পোস্টগুলি

ফেব্রুয়ারী, ২০২২ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অস্থিরতা

গুনগুন কিছুতে বলতে পারছেনা  মাকে , চাকরি টা যে তার নেই। বছর দুয়েক আগে অনেক কষ্টে  চাকরিটা পেয়েছে।    হটাৎ  বাবার  অসুস্থতার  জন্য   গ্রেজুয়েশন টা  কমপ্লিট করেই  একটা  প্রাইভেট  কোম্পানিতে পার্টটাইম  জব  করে  সংসার চালাতো।     ভেবেছিলো মাষ্টারটা কমপ্লিট করতে পারলে  ভালো চাকরি যোগার করবে ,, সেটাও আর হলোনা।     পরিস্থিতির  কারণে   কোম্পানির ,কিছু  কর্মচারীকে ছাটাই করেছে। ,      সংসার কি করে চলবে সেটা ভেবেই  কূলকিনারা করতে পারছে না। গুনগনের মা কিছুটা হলেও বুঝতে পেরেছে। মেয়েকে এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সকাল সকাল মেয়েকে নিয়ে গানের রেওয়াজে বসে গেলো গুনগুনের কিছুই বুঝতে বাকি রইল না। মায়ের থেকেই গুনগুনের গানে হাতে খড়ি। মা খুব ভালো গান করতো।অনেকদিন গান শিখিয়েছে  বাচ্চাদের । মা চায়   আমিও মায়ের মত গানের চর্চা টা করে যাই। মা যে অলরেডি সবাইকে জানিয়ে দিয়েছে,  আগামীকাল থেকে গুনগুনের গানের স্কুলটা ছিল সেটাকে আবার শুরু  করবে,। গুনগুন‌ ও বুঝেছে পরিস্থিতির মোকাবেলায় সমাধানের পথ বেছে নিতে হয়।      

শব্দের বাগানে ঘুরে ফেরি, তাদের যত্ন করে মনের মত গড়ে তুলি ছোট ছোট শব্দের চারা গাছ।

বন্ধুত্বের বন্ধনে

 মিমি মাকে সান্তনা দেয় ঠিকেই ,,,,কিন্ত মিমির মনটাও তো খারাপ   দুবছর বাবা মারা গেছে,,,,। তার উপর দাদা বিদেশ চলে যাওয়াতে মায়ের মনটা সবসময় খারাপ থাকে।  ২৫   প্রমিলা মায়ের ছোটবেলার বান্ধবী,,,,,, দুজনে ভীষণ ভালো বন্ধু। তাই  মিমি একটা  সারপ্রাইজ প্ল্যান করেছে,,,,।   ১৪ মিমি এবং রুমিকে দেখে প্রমিলা যেমন অবাক,,,,তেমনি খুশিও খুব ,,কতদিন দেখা হয়নি,খুব ভালো করেছিস  এসে,,,,।   ১৭ রুমি কিছুই জানতো না মেয়ে এমন সারপ্রাইজ দিবে,,,,,,।  ৮ মিমি আসার  সময় কিছু খাবার সাথে করে নিয়ে এসেছেলো।  প্রমিলা আন্টি চা বানিয়ে গল্পতে বসে গেলো ,,.। প্রমিলার মেয়ে রিনি আর  মিমি দুজনে নিজেদের মত গল্পতে ব্যস্ত,,,,,,,,।   ২৬ কখন যে  সময় চলে গেলো রুমি ঘড়ির দিকে তাকিয়ে অবাক,,,,,,,।  ১০ ১০০ শব্দ। এককাপ চয়ের সাথে বন্ধুত্বের মিলন  সকল অবসাদ ভুলিয়ে দেয়,,   ।

একেই বৃন্তে দুটি ফুল

ভালোলাগা  আর ভালোবাসা  দুটির অবস্থান  দুই  মেরুতে ভালোলাগা না ভালোবাসা কে শ্রেষ্ঠ শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা কবির কলমেতে ভালোলাগা চায়না টাকা কড়ি   নেই কোন মনের মিথ্যে অজুহাত ভালোবাসা চায় প্রতিশ্রুতি,সন্মান , অধিকারের মান দন্ড করে নির্নিত । ভালোলাগা মুক্ত খোলা আকাশ,  ক্ষনিকের আনন্দে তৃপ্তির ঢেঁকুর, হৃদয়ের নেই কোন টানাপোড়েন  চলতে ফিরতে অনুভূতি ভালোলাগার। ভালোবাসা  খুঁজে বেড়ায় শক্ত হৃদয়  নিজের মনের উপর সদায় সচেতন স্নেহ মায়া মমতার সুতোয়  গাঁথে মালা মালাকে ধরে  রাখার দায়িত্ব করে বহন। ভালোলাগা বলে উঠে, আমাতেই খুশি  দুঃখ যন্ত্রনার ভয় নেই আমাকে নিয়ে ভাঙ্গা গড়ার খেলায় থাকিনা আমি মেতে এক ফোঁটা খুশিতে ভালোলাগা যায় ছুঁয়ে । ভালোবাসার চোখে জল, কে বুঝবে তাকে অনন্তকাল ধরে বয়ে বেড়ানোর নেশায় জন্ম   ভালোলাগার সুত্র ধরেই ভালোবাসার সৃষ্টি  একেই বৃন্তে দুটি ফুল, সৃষ্টির আড়ালে করে কর্ম।

একান্ত আপনের জন্মদিন

এলো যে আবার  বছর ঘুরে   একান্ত আপনের এই দিন। কবিতা গানে গানে সাজবে আপন ঘরে আনন্দ উল্লাসে ভরে উঠবে নতুন করে। সে যে  মধুর এক মায়ার বাঁধন মোদের অতি প্রিয় পরিবার একান্ত আপন। দূরে থেকেও ন‌ইকো দূরে পড়েছি বাঁধা বন্ধুত্বের ডোরে। হাতে খুন্তি , শব্দ সাজাই কাগজ কলমে, কাজের ফাঁকে সময় কাটায় নিত্যুনতুন গেমে। বন্ধুত্বের বন্ধনে দৃঢ় হোক একান্ত আপনের পথ চলা সকল বন্ধুদের জন্য আপন দরজা সদায় খোলা। শুভ হোক একান্ত আপন তোমার জন্মদিন শুভেচ্ছা শুভকামনায় ভরে উঠুক একান্ত আপনের এই দিন।

অতীতের আড্ডা

অতীত খুঁজে বেড়ায়  অলিগলি পথ কোথায় হারালো সেই আড্ডার মিলন বিবর্তনের স্রোতে গা ভাসিয়ে চলেছে  ব্যস্ত সময়ের  আধুনিক জীবন যাপন। উঠেনা ঝড় তর্ক বিতর্কের,হাসি, ঠাট্টা গল্প কথায় জমেনা, আড্ডার আসর  সময় লিখে যায়  সময়ের ইতিহাস প্রযুক্তির কল্যাণে আড্ডায় নেয় মোড়। চেটিং ,ভিডিও কলে ব্যস্ত,  নেট দুনিয়ায়  আড্ডার ঝড় উঠে ,সোশ্যাল মিডিয়ায়তে বন্ধ ঘরে সময় কটায়, চুমুক দিয়ে কাপে স্মৃতিরা হেঁটে  যায়, চেনা পথ ধরে অতীতে। ব্যস্ত জীবন ব্যস্ত সবাই  নিজের কাজে মগ্ন ইচ্ছে মত কাটছে সময় ভাবনারা সব বিচ্ছিন্ন।