেখে পাড়ার মা কাকিমারা‌ও কতটা অনুপ্রেরনা পেয়েছে সেটা হয়তো বলতে পারবো না,,,,,,,,,, কিন্ত কাকিমাকে নিয়ে  যথেষ্ট সমালোচনা হতো  সেটা কাকিমা নিজ

সোশ্যাল মিডিয়া

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের আধুনিক জীবনে একটা নতুন বাস্তবতা ,,,,,,,,এটার সাথে প্রতিদিন আমাদের উঠা বসা চলছে,,,,,,,,, বিবর্তনের  স্রোতে গা ভাসিয়ে মানবসভ্যতা অনেকদূর এগিয়ে গেছে ,,,,,,,,এখন আর মানুষ বসে বসে পত্রিকার পাতা ঘাঁটা ঘাঁটি করে না,,,,,,,,,,,,আমাদের চারপাশে বা দেশবিদেশে কি ঘটছে সেগুলো একনিমেষেই পেয়ে যাচ্ছে ,,,,,,সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মাঝে মধ্যেই এমন এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে যে সেটা সমাজে অপ্রীতিকর ঘটনার সৃষ্টি করে,,,,,,, এখানে ভালো খারাপ দুটোই আছে,,,,,,,, কিন্ত সারা বিশ্বেই এখন সোশ্যাল মিডিয়া এতটাই  শক্তিশালী হয়ে উঠেছে যে কোন কিছুই আর ঢাকা চাপা থাকে না,,,,,,,,,, বিশ্বজুড়ে এখন সোশ্যাল মিডিয়া একটা আলোড়ন সৃষ্টি করছে,,,,,,,অনেকে আবার এই সোশ্যালমিডিয়াকে হাতিয়ার করে নানা ধরনের গুজব খবর ছড়াচ্ছে,,,,,,, টিভি খুললেই আজকাল নানা ধরনের চ্যানেলে নানা ধরনের খবর আসছে তা দেখে  সত্যি মাথাটা খারাপ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়ে যায়,,,,,,,,মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য  সোশ্যাল মিডিয়াকেই তারা বেছে নেয়,,,,,,ব্যাক্তি গত আক্রোশ ,রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব সবকিছুই সোশ্যাল মিডিয়া একটা বড় প্ল্যাটর্ফোম হয়েছ

শব্দের আত্মকাহিনী

শব্দের আত্মকাহিনী ২৪/৯/২০২০ মনের কারাগারে বন্দী  প্রানহীন কলম দেয়নি স্বাধীনতা কোনদিন তবুও পাশে থাকে  কবির  ‌কল্পনায় শব্দের ডানা মেলে উড়ে যেতে চায় কত কান্না কত দুঃখে ক্ষত বিক্ষত হাজার শব্দের ভীড়ে তারা বড় ক্লান্ত কিছু হারিয়ে যায় মনের ব্যর্থ ভাবনায় অসহায় কিছু কলম আঁকড়ে বাঁচতে চায় যত‌ই অগোছালো এলোমেলো শব্দের খেলাতে   বেঁচে থাকুক তারা এভাবে কলম আর কালিতে।

আগমনীর সুর

নীলাকাশে বাঁধন হারা মেঘ  চলে দলে দলে শরতের ছোঁয়ায় পূজোর গন্ধ   শিউলি ফুলে মা আসছে কৈলাশ থেকে  একটি বছর পরে খুশীতে আজ মন মেতেছে  আগমনীর সুরে  কাশ ফুলেরা ঢেউ তোলে  শরতের গান গেয়ে শিশির ভেজা ঘাসে শিউলি ঝরে  মিষ্টি সুবাস নিয়ে।

মেয়েদের ঠিকানা,,,,

মেয়েদের নিজেদের আদৌ নিজের বলে কিছু থাকে,????,,,,,,,, যে বাড়ীতে ছোট থেকে বড় হয় একদিন সব ছেড়ে ছুড়ে  অন্য একটা বাড়ীতে তাকে চলে আসতে হয় তখন সেই চেনা বাড়ীটা একদিন কখন যে পর হয়ে যায়  নিজেই জানে না,,,,,,,,  আর যে বাড়ীতে আসে সে বাড়ীটাতে সব সময় পরের বাড়ীর মেয়ে হয়ে থেকে যায় ,,,,, যে বাড়ীটাকে ছোট থেকে এতদিন বড় নিজের বলে মনে হতো  একদিন যখন তাকে বলাহয় কোথায় যাচ্ছো বাপের বাড়ী  তখন সত্যি অবাক লাগে শুনতে ,,,,,,,পাড়া প্রতিবেশী বা নিজের বাড়ীর লোকজন অনেক বলতে শোনা যায় কিরে কতদিন থাকবি বাপের বাড়ী  এক কথায় বুঝিয়ে  দেওয়া হয় তোমার বিয়ে হয়ে গেছে শশুর বাড়ীটা এখন তোমার বাড়ী  ,,,,,,কিন্ত সেখানেও যখন  শশুর শাশুরি বলে এখানে তোমার কোন মন মানি চলবে না এটা তোমার বাপের বাড়ী পাওনি ,,,,যখন একটা মেয়েকে এসব কথা শুনতে হয় তখন  মনে হয় সত্যি মেয়েদের নিজের বলে কিছুই কি নেই,,,,,,সব সময় একটা মেয়েকে‌ই কেন তার নিজের জায়গাটা খুঁজে নিতে হয়????  বছরের পর বছর ধরে এই একেই প্রথা চলে আসছে  বাপের বাড়ী শশুর বাড়ী,,,,,,একটা মেয়ে জন্ম হ‌ওয়ার পর থেকে‌ই তার মধ্যে একটা কথা ঢুকিয়ে দেওয়া হয় যে এটা

নতুন প্রজন্ম

সমাজ পরিবর্তনশীল,,, এখানে দিন দিন নতুন নতুন পরিবর্তন ঘটছে,,,, এর মধ্যে যেটা সব থেকে পরিবর্তন হচ্ছে সেটা হলো পারিবারিক সম্পর্ক,,,,,পরিবর্তিত সময়ে আমরা লক্ষ করছি সমাজে কিছু জিনিষ যেমন আমাদের অভ্যাস, আমাদের জীবন যাপন  খুব দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে ,,,পারিবারিক বন্ধন গুলো ভেঙ্গে যাচ্ছে,,,,এখন নতুন প্রজন্মের সাথে অভিভাবকদের  মতের মিল কিছুতেই খাপ খাওয়াতে পারছে না,,,,, এখন প্রশ্ন উঠছে এই পরিবর্তন কি নতুন প্রজন্মের  জন্য খুব লাভদায়ক ?????  আমি মনে করি সেটা মোটেই না,,,,, তাই আমি আমার কিছু অভিজ্ঞতাও  মতামত এখানে শেয়ার করতে চাই,,,,, পুরানো প্রজন্ম দের সাথে নতুন প্রজন্মের অনেক মতবিরোধ থাকতেই পারে তাই বলে সবকিছু তাদের উপর ছেড়ে দেওয়াটা খুবে বোকামী বলে মনে করা হবে,,,,, ,,, প্রতিটি প্রজন্ম একটি নিদিষ্ট সময়ের সাথে জীবন যাপন করে,,,,, এতে কোন সন্দেহ নেই যে  এখনকার সময়টা নতুন প্রজন্মের জন্য অনেক টা প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার মত,,,,,অভিভাবক ও নতুন প্রজন্ম দু পক্ষকে‌ই সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হচ্ছে,,,,,,, নানা রকম মতবিরোধ থাকা সত্বেও অনেক সময় সন্তানদের কথা শুনতে হয় অভিভাবকের,,,,,,,,,, তবু‌ও আমি মনে

বাইলাকূপ ভ্রমন

বেড়ানো  আমার একটা নেশা ,,,,সেটা একদিনের জন্য হ‌উক বা কিছুদিনের জন্য হউক তাতে কোন অসুবিধা নেই ,,,,,বেড়াতে যেতে পারলেই হলো,,,,,কিছুদিন হয়ে গেলে মনের ভিতর যেনো কেমন করে ইস,,,একটু যদি কোথাও  ঘুরতে যাওয়া হয় মন্দ হয় না,,   এই বছর মে মাসে একটা ট্যুর ছিলো সবাই মিলে বেড়াতে যাওয়ার ,কিন্ত  করোনার তান্ডবলীলায় সব পন্ড হয়ে গেলো,,,,,,, বেড়াতে তো যেতে পারবো কিন্ত এখন সব থেকে যেটা সেটা হলো সবার সুস্থ কামনা,  সবাই একটা সুস্থ জীবনে ফিরে আসুক এটাই ঠাকুরের কাছে প্রার্থণা। দুদিনের ভ্রমন..…..."বাইলাকূপ " বৌদ্ধ গোল্ডেন টেম্পল। নতুন বছরের আগমন ,চারিদিকে সবাই পার্টি ,পিকনিক আড্ডা এইসব নিয়ে ব্যাস্ত সবাই,,, তার‌উপর ব্যাঙ্গালোরের রাস্তা ঘাটে  দম বন্ধ ট্রাফিক  ,,,,, তখন আমার  মনে হলো  চলো না যাই কোলাহল মুক্ত শহর থেকে দূরে কোথাও একটু ঘুরে আসি,,,সেইঅনুযায়ী প্লান করা হলো  বাইলাকূপ যাওয়ার । ১৯শে জানুয়ারী ভোর ৫টায় উঠে স্নান সেরে এককাপ চা বিস্কিটখেয়ে বাইলাকূপের জন্য র‌ওনা হোলাম,,, ৪ঘন্টার রাস্তা ,,,,,  রাস্তাতে কোথাও ব্রেকফাষ্টটা সেরে নেবো,,,,তাই ৮টার মধ্যে বেড়িয়ে পড়েছি কারন  ৪.৩০  বৌদ্ধ টেম

অঙ্গীকার

ভারত মাতার সকল বীর সন্তান জেগে উঠো   সময় এসেছে ভারত মাকে রক্ষা করার অনেক  সংগ্রাম রক্তক্ষয়  অশ্রুজলের বিনিময়ে  পেয়েছি মোরা তেরঙ্গা পতাকা  ভারত মাতার বৃটিশ পুলিশের গুলি রক্তাক্ত শরীর  তবুও থামেনি পথ  সামনে  এগিয়ে চলা আতঙ্ক ভয় হিংসা ধর্ম বিদ্বেসের কালো অন্ধকারে  ভারত মায়ের আঁচল  আজ হয়েছে  কালা হাতে তেরঙ্গা মূখে বন্দেমাতরম শেষ রক্ত বিন্দু দিয়েও  স্বপ্ন ছিলো শুধু স্বাধীনতার লক্ষে তেরঙ্গা আমাদের অমূল্য প্রাপ্তি গর্ব দেবো না কারো হাতে  কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে করবো আমরা ভারত মাকে রক্ষে।

স্বাধীন ভারত

স্বাধীন ভারত স্বাধীন ভারতের আমরা নাগরিক এটা শুনতে যেমন ভালো লাগে  বলতে‌ও তেমন ভালো লাগে ,,,স্বাধীন আমার জন্মভূমি আমার স্বদেশ,,,,,, যাদের জন্য আমরা স্বাধীনতার মূখ দেখেছি  তাদের কথা কি করে ভুলি,,,,,,,লক্ষ লক্ষ মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন ,,,,,,,বিপ্লবী মহাপরুষরা হাসতে হাসতে ফাঁসীর দড়িকে চুম্বন করেছেন,,,,,,হাজার হাজার স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ফাঁসী,দীপান্তর, কালাপানির অবর্নণীয় নির্যাতন আর রক্তের বিনিময়ে আমাদের এই স্বাধীনতা,,,,,,,,,আজকে আমরা যে ভারতবর্ষকে দেখছি তার থেকে মনে হয় পরাধীন হয়ে থাকা ভালো ছিলো নয় কি???,,,,,,,,,খুব কষ্ট হয় যখন  দেখি আমরা একেই দেশের ভারত মায়ের সন্তান হয়ে   যখন নিজের দেশকে বদনাম করার জন্য উঠে পড়ে লাগে,,,,,, বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে আমরা কি  বলতে পারি সত্যি আমরা স্বাধীন,,,,,,,,,নাকি  স্বাধীনতা দিবসের দিন  কিছু হোয়াটস অ্যাপ বা ফেসবুকে কিছু পোষ্ট দিয়ে আমরা বলি আমরা স্বাধীন আমরা স্বাধীন ভারতের নাগরিক,,,,,,,শুধু বৃটিশ শাসকদের হাত থেকে মুক্তি লাভ করাই শুধু স্বাধীনতা হোতে পারে না ,,,,,,,  যেসব শহীদের আমরা শ্রদ্ধাঞ্জলী দিচ্ছি  যাঁদের  রক্ত লেখা হয়েছিলো ভারতের স্বাধীনতার

স্বাধীনতা তুমি

স্বাধীনতা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি ভারত বর্ষ আমার জন্মভূমি নানা ভাষা নানা জাতি কত না    বেশভূসা জননী জন্মভূমি তোমাতেই আমার     ভালোবাসা আমার দেশ আমার গর্ব আমার          ভারতবর্ষ কত শহীদের রক্তে লেখা নাম          ভারতবর্ষ সুজলা সুফলা শষ্য শ্যামলা ভারত            আমার দেশ  বিশ্বের দরবারে  শীর্ষ শিখরে          আমার স্বদেশ তাই তো মোরা গর্বে বলি এই দেশেতে  জন্ম যেন এই দেশেতে মরি  সকল দেশের সেরা দেশ আমাদের সদায় যেন বলতে পারি যাদের জন্য পেয়েছি মোরা স্বাধীনতা কি করে ভুলি তাদের বলিদানের কথা কত রক্ত ঝড়েছে এই দেশের মাটিতে গাঁথা হয়ে আছে লক্ষ লক্ষ শহীদের  আত্মবলিদান ইতিহাসের পাতাতে যাঁদের জন্য পেলাম স্বাধীনতা শ্রদ্ধাঞ্জলী  দিয়ে করছি তাঁদের স্মরন ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকা উড়িয়ে করি  মোরা ভারতমাতাকে নমন। ©️উমা মজুমদার  ১৫/৮/২০২০

শুভ জন্মাষ্টমী🙏🙏🙏🙏

এলো তোমার শুভ জন্মদিনের শুভক্ষন  বর্ষনমূখোর মহাভাদরে দৈবকীর কোলে জন্ম নিলে তুমি  মাতুল  কংসের কারাগারে চারিদিক আলোয় উদ্ভাসিত করে ভাদ্র  মাসের  অষ্টমী তিথিতে  বিষ্ণুর মহাবতার পবিত্র হলো ধরাভূমি  জন্ম নিলে তুমি এ ধরাতে  দয়াল হরি দিনের দীনবন্ধু পরমেশ্বর আছো   যে সদায় হৃদয় মাঝে  শঙ্খ চক্র গদা পদ্ম ধারনকারী  তুমি জগৎ  সংসার প্রাণদাতা সকলের কাছে  মথুরা বৃন্দাবন  আলোয় আলোকিত জন্মাষ্টমী তিথির  মহা ধূমধাম মন্দিরে মন্দিরে ভক্তদের সমাগম প্রভুর দর্শনে জপিছে  অনন্ত কৃষ্ণনাম শান্তি কল্যান মানবতাবোধের শক্তিতে প্রানিত  হোক তোমার এই শুভ জন্মক্ষন দূর করো প্রভু  মহামারীর কালো ঘনাঘটা পৃথিবী জুড়ে  ছড়িয়ে পড়ুক তোমার কৃপা বর্ষণ।

শ্রাবণী পূর্ণিমা

ফুলে ফুলে সেজেছে কদমতলা  সখীরা সব নৃত্য করে  প্রেমের জোয়ার এলো বৃন্দাবনে  কৃষ্ণের বাশীঁর সুরে তমাল তরু শাখে শ্রাবনের  ঝুলা ঝুলে কৃষ্ণ সনে রাধা রানী প্রেমের  দোলায় দোলে কৃষ্ণ প্রেমে রাই পাগল , এই মধুমাসে  মধুমিলনে একেই অঙ্গে দুটো প্রাণ  মিলিছে আজ যুগল মিলনে ললিতা বিশাখা দোলা দেয়  রাধা কৃষ্ণের দোলায় আকাশ ভরা  চাঁদ জ্বল জ্বল করে  শ্রাবনী পূর্ণিমায়।

২২শে শ্রাবন🙏🙏🙏

, আজ ২২শে শ্রাবণ,,,,কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়ান দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করি🙏🙏🙏🙏🙏💐💐💐💐 আজ ২২শেশ্রাবণ,,,,,,,,,বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র কবিগুরু  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস,,,,  এমনই এক বর্ষার দিনে তাঁর বিদায় যাত্রা হয়েছিল,,,,,, বর্ষণ মুখরিতরাতে স্তব্ধ হয়েছিল তাঁর দিন রাত্রির কাব্য রচনা,,,,, বিদায় নিয়েছিলেন আমাদের সকলের প্রিয় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,,,,,,,  ১৩৪৮ সালের এই দিনেই তাঁর প্রিয় ঋতুতে নির্বাপিত হয়েছিল কবির জীবনপ্রদীপ বর্ষাই ছিল কবির সবচেয়ে প্রিয় ঋতু,,,,,,,,,,, বাঙালির প্রাণের এ কবি নশ্বর পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলেও অসামান্য রচনা ও কাজের মধ্যে  আজো বেঁচে আছেন তিনি প্রেরণা দাতা হয়ে......... কে বলে তুমি নেই,,,,, তুমি আছ আমাদের  আত্মার ভিতরে,,,,,, আমাদের  প্রতিটি স্বত্ত্বায়,,,, আজো তোমার বিচরণ,,,, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কবিতায় লিখেছিলেন ‘মৃত্যু দিয়ে যে প্রাণের মূল্য দিতে হয়,,,,,,,সে প্রাণ  অমৃতলোকে,,,,মৃত্যুকে করে জয়,,,,,, বাস্তবেও সৃষ্টির মধ্য দিয়ে অনুকরণীয় কর্মের মধ্য দিয়ে মৃত্যুকে জয় করেছেন তিনি,,,,,,,  তাই তো সতত তিনি রয়েছেন বাঙালির মণিকোঠায়,,,,,,

মনের কষ্ট

প্রতিদিন সূর্যের লাল রঙ গায়ে  মেখে আকাশের ঘুম ভাঙ্গে ,,,,সেই সাথে রুমির ও ঘুম ভাঙ্গে ,,,কিন্ত আজ সকালটা যেন অন্যভাবে হলো,,,, ,,,সকাল হ‌ওয়ার আগেই রুমির ঘুম ভেঙ্গে  গেছে,,,,,, গতকাল ফোনটা আসার পর থেকেই মন মেজাজ খুব খারাপ,,,,,, সারা রাত ভালো করে ঘুম হয়নি একটা চিন্তাই বার বার রুমিকে অস্থির করছিলো ,,,,,,,  কাল থেকে প্রচন্ড বৃষ্টিও হয়ে চলেছে ,,,,,,থামার কোন  নাম নেই ,,,,,,,,আজ রুমির সাথে সাথে বর্ষাও যেন অঝড়ে কেঁদে চলেছে ওর ভিতরে‌ও কি এত কষ্ট হচ্ছে  ,,,,,,,,  রুমির‌‌ও চোখ দিয়ে অনবরত জল গড়িয়ে পড়ছে ,,,,,,, চারিদিকে লকডা‌উন চলছে,,,,,কোথাও বাহির হতে হাজারবার চিন্তা করতে হয়,,,,, কোন কিছু আর ভালো লাগছে না,,,,,অন্য সময় হলে কবেই দৌড়ে চলে যেতো মা র কাছে,,,,,, কেন ঠাকুর তুমি এমন করলে,,,,  বার বার  যেন রুমির  মনটা এই বলে কেঁদে উঠছে,,,,,,, বাবাকে‌ও যে রুমি ও তার ভাই বোনরা বেশীদিন পাইনি,,,,,, ভগবান এত নির্দয় হতে পারে না,,,,,,কয়েক মাস আগে‌ও মা কে ভালোই দেখে এসেছিলো,,,,,,,, মা কে দেখার জন্য মনটা খুব ছটফট করছিলো ,,,,,,,মা‌ ও যে খুব খুশী হয়েছিলো রুমিকে দেখে,,,,,,,  অনেক বছর আগে যখন মা র অপারেশন

আজ এই বর্ষা দিনে তুমি এলে

 এই বৃষ্টি ভেজা দিনে  রিনি ঝিনি নূপুরে  চুপি চুপি এলে তুমি  আমার মনের ঘরে  তোমার শীতল স্পর্শ  ছুঁয়ে গেলো হৃদয়ে তৃষ্ণার্ত হৃদয় ভেসে যেতে চায়  বৃষ্টি গায়ে মাটির সোঁদা গন্ধে  বাঁধন মানে না এই মন কাটাতে  চায় মনের ভেজা জানালায়  আরো কিছুক্ষন দ্বিধা দ্বন্দ্ব  যত আছে  থাক না পড়ে মনের ঘরে রিমঝিম বর্ষায  দেখি  তোমায় দুচোখ ভরে জমাট কান্না গুলো আজ  ধুয়ে যাক বৃষ্টির জলে তোমার অঝোড় ধারায় মরু হৃদয় ভেসে চলে।

সঙ্গী যখন তুমি

রিম ঝিম বর্ষায় অপরূপ শোভায় স্নিগ্ধ বারিধারায় ছুঁয়েছি তোমায় ঝর ঝর ধারাপাতে তোমার রূপের বাহার বৃষ্টি ভেজা দিনে সঙ্গী হলে তুমি আমার।

মেঘ বৃষ্টির খেলা

মেঘ বৃষ্টির খেলা আকাশে আজ বিষন্নতার  মেঘের ছায়া গোধূলী বেলায় সূর্য্যের  রক্তিম আলোর ছোঁয়া প্রকৃতির বুকে চলে  সৃষ্টির অপার‌  খেলা দূর গগনেতে নেমে আসে   রবির অস্তবেলা গোধূলীর রক্তিম আভা  কানে কানে বলে  যায়  আসবো আবার কাল সকালে  বলবো না বিদায়  চেয়ে দেখো গুরু  গুরু মেঘ  গর্জন করে আসছে ধেয়ে উত্তপ্ত দিনের শেষে প্রাণ জুড়াবে  শীতল পরশ পেয়ে।

বৃষ্টি ভেজা দিনে ছোটবেলার কিছু স্মৃতি

ভোর রাতে হটাৎ বৃষ্টি পড়ার আওয়াজে সুমিতার ঘুমটা ভেঙ্গে গেলো,,,,রাতেও আকাশটা পরিস্কার ছিলো কোন বৃষ্টির সম্ভাবনা ছিলোনা ,,,,,,,তাইতো জানালাটা একটু খুলেই ঘুমিয়ে ছিলো ফ্যানটা ছাড়তে পারে না  কারন পতি পরমেশ্বর উনার আবার একটু বাতের বেরাম আছে তাই রাতে ঘুমাতে গেলে একচোট হয়ে যায় এই ফ্যান ছাড়া নিয়ে ,,,,,,কি করবে  সুমিতার যে আবার ঘুম আসে না  গরমে,,,,,, তাইতো কাল রাতে জানালার  গ্লাসটা খুলে নেটটা লাগিয়ে ঘুমিয়ে ছিলো কে জানে সকাল সকাল বৃষ্টি নামবে,,,, কিন্ত এই বৃষ্টি যে থামার নয় একটানা হয়ে চলেছে ,,,,,,সুমিতার যেন আর ঘুমাতেও ভালো লাগছে না একবার ঘুম ভেঙ্গে গেলে বিছানায় আর থাকতে ভালো লাগে না,,,তাই উঠে ঠাকুর নমস্কার করে বাইরে ব্যালকনিতে এসে দাঁড়িয়ে বৃষ্টিরকে এমন ভাবে দেখছে যেন কত বছর পর এমন বৃষ্টি দেখছে ,,,, সত্যি কি ভালো লাগতো  ছোট বেলাতে যখন এমন বৃষ্টি হতো,,,,,,,বিশেষ করে সকাল বেলা এমন বৃষ্টি হতো আজ যেন আবার সেই পুরোনো দিন গুলোতে ফিরে গেলো,,,,, সেই কাথা মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকা  আর মনে মনে বলতো ঠাকুর আর‌ও বৃষ্টি দাও তাহলে স্কুল যেতে হবে না   স্কুল যাওয়ার রাস্তাতে প্রচন্ড জল জমে যেতো  কি করে

মূল্যবোধ

বিবেক মানবিকতা আজ হয়েছে বিলীন মানবিক মূল্যবোধ জ্ঞানের কথা মূল্যহীন ভাঙছে পরিবার বাড়ছে দূর্নীতি কমছে  সামাজিক মূল্যবোধ মনুষ্যত্বের পরাজয় হ্রাস পাচ্ছে চিন্তা শক্তি বোধ চিন্তা চেতনা শিক্ষা সংস্কৃতি ছিলো মূল্যবোধের    চাবিকাঠি  দুর্নীতি প্রতারণা প্রবঞ্চনা শোষণ স্বার্থপরতা  বাস্তবতার  লাঠি ক্ষমতাবানরা ক্ষমতার অপব্যবহার বিত্ত বৈভবের  গড়ছেন পাহাড় ছড়িয়ে পড়ছে ভয় আতঙ্ক লোভ আর হিংস্রতার  বলি হচ্ছে মানবিকতার পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ মায়া মমতা সৌজন্যবোধ  আজ  লোক দেখানো মূল্যবোধের দেওয়াল ধসে পড়ছে  নানা অরাজকতায়  জীবন বিপন্ন অবুঝ শিশুদের সবুজ মনে নিষ্ঠুর অমানবিকতার  প্রতিফলন নিস্পাপ নিরপরাধ শিশুদের উপর  প্রতিশোধ এ  কোন সভ্যতার অনুকরণ আধুনিক উন্নত সমাজের ভদ্র শিক্ষিত মানুষ মূল্যবোধের  পোশাক দিয়েছে ছেড়ে পারিবারিক বন্ধন রীতিনীতি  অনুশাশন  শাসন মূল্যবোধ  আধুনিকতার অন্ধকারে।

মায়ের শিক্ষা

মা বাবার আদরের মেয়ে সুমি ছোট বেলা থেকে খুব আদরে বড় হয়েছে  ,,,,,হাতের কাছে  সব কিছু পেয়ে যেতো কখনও তেমন কষ্ট করতে হয়নি  ,,,এক গ্লাস জলভরে খেতে‌ও কষ্ট হতো ,,,,সুমির  মা সব সময়  কিন্ত বলতো মেয়েকে নিজের কাজ গুলো নিজে করার জন্য কিন্ত সুমি সেগুলো  এক কান দিয়ে শুনতো আরেক কান দিয়ে বের করে দিতো ,,,,,সুমির সব সময় অসহ্য লাগতো মা এত কাজ কি ভাবে  করে,,,,সুমি মাকে  দেখে‌ও কিছু শেখার চেষ্টা করেনি,,,,,,, সুমির মা সব সময় এটা নিয়ে বেশ চিন্তা করতো ,,,,, বিয়ের  পরে যদি শশুর বাড়ীতে গিয়ে‌ও সে এমন ফরমাইশ করে তখন কি হবে,,,,, মেয়েদের বিয়ের পরে মেয়ে শশুর বাড়ী যাওয়ার পর  অনেক সময় কাজ কর্ম করতে না পারার জন্য মাকেইযে কথা শুনতে হয়,, দোষ দেওয়া হয়,,মা কিছুই শিখায়নি   আরো নানান কথা,,,,,,, এদিকে সুমি   নিজে পছন্দ করা এক ছেলেকে বিয়ে করেছে ,,,,,  যে ছেলেকে বিয়ে করেছে সে ছেলে মা বাবার‌ও একমাত্র সন্তান  ,,,,,,,,, সুমির বাবা পেশায়  ডাক্তার  ,,,,,,, বাবা সব সময়  মেয়েদের একটু বেশী ভালোবাসেন তথাপি সুমির  বাবা‌র‌ও যে চিন্তা ছিলো না তা নয়,,,,,, সুমির শাশুরি কিন্ত প্রচন্ড কড়া মেজাজের মানুষ ছিলেন তা

লকডাউন

সকাল হয় ঘুম ভাঙ্গে তাড়া নেই আজ সময়ের স্কুল কলেজ অফিস বন্ধ তালা পড়েছে জীবনের থমকে গেছে মানুষ বদলে গেছে চেনা  পৃথিবী লকডাউনে হারিয়ে গেছে ভালো থাকার চাবি প্রাণঘাতী ভিনগ্রহের প্রাণী  ঘুরছে শহরে শহরে স্তদ্ধ জীবন আর্শীবাদ না অভিশাপ  জীবনের তরে পরিস্কার বাতাস শান্ত সমুদ্র সবুজে সবুজে বিকশিত  দেশে দেশে লকডাউন নতুন শব্দে জীবন জর্জরিত বন্দী মোরা ঘরের ভীতরে একমাত্র জীবনকে বাঁচতে   স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছে প্রকৃতি দূষন মুক্ত পৃথিবীতে লকডাউনে জীবন বিপন্ন জীবিকা নিয়েছে কেড়ে ঝড়ের মত ধেয়ে আসা মৃত্যুর হাহাকার পৃথিবী জুড়ে ভয়ের চেয়ে ক্ষুধার জ্বালা বেশী নিষ্ঠুর এই উপবাস ভেঙ্গে পড়েছে ব্যবসা বাণিজ্য  অসহায় আজ মানুষ একটাই প্রার্থনা নিরাপদ হোক সবার আগামী দিনগুলো আঁধার কেটে জীবানুমুক্ত পৃথিবীতে উঠুক নতুন আলো ।

শীতল পরশ

আকাশে আজ বিষন্নতার মেঘের ছায়া গোধূলী বেলায় সূর্য্যের রক্তিম আলোর ছোঁয়া প্রকৃতির বুকে চলে সৃষ্টির অপার‌  খেলা দূর গগনেতে নেমে আসে  রবির অস্তবেলা গোধূলীর রক্তিম আভা কানে কানে বলে  যায়  আসবো আবার কাল সকালে বলবো না বিদায়  চেয়ে দেখো গুরু  গুরু মেঘ গর্জন করে আসছে ধেয়ে উত্তপ্ত দিনের শেষে প্রাণ জুড়াবে শীতল পরশ পেয়ে।

অপেক্ষা

অপেক্ষা তিন মেয়ে এক ছেলে ,,,,,,,রেল‌ওয়েতে চাকরী করতেন খুব ভালো পদে ছিলেন পরিতোষ বাবু,,,,এক টুকরো মাটি কিনেছিলেন  ,,,,,স্বপ্ন ছিলো যে রির্টায়াড হ‌ওয়ার পর নতুন বাড়ীতে যাবে ,,,,বহু বছর কোয়ার্টারে থেকে আর ভালো লাগছিলো না ,,,,,,,সব সময় বলতেন এবার বাড়ীতে গিয়ে ভালো করে  স্বাস নেবেন সেই জন্য  তাড়াতাড়ি করে বাড়ীর কাজটা শুরু করেছিলেন ,,,,,,,একদিকে বাড়ীর কাজ আরেক দিকে  ছেলেটাও সাইন্সে  গ্রেজুয়েশন করে আর কমপিউটার  কোর্স করেও ভালো চাকুরী না পাওয়াতে টেনশন ছিলো,,,,,,  মেয়েরা যেমন পরিতোষ বাবুর প্রাণ ছিলো তেমনি ছেলে ছিলো জীবন,,,অত্যন্ত ভালোবাসতেন,,,আজ হয়তো উপর থেক সবে দেখছেন আর খুশী হচ্ছেন সবাইকে দেখে,,,,,,, মেয়েদের  প্রাণের থেকে বেশী ভালোবাসতেন,,,,,,সবসময় বলতেন আমি আগে ছেলেকে বিয়ে দেবো  ব‌উ আনবো তারপর আমার ছোট মেয়েকে বিয়ে দেবো ,,,,,,ঘরে মেয়ে এনে তারপর ছোট মেয়েকে বিয়ে দেবে এটা সব সময় বলতো ,,,,,,,,,কিন্ত সময় যে বড় বলবান,,,,, অপেক্ষা করতে চেয়েছিলো পরিতোষ বাবু কিন্ত সময় যে তাকে করতে দিলো না,,,,, ভেবেছিলো ছেলেটা একটা ভালো চাকরী পাওয়ার পর নতুন বাড়ীতে যাবে ছেলেকে বিয়ে করাবে ঘর

ঘর বাহির

আমার ঘর বাহির.......... ঘর আর বাহির দুটোই আমি খুব কাছ  থেকে দেখেছি,,,,,,,আজ‌ও সমপরিমানে  ঘর আর বাহির দুটোই করছি,,,,,,,,,,, সেজন্য আমার কোন আক্ষেপ নেই ,,,, ,,, দরকার হলে বাইরে গিয়েও সব করছি,,,,,,জীবনতোমাকে অনেক কিছু শিখিয়ে দেয়,,,,,,,,, শুধু চাকরী করলেই যে বাহির হয় তা আমার অভিজ্ঞতা বলে না,,,,,,খুব ছোট বয়সে আমার বিয়ে হয়েছে ,,,,,কলেজে পড়তে পড়তে  বিয়ে হয়ে গেছে ,,,,,,,তিন বোন ছিলাম  বাবার ভাবনা  ছিলো চাকরী থাকতে থাকতে যদি   বাবা আমাদের তিনবোনকে বিয়ে দিয়ে যেতে পারে তাহলে বাবার জন্য হয়তো ভালো হবে,,,,,তবে    ছোট বোনকে আর দিয়ে যেতে পারেননি,,,,,,,,,,,বাবার আর্শীবাদে আমরা তিন বোন এখন অনেক ভালো আছি ,,,,,  জীবনে বাইরে গিয়ে  চাকরী করার মত সুযোগ পাইনি ঠিকেই তবে নানান পরিস্থিতিতে  খুব ভালো করে  ঘর আর বাহির দুটোই সামলাতে শিখেছি,,,,, ,,,,, চাকরী করলে শুধু বাইরের জগত দেখা যায়না ,,,,,,,জীবনে তোমার এমন পরিস্থিতি নিয়ে আসে যখন তোমাকে  ঘরের থেকে বের হয়ে বাহিরটা‌ও সামলাতে হয়,,,,, ,,,,,এখনকার মেয়েরা কারো উপর  নির্ভর হয়ে থাকতে চায় না ,,,স্বনির্ভরশীল হতে বেশী পছন্দ করে ,,,,,, তবে আমি নিজেকে

শ্রদ্ধাঞ্জলী

  "কষ্ট যদি দাও হে প্রভু, শক্তি দিও সহিবার" বিপুল এই সংসার দুঃখ কষ্ট হাসি কান্না  ,,,,, সব আছে সমান সমান ,,,,,,,, চলেছে জীবনে একেই সাথে,,,,, সহিবার শক্তি‌ও যে তিনি দিয়েছেন প্রভু পরমেশ্বর,,,,,,,,, বিষাদ ছুঁয়েছে আজ সকলের মনে ,,,, চরম পরিস্থিতির  মাঝে জীবন আজ সংশয় কালবৈশাখী ঝড়ের মত এসেছে দুঃখের রাতটা,,,,,,,,,,,, আমরা জয় করবো আমাদের ধৈর্য্য শক্তির দ্বারা  এই কালো রাতকে,,,,,,,,,, দুঃসময় মানুষকে ধৈর্য্য শক্তির পরিচয় নেয় ,,,,,, কালো অন্ধকারকে জয় করে আলোর  পথে  পা বাড়াতে শেখায়,,,,,,,,,, আজ দুঃসময়টা আমাদের জীবনে  পরিযায়ী পাখীদের মত,,,,,,,,, এসেছে আবার চলেও যাবে,,,,,,, আমাদের জীবনে  দুঃখ কষ্ট আসবে না শুধু আনন্দ খুশীতে থাকবো এটা আশা করাও ভুল,,,,,,,, কিছু দুঃখ কিছু কষ্ট  জীবনের জন্য  মাঝে মাঝে খুব প্রয়োজন হয়,,,,,, বিপদের সময়  আমরা ভেঙ্গে যেনো না পড়ি,,,,,,, বিপদ বলে আসে না কথাটি খুবই পরিচিত ,,,,, বিপদ যেকোনো সময় আসতে পারে,,,,,, যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন তিনি সর্বশক্তিমান তিনি আমাদের সকল শক্তি ও সাহস দেবেন ,,,নতুন  আলোর পথ তিনিই দেখাবেন,,,, ,,,,কিছু খারাপের মাঝেও  কিছু ভাল

শ্রদ্ধাঞ্জলী

নজরুল জন্ম জয়ন্তী শ্রদ্ধাঞ্জলী..... "কোন কালে একা হয়নিকো জয়ী পুরুষের তরবারী প্রেরণা দিয়েছে শক্তি দিয়েছে বিজয় লক্ষী নারী" মানব সভ্যতার অপরিহার্য দুটি উপাদান নারী ও পুরুষ,,,,,,,, মহান স্রষ্টা নারী ও পুরুষ উভয়কেই সৃষ্টি করেছেন,,,,,,,, এই সমাজ ও  সভ্যতা   গঠনে নারী পুরুষ ছাড়া চলবে না,,,,,,,  তাই দুজনের অবদান  সমাজ ওসভ্যতার ভারসাম্যকে বজায় রাখে,, কিন্ত যুগ যুগ ধরে মানুষের অন্ধ বিশ্বাসে নারীকে সব সময় পুরুষের নীচেই সব সময় স্থান দিয়েছে,,,,,,, ফলে নারী তার উচিত সন্মান কোনদিন পাইনি,,,,,,ড নারী মানেই শক্তি,,,,,, পরিবার সংসার সন্তানদের দেখা শোনা অফিস সব কিছু সামলিয়েও এক নারী তার বাহিরে‌ও পুরুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে  সমান তালে চলতে পারে,,,,,সেটা আমরা বহু যুগ যুগ ধরে দেখে এসেছি,,,,,,,, পৃথিবীতে যেসব গৌরবময় কাহিনী সৃষ্টি রয়েছে তাতে নারী পুরুষের অবদান সমান সমান,,,,,,,,পৃথিবীতে যত  রক্তপাত বেদনা দুঃখ কষ্টের যে স্রোত ভেসে গেছে তাতেও নারী পুরুষ সমানভাবেই দায়ী,,,,,,,  দেশকে স্বাধীন করার থেকে আজ অব্দি নারীর অবদান কম নয়,,,,,,,,,,,,,,,, তৎকালীন সমাজে নারীদের অবদান স্বীকৃত ছিলো না,

ভক্ত আর ভগবান

ভক্তের সাথে ভগবানের একটা গভীর সম্পর্ক আছে,,,,,ভগবান কে আমরা দেখতে পাইনা সত্যি কথা তথাপি আমরা সারাক্ষন ভগবানকেই ডেকে চলি ,,,,,,,,,এটা আমাদের মনের বিশ্বাস,,,,,,,, অন্তরে ভক্তি থাকিলে আমাদের ভগবানের কাছে যেতে হয় না,,,,,,,যেখানেই থাকি না কেনো ভগবান সেখান থেকেই আমাদের সাড়া যে দেন,,,,,,,,,,,,,,,ভক্তের  ভক্তিতে ভগবান বাঁধা পড়ে যায়,,,,,,,,, আমরা যদি আমাদের মনকে জয় করতে পারি তাহলে সব বাঁধা বিপত্তি আমরা জয় করতে পারবো,,,,,           মন যখন নিয়ন্ত্রিত থাকে তখন  জীবনের  সব পূর্ণতা লাভ করা যায়,,,,,,বিশ্বাসে মেলে মুক্তি,,,,,,ভগবান আমাদের ভালোবাসেন,,,,,,, তাই সময়ের  ঝড় যখন উঠেছে  তখন   তিনিই থামাবেন ,,,,,,  সারাবিশ্বের মানুষ যখন করোনার ভয়ে গৃহবন্দি হয়ে পড়ছে,,,,,,,,তখন দিনের পর দিন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের চিকিৎসক চিকিৎসাকর্মীরা করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের সেবা করে যাচ্ছেন,,,,,,,,,, প্রতিদিন শত শত মানুষের মৃত্যু দেখছেন,,,,,,,,,,, তাদের মনের উপর কতটা চাপ পড়ছে,,,,,,,,,,,,  কিন্তু এই অবস্থাতেও তারা শুধু নিজেদেরই নয় সাধারণ মানুষকেও ভরসা যোগাচ্ছেন,,,,,,,,,,,,,,এখন তারাও আমাদের কাছে ভগবানের সমান

অনন্য কীর্তি তুমি তাজ

সোনালী আভায় তাজ  তোমার মনোরম ঝড় ঝঞ্চা জলোচ্ছ্বাসে স্থির অটল তুমি, পথে প্রান্তরে ছড়িয়ে আছে নৈসর্গিক নিদর্শন রূপে লাবন্যে ভরা আমাদের এই ভারতভূমি। অনন্য কীর্তি মুঘোল সম্রাট শাহাজাহানের,  অমর সৃষ্টি ভারতের ঐতিহ্য  তাজমহল যমুনার তীরে শ্বেত শুভ্র দাঁড়িয়ে থাকা তাজ হাজার শ্রমিকের কঠিন পরিশ্রমের চোখের জল।  শাহাজান মুমতাজের  ভালোবাসার অমর গাঁথা শ্বেত মর্মর পাথরের মনোরম সৌন্দর্য্য তাজের শিরে, ভালোবাসার এক অপূর্ব নিদর্শন  প্রেমের  প্রতীক অমর করে রেখে দিলো ভালোবাসাকে তাজ করে।  পাথরের গায়ে লেখা আছে শ্রমিকের শ্রমের শ্বেত বিন্দু পৃথিবীর বুকে সৃষ্টি হয়েছিল সৌন্দর্য্যের মনোরম তাজ, সময়ের চাকা ঘুরছে ইতিহাসের পাতা পালটে গেছে  দুচোখ ভরে দেখে তাজ ভুলে গেছে তাদের কথা আজ।

নতুন পৃথিবী

"আমি আবার কাঁদবো হাসবো জীবন জোয়ারে ভাসবো" সুখে দুঃখে থাকবো একে অপরের পাশে আনন্দ খুশী ভাগ করে নেবো ভালোবেসে ঝগড়া বিবাদ ভুলে নতুন পৃথিবী  গড়বো এই কথাটি সদাই মোরা সকলে মনে রাখবো।

পরকীয়া

ব্যাস্ত জীবনের চাদর মুড়ে পরকীয়া  হয়েছে জীবনের ফ্যাশন হটাৎ করে মনে ধরে অন্য কাওকে    অন্তরে জ্বলে প্রেমের আগুন  পরকীয়ার কশাঘাতে সংসারে  আজ অশান্তির দাবানল জ্বলে কে কাকে দেবে দোষ পরকীয়ার  প্রেমে পাগল নারী পুরুষ  উভয়ে মিলে  গোছানো সংসার ভেঙ্গে যায়  পরকীয়ার আজ বাজার রমরমা  পরকীয়া প্রেমের ক্ষুধা মেটায় প্রকৃত ভালোবাসায় পায়না ক্ষমা কিছু চাওয়া কিছু না পাওয়ার ব্যাথা ভালোবাসার ফুল ফোটায় পরকীয়ায় নীরবে খেলে যায় পরকীয়ার খেলা অবৈধ প্রেমে  ভালোবাসা খুঁজে পায়।
"পথ আমারে সেই দেখাবে যে আমারে চায় আমি অভয় মনে ছাড়ব তরী, এই শুধু মোর দায়" প্রভুকে স্মরন করে হাজার পথ যাবো পেরিয়ে বাঁধা বিঘ্ন দূর করে আঁধারকে যাবো কাটিয়ে সময় হোক যত‌ই খারাপ শক্ত হাতে ধরব হাল সামলে নেবো জীবন তরী হবে এক নতুন সকাল

ভয়ঙ্কর সেই রাত

প্রাকৃতিক দুর্যোগ  ভয়ঙ্কর সেই রাত কয়েকদিন আগের থেকেই বৃষ্টিটা শুরু হয়ে ছিলো,,,,,কিন্ত সবাই ভেবেছিলো বৃষ্টিটা কমে যাবে  ,,,বৈশাখের বৃষ্টি এতো সহজে কমবার নয় ,,,এদিকে অনিমার বিয়ের দিন এগিয়ে আসছে ১৬ ইএপ্রিল বিয়ে ,,,সবাই চিন্তিত মেয়ের বিয়ে বলে কথা,,,,,,,এক এক করে আত্মীয় স্বজন আসা শুরু হয়ে গেছে ,,,,, রীতিমত বিয়ের দিন এগিয়ে এলো তবে অন্যদিনের তুলনায় বিয়ের দিন  তেমন বৃষ্টিটা ছিলোনা বটে কিন্ত বেশ হাওয়া ছিলো,,,, তাই সবাই খুব আনন্দেই ছিলো  সাজগোজ হলো বর আসলো  বিয়ের লগ্নে বিয়েও ঠিকমত হলো সেদিন কোন বৃষ্টিও ছিলোনা,,,,সবাই খুব খুশি,,,,, গরমের থেকে একটু রেহাই পাওয়া গেছে  কিন্ত প্রকৃতির উপর কারো জোর নেই,,,,,,,,পরের দিন সকালবেলা সব নিয়ম অনুষ্ঠান শেষ হলো ,,বিকেল বেলামেয়ে জামাই এবার যাওয়ার পালা ,,,,, ঘরে সবার কান্নাকাটি শুরু হয়ে গেছে   ,,,,,,,,চারিদিক কালো করে  আবার সেই কালবৈশাখী  ঝড় শুরু হয়ে গেলো ,,,,এদিকে আত্মীয় স্বজন খুব বলাবলি করছে কি করে  মেয়ে জামাইকে বিদায় দিবে,,, মা বাবার তাদের ‌ও মন ভীষণ খারাপ,,,,,,,  চারিদিক যেন ভেঙ্গে পড়ছে সব যেন উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে ,,,,বাইরে বিয়ের

গোধূলি বেলা শেষে

পশ্চিমা আকাশে গোধূলি বেলা শেষে  কোপত কোপতির দেখা হলো অবশেষে নিভৃত একান্তে সারাদিনের ক্লান্তি ভুলে  দুজনেএক হয় গোধূলীর ঝরনায় শীতল আবেশে   ভালোবাসার পরশ পায় দুলিছে শ্যামল প্রকৃতি সৃষ্টির শীতল আবেশে  উড়ে যায় নীরবতার মেঘগুলো  মন খারাপের দেশে চেনা সূর্য্য মূখ লুকায়  আঁধারকে যায় দিয়ে দিন রাত্রির অবসান হয় আগামীর স্বপ্ন নিয়ে। ,

মনের ইচ্ছে

ইচ্ছেরা আজ দম বন্ধ  ,মনের ইচ্ছে মনে ইচ্ছেরা রয়ে যায় ইচ্ছে হয়ে জীবন যাপনে। ইচ্ছে করে কত না কিছু সব ইচ্ছে কি পূরণ হয় ইচ্ছে করে সময়টাকে আজ বদলে দিই  মনের  ইচ্ছে মনে রয়। ইচ্ছেদেরে‌ও যে ইচ্ছে হয় নিজের মত করে  বাঁচতে ইচ্ছেদের নেই স্বাধীনতা বেঁধে রাখি তাদের মনের  ইচ্ছেতে। উদাসীন ইচ্ছেরা আজ  প্রাণহীন পড়ে আছে হৃদয়ে  মনের মাঝে উঁকি দেয় ভয় যদি ইচ্ছেরা যায় হারিয়ে। তাইতো ইচ্ছে করে ইচ্ছে গুলোকে স্বপ্ন দিয়ে মুড়ি যখন তখন নিজেকে হারিয়ে ইচ্ছের রথে চড়ি। মনের ইচ্ছেরা হারিয়ে যায় আশা নিরাশার ভীড়ে তবুও যে পথ চলি‌ আগামীর ইচ্ছেকে সঙ্গী করে।  

বেঁচে থাকার লড়াই

জীবনের সাথে জীবনের চলছে লড়াই লড়াই ছাড়া জীবনের পরিচয় যে নাই রক্তে মাংসে গড়া  আমাদের মানব শরীর আজ আছে কাল নেই সুখের এই  নীড় কখন হাসি কখন কান্না বাঁচার সংগ্রাম অনিশ্চয়তার জীবন নেই মুল্য নেই দাম তবুও প্রতিদিন লড়াই চলে জীবনের সাথে  সুখের থেকে দুঃখের ভাগটাই বেশী  চলার পথে বেঁচে থাকার লড়াই  কিছু চাওয়া কিছু না পাওয়া নিজের মত করে জীবনটাকে মানিয়ে নেওয়া নদীর স্রোতের মত  প্রবাহমান এই  জীবন চায়না হারতে জীবনের কাছে লড়াই অন্তহীন জীবনের বাস্তবতা বড়‌ই কঠিন সংগ্রাম বার বারে জীবন মানে যুদ্ধ বেঁচে থাকা জীবনের তরে জীবনের খেলাঘরে আমরা যে সবাই  পুতুল  জয় পরাজয় হার জীত আছে অনেক ভুল আজ‌ও গোটা বিশ্ব করছে লড়াই  জীবন বাঁচাতে যতদিন আছে প্রাণ এই দেহে লড়াই চলবে জীবনের সাথে

ঋণী

ঋণী....…. আমরা  যে সবাই ঋণী কিন্ত আমরা কেও তা প্রকাশ করতে চাই না,,,,,যদি ছোট হয়ে যাই,,,,,  মানুষ সমাজ বদ্ধ জীব,,,,,,আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রতিনিয়ত আমরা বিভিন্ন মানুষের সাথে আমাদের পরিচয় হয়,,,,,, পথ চলতে আমাদের জীবনে নানা সমস্যার সন্মূখীন হোতে হয় ,,,,,,,  অচেনা অজানা মানুষের দ্বারা অনেক সময় উপকৃত হ‌ই কিন্ত সময়ের সাথে সেটা ভুলে যা‌ই তার বাড়ানো  সাহার্য্যের কথা,,,,,,,,,,,,, সব থেকে ঋণী আমরা আমাদের ইশ্বরের কাছে,,,,,এত সুন্দর পৃথিবীতে আমরা  মানুষ হয়ে জন্মেছি,,,,,,,ইশ্বর আমাদের প্রতি নিয়ত দয়া করিতেছেন,,,,,,,,,,,,, ,,,তথাপি আমরা কোনদিন স্বীকার করি কিনা জানি না,,,,,,,,,আমরা এই ধরণী মার কাছে ঋণী এত সুন্দর গাছপালা ফল ফুল যাদের জন্য আমরা আজ বেঁচে আছি  যে অক্সিজেন ছাড়া আমরা একমিনিট বাঁচতে পারবো না কিন্ত  এই প্রকৃতির উপর আমরা বারবার প্রহার করি,,, ,,,,,,তার ঋণের বোঝা আমাদের সকলের উপর সেটা আমরা কখন মানি না,,,,,,,,,,তার অস্তিত্ব ভুলে যাই,,,,,,,,যার জন্য  আমাদের প্রাণ বেঁচে থাকা,,,,,,, ছোট থেকে বড় হ‌ই  মা বাবার সাহার্য্য ছাড়া জীবনে এক পা চলতে পারি না ,,,,বড় হ‌ওয়ার সাথে সাথে  মা বাবাকে

কবি প্রণাম

হে রবি তোমার জন্ম বার্ষিকীতে  বাংলার দিকে দিকে  আজ খুশীর বাঁধন দেখা দিক বার বার তোমার  জন্মের এই শুভক্ষণ আজি হতে শত বর্ষ থেকে  হৃদয় জুড়ে আছো বাঙালীর একান্ত আপনার বাংলার গর্ভ গৃহে লেখা আছে   তোমার নামটা সোনার  তুমি আছো আমাদের  দুঃখ বেদনায়  আনন্দ খুশীতে  স্বপনে জাগরণে তুমি যে  সবার ইচ্ছের রঙ  স্বপ্নের প্রজাপতি তুমি আছো  জীবনধারার বিচিত্র কলতানে তুমি প্রিয় কবি সবার প্রাণের ঠাকুর  বিশ্বসাহিত্যের  দরবারে   দৃঢ তোমার আসন তুমি গেয়েছো মানবতা ও সাম্যের গান  তোমার কবিতায় পেয়েছি  নারীর সন্মান আজ চারিদিকে এতো কোলাহল  এত কলোরল অস্থির মনটা  মুক্তি চায় তোমার কবিতা ও গানে একের পর এক আঘাত ও অপমান  তোমাকেও যে কম সহ্য করতে হয়নি  তোমার   সাহিত্য জীবনে তবুও সেই আঘাত অপমানের বিষ  নিজকন্ঠে  ধারন করে  অমৃত বিলিয়েছো সকলের মাঝে প্রানের কবি  হৃদয়ে ছবি এই ভাবে  থাকবে তুমি চিরদিন আমাদের অন্তরের কাছে। জন্মদিনের শুভক্ষণে তোমার চরনে জানাই আমার শতকোটি প্রণাম। ©️উমা মজুমদার ২৫/৫/২০২০ 🙏🙏🙏🙏🙏🙏

সময়ের খেলা

সময়ের খেলা সময় আজ সময়ের কাছে বাঁধা   থমকে গেছে সময় দুরন্ত গতিতে ছুটে যাওয়া সময়  বসে বসে ঝিমোয়। ঘড়ির কাটাতে পড়ে না চোখ বাজে না  এর্লাম বেল ব্যাস্ত জীবন হারিয়ে গেছে সময় খেলছে নিয়তির খেল। সময়কে পিছনে ফেলে ছুটেছিলো মানুষ সময়ের আগে সময়ের বজ্রপাতে যান্ত্রিক মানুষ অসহায়  অবাক চোখে। হাজার মূখ হাজার ইতিহাস সময়ের চিত্রপটে আসে যায় ঝড়ের পরে আঁধার নামে তবুও থাকে আলোর প্রতিক্ষায়। ©️উমা মজুমদার

এমন বৈশাখ দেখেনি কেও আগে

পুরাতনকে বিদায় বলে এলে তুমি নিঃশব্দে  সকলের ঘরে, আনন্দ উল্লাস ছাড়া ,বরণ করে নিলাম তোমায় , শঙ্খ বাজিয়ে। প্রাণহীন নববর্ষ  জীবন বাঁচাতে, আজ  গৃহবন্দী  বিস্তীর্ণ এই বিশ্ব ভূমি মহা বিপদে আছে দাঁড়িয়ে এমন বৈশাখ দেখেনি যে কেও, কোনদিন আগে আকাশে বাতাসে নেই  কোথাও কোন আনন্দের সুর বিষাদ ছুঁয়েছে পৃথিবীকে ,জীবন আজ দিশাহারা পৃথিবীর উপর থেকে নিকস কালো আঁধার হোক দূর। নতুন প্রভাতে  নতুন প্রত্যাশার,  দেখাও তুমি আশার কিরণ এসো হে বৈশাখ  তোমার স্পর্শে জেগে উঠুক নতুন প্রাণ শান্তির বার্তা নিয়ে এসো এই ধরায় ,বাঁচুক নতুন করে  সময় সাথে বদলে যায় অনেক কিছ তবুও আশার বুকগ বেঁধে গাই জয়ের গান।

করোনা

পরিস্থিতি কোথায় আমাদের নিয়ে এসেছে ,,,,একেই শহরে আছি কিন্ত নিজের মানুষের সাথে দেখা করতে পারছি না,,,,,,,দূরে থাকুক  তবু ভালো থাকুক,,,,,রোজ ফোনে  ফোনে  কথা চলছে ,,,,,,বার বার করে হাত ধুচ্ছি কোন কিছু করার আগে,,,,,,,,দূরে থাকার চেষ্টা করছি করোনার থেকে ,,,,,নিজের মানুষদের জন্য সারাক্ষন একটা চিন্তা  সবাই যেনো ভালো থাকে.... প্রয়োজন ছাড়া বাড়ী থেকে কেও আমরা বেরোচ্ছি না ,,,,আগের তুলনায় আমরা সবাই আছকাল অল্পতে সন্তোষ্ট থাকছি....... প্রত্যেক দিনই করোনা ভাইরাস নিয়ে বিভিন্ন খবরাখবর দেখছি,,,,, চারিদিকে কি ভাবে মানুষ মারা যাচ্ছে ,,,,,, সত্যি খুব কষ্ট হয় দেখলে,,,,,,,,,,,,,ছোটবেলায় মায়ের মূখে শুনেছিলাম এমন আতঙ্কের কথা  ,,,,যখন যুদ্ধ হতো সবাইকে ঘরের ভিতর থাকতে হতো ,,, ,,আজ তেমন একটা পরিস্থিতি হয়ে দাঁড়িয়েছে....... কোথাও শান্তি নেই।  সারাবিশ্বে আজ করোনার আতঙ্ক...….. করোনা মোকাবিলায় গোটা দেশে লকডাউন.... স্তব্ধ জনজীবন.... গৃহবন্দি মানুষ আতঙ্কে দিশেহারা! প্রতিটা মুহূর্তে মনের কোনে উঁকি মারছে একটাই ভয়...করোনা.... জানিনা কবে সুস্থ জীবন ফিরে পাবো... আজ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটা কবিতা খুব মনে পড়ছে আজি ন

আশার আলো

বিষ মুক্ত হবে আকাশ বাতাস  কাটবে কালো আঁধার রাত, আশার  আলো জ্বালিয়ে হবে নতুন এক প্রভাত। থাকবে না মনে কোন ভয় শঙ্কা বন্ধ দরজা খুলে যাবে সেই ক্ষনে পৃথিবীর বুকে নতুন বার্তা নিয়ে পুরোনো কথা ভুলে বাঁচবে নতুন দিনে।

অভিনয়

অভিনয় জীবনের চলার পথে  বেঁচে থাকার আশ্রয় নিপুণ কলাকার হয়ে  করে যাচ্ছি অভিনয় মুখে হাসি বুকে কষ্ট   এই যে  জীবন যাপন আবেগ অনুভূতি ভালোবাসা  মান অভিমানের সংমিশ্রণ কিছু কান্না কিছু দুঃখ  বিষন্নতার  মাঝে সুখের অভিনয় জগৎটা গোলকধাঁধা  সর্বক্ষণ হারানোর ভয় সুখের এই পৃথিবীতে  অজানা এক পিছুটান চাই না হারাতে  আমিকে    তাই করেছি গোপন ভালো আছি ভালো থেকো  এই যে শুনতে চায় অন্তহীন এই পথচলা  সময়ের পারিপার্শ্বিকতায় ভুল ভ্রান্তিতে ভরা জীবন  অভিনয়ে  কাছে আসা প্রেমের খাতিরে হৃদয়ে  একটু ভালোবাসার বাসা সব কিছু ভুলে কত‌ই না  ভালো থাকি মিথ্যের আড়ালে একটু লুকিয়ে  প্রশ্ন করো নিজেকে  সত্যি কি ভালো থাকবো? অভিনয়  শেষ হলে।  

অতিথি

........................ আজ আর নাড়ে না দরজার কড়া,,, কেও এসে বলে  না  ,,কি গো তোমরা বাড়ীতে  আছো নাকি ?   সবাই কেমন আছো ?? সব যেনো  মোবাইল   কেড়ে নিয়েছে।.থমকে গেছে  আসা যাওয়া  সব কিছু। অতীত  আজ বদলে  গেছে। প্রতিনিয়ত  আমরা নিজেদের মধ্যে পরিবর্তন নিয়ে আসছি। চলছে সময়ের পালা বদল  ।কারো আসা হলে  সে যে আজকাল খবর  নিয়েই আসতে চাই।  কার কেমন  ব্যস্ততা আছে। সেটা  দেখে শুনেই তবে যাওয়া। পরিবার গুলো ছোট হচ্ছে। সেই আগের মত বড় পরিবার   আজ আর নেই। সন্তান দের চিন্তায়  থাকে মা বাবা  সারাক্ষন। পড়াশুনা নানান activity নিয়ে ব্যস্ত থাকে। কোথায়  আর সময় থাকে কারো বাড়ীতে  যাওয়ার । অনেক কঠিন এই সময়। সবার কথা চিন্তা করে তবেই চলতে হয়।   তাই আজ অতিথির পরিভাষাটাও বদলে গেছে। বিনা কারনে  কারো বাড়ীতে আজকাল কেও যায়না। আমরা নিজেরাও  তেমন হয়ে গেছি। অযথা সময় নষ্ট করতে চাই না। সব থেকে যেটা সেটা হলো ভালোবাসা ।  ভালোবাসা, আন্তরিকতা ,আত্মীয়তা আজ   সব মুছে গেছে সবার মন থেকে। কেও আসেলে ভাবি কতক্ষনে  যাবে। মনের মানসিকতা সময়ের সাথে রূপ নিচ্ছে।   কিন্ত আগে ছিলো একদম অন্য রকম ।হটাৎ করে কোন অতিথি  রাত বিকেলে   এসে গেলে‌ও কেও খারাপ পেতো

প্রিয় নেতাজী

ভারতের স্বাধীনতার প্রাণপুরুষ  প্রিয় নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুকে  জানাই সশ্রদ্ধ  প্রণাম।🙏🙏 প্রিয় নেতাজী ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের তুমি এক উজ্জল নক্ষত্র তোমার পথ ছিলো একটাই মন্ত্র ছিলো স্বাধীনতার মন্ত্র স্বাধীনতার অদম্য ইচ্ছাকে বুকে নিয়ে ছুটেছিলে তুমি তোমার মত সাহসি  বীর নেতাকে পেয়েছিলো এই  মাতৃভূমি "তোমরা আমাকে রক্ত দাও আমি স্বাধীনতা দেবো তোমাদের এটাই ছিলো মূল মন্ত্র তোমার  পরাধীন ভারতকে মুক্ত করার সবার কাছে অতি প্রিয় নেতাজী ছিলো না কোন জাতি ধর্ম মাতৃভূমি ভারতবর্ষকে স্বাধীন  করা ছিলো  একমাত্র  কর্ম তুমি ভারতের গর্ব বীর সন্তান তোমার লক্ষ ছিলো একটাই তোমার আত্মত্যাগ বলিদান চিরস্মরণীয় ইতিহাসের পাতায় কোথায় গেলে তুমি নেতাজী আজ    যে তোমার বড় দরকার  চরম অশান্তি ধর্ম বিদ্বেষ সারা দেশ জুড়ে ফিরে এসো একবার একেই মন্ত্রে করো দীক্ষিত শান্তির পথ দেখাও তোমার স্বপ্নের দেশকে  আতঙ্ক ,ভয় ,হিংসার কালো অন্ধকার থেকে মুক্ত করো দেশবাসীকে।                                                                     জয় হিন্দ।  

হারানো শৈশব

বাঁধন হারা ছেলেবেলা শুধু উড়ে বেড়ায় ঘরেতে বসে না মন খেলাধূলাতে সময় যায় অবাধ্য এই ছেলেবেলা শোনে না কার‌ও মানা দুষ্টমী ভরা সেই জীবন আর কখন‌ও ফিরবে না  হারিয়ে ফেলেছি তোকে সময়ের চোরাবালিতে ভাঙ্গে না ঘুম আর মা র ডাকে সকালবেলাতে জীবন আজ এক ঘেয়েমী  হারিয়ে গেছে সব বার বার  ফিরে দেখি আসবে কি সেই শৈশব বার্ধক্যের  হাতছানিতে আঁকড়ে ধরি স্মৃতিকে  হাতড়ে খুঁজি  স্মৃতির পাতায়  ছেলেবেলাকে রঙিন দিনের স্বপ্ন গুলো মনের মাঝে খেলাকরে মিথ্যের জগতে আজ যে তোকে ভীষন মনে পড়ে বিকেল গুলো চলে যায় অসময়ে  করে না খেলাধূলা বাস্তবের আড়ালে হারিয়ে গেলি পুরোনো ছোটবেলা।

ইলিশ

বর্ষার শুরুতে এসেছে  বাজারে ইলিশ এবার  বাঙ্গালির ঘরে ঘরে হাটে বাজারে ইলিশের ছড়াছড়ি ইলিশ তোমার নেইকো জুড়ি ইলিশ ভাপা ইলিশ পাতুরি পাতে চলে ইলিশের লুকোচুরি স্বাদে গন্ধে তোমার নেই তুলনা এক পিসে কখন‌ও মন ভরে না দামটা যত‌ই থাক আকাশ ছোঁয়া  তোমাকে নিয়েই তবে ঘরে যাওয়া শিরোপার মুকুট পেলে মাছের রাজা ইলিশ ভাপা ইলিশ পাতুরি দারুন মজা।

নীরবতা

শব্দেরা নিঃশব্দে চলেছে নীরবতার মিছিলে ক্ষত বিক্ষত শব্দের বাণে  স্বাধীনতার লড়াই বেহিসেবি ভাবনারাও আজ   শুধু রং বদলায়   শহরের রঙীন আলোয়   স্বপ্নের নেশায়  বয়ে চলা বেদনা হতাশায়  ভরছে কবিতার পাতা অশান্ত মন ভাসে বদ্ধ  অলিতে গলিতে   ধূসর আর বিবর্ণ স্মৃতিতে  হাতড়ে খুঁজে নিই আপনজনের মূখ  ভালো  মন্দ ছিলো একদিন  সমাজের  স্বচ্ছ আয়না আজ সে  ধোঁয়াশে কালো  মুখোশের আড়ালে  ভালোবাসার কবিতারা আজ  পথে ঘাটে অসহায় ঘর ভাঙ্গার খেলায়  মন  মেতেছে সবার সময় ছুটে চলে  ব্যস্ত শহরে  দুঃখ যন্ত্রনা সব বুকের মাঝে যেতে যেতে বলে যায় কথা সামলে  চলো আগামী পথটা।          

সৃষ্টির লীলাখেলা

সবেই  কি মিথ্যে  এই জীবন যাপন বিশ্বচরাচরে  কেনো  তবে এই আকর্ষণ মায়া মোহ এই সংসার  কেনো  মিথ্যে জ্বালা বলো  প্রভু কেনো তুমি  খেলছো এই লীলাখেলা সবেই কি মিথ্যে এই সৃষ্টি চন্দ্র সূর্য্য গ্রহ তারা কোথায় তাদের স্বার্থ  সেটা বলবে কারা বৃথা তবে এই গাছপালা   প্রকৃতির এই মায়া  এই আকাশ এই বাতাস দিন  রাত্রির এই আলো ছায়া   এই বসুন্ধরা এই নদী ঝরনা সমুদ্রের গর্জন সৃষ্টির কলা পাখীদের সুরে ভোরের গান ভেসে যায় মেঘের ভেলা বলো প্রভু রেখো না আঁধারে আছো যে তুমি সর্বত্র সৃষ্টির কনায় কিছুই নয় মিথ্যে যা কিছু  হচ্ছে সবেই তোমার ইশারায়।  

বংশ পরিচয়

নারী আজ তুমি ছুঁয়েছো আকাশ শ্রেষ্টত্বের মুকুট তোমার মাথায়  ঘরে বাইরে সামলাও সমান তালে তবুও বংশের পরচয় এক ছেলে পাই নারী তুমি সৃষ্টি তোমার দ্বারাই  সম্ভব এক ছেলের জন্ম তবু‌ও নিকৃষ্ট মনের মানুষ বুঝেও বুঝেনা মেয়ের মর্ম  সভ্যতার আড়ালে লড়ে যাও তুমি সভ্য সমাজের মুখোসধারী লোক আধুনিক সমাজ বদলায়নি   মেয়ে চাইনা ছেলে হোক ছেলে দিবে বংশের বাতি  বাড়বে  বংশের মান মেয়ের  হয়না পরিচয়  সে যে পরের ধন মায়ের গর্ভে ছেলে বা মেয়ে  থাকে সমান অধিকারে তবে কেনো জায়গা হয়না  মেয়েদের এই সংসারে মেয়ে হয়ে ধরো না  আকাশের  চাঁদ ছেলেই তো দিবে মা বাবাকে  মরলে পরে কাঁধ মেয়ের ইচ্ছা অনিচ্ছার  নেই কোন  দাম এক ছেলেই দেখাবে  মা বাবাকে বৃদ্ধাশ্রম ধাম দিন যায় সময় বলে যায় মেয়ে‌আজ ছেলের সমান  নিজের যোগ্যতায় রাখতে পারে এক বংশের মান।      

মন তোর কিসের ভাবনা

কেনো বলতে পারিস সবাই শুধু তোকেই খোঁজে সবার ভাবা তোর মত আর কেই বা বোঝে যখন তখন  হৃদয়ে  শুধু বাঁধিস ঘর তোর উপর আছে যে হৃদয়ের  জোর সারাক্ষন চলে তোর মন নিয়ে খেলা মান অভিমানের দেখাস তুই পালা আবেগ অনুভূতিতে ভরা মনের ধূলিকনা সবার হৃদয়ে বাসা বেঁধে করিস নানা ছলনা হিংসা প্রতিহিংসায় জ্বলছিস  সবার  হৃদয়ে সময়ের স্রোতে সহজ সরল মন গেছে হারিয়ে ভালো রাখার চাবিকাঠি আছে যে তোর হাতে শান্তির বার্তা নিয়ে আয়না সকলের হৃদয়তে।  

মানুষ মানুষের জন্য কথাটা কি আদৌ‌ও সত্যি

 "মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য"  এই কথাটা কি আদৌও সত্য। মানুষ হয়ে জন্ম নিয়ে কতটা পেরেছি আমরা মানুষ হতে ।  সারাক্ষন শুধু নিজের কথাই ভেবে যাই।  দিন দিন মানুষের বিবেক  মনুষ্যত্ব বলে জিনিষটা  আজ হারিয়ে ফেলছি।  বহুরূপী মানুষ মুখোশ লাগিয়ে চলছে ।কে  যে ভালো আর কে খারাপ  সত্যি খুব বোঝা দায় ।  কার‌ও দুঃখ দেখলে  একটু কষ্ট হয় মনে  , কিন্ত কতক্ষন আর সেটাকে নিয়ে বসে থাকি।  আগুনের মধ্য ঘি সবাই পারে ঢালতে কিন্ত নিভাতে কতজন পারে। এটা হয়তো সবাই আমরা ভালো করে জানি। আজকাল  যেখানে স্বার্থ জরিয়ে থাকে নিজের সেখানে দুটো কথা সবাই বলতে পারে....কিন্ত বিনা স্বার্থে কারো দুটো শব্দ‌ও বেরোয় না মূখ থেকে।  এরাই হলো আমাদের আশে পাশের লোকজন।  আনন্দ করার সময়  হাজার লোককে পাওয়া যায় । কিন্ত দুখের সময়  কাওকে সামনে পাবে না। বড় অদ্ভুত এই মানুষ আর এই সমাজ। আশে পাশে মানুষকে কেনো দোষ দিই  নিজেদের আত্মীয়স্বজনদের  মাঝে সব থেকে বেশী উদাহরন পাওয়া যায়।   এই কথাটাও ঠিক যে আজকাল বেশী ভালো করতে গেলে সেখানে‌ও  কথা শুনতে হয়।   ভালোবাসা দিলে  ভালোবাসা পাওয়া যায় একদম ভুল।  এখন একটাই মূল মন্ত্র সবার নিজে খাবো  নিজে বাঁচবো।