পোস্টগুলি

জানুয়ারী, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

অতিথি

........................ আজ আর নাড়ে না দরজার কড়া,,, কেও এসে বলে  না  ,,কি গো তোমরা বাড়ীতে  আছো নাকি ?   সবাই কেমন আছো ?? সব যেনো  মোবাইল   কেড়ে নিয়েছে।.থমকে গেছে  আসা যাওয়া  সব কিছু। অতীত  আজ বদলে  গেছে। প্রতিনিয়ত  আমরা নিজেদের মধ্যে পরিবর্তন নিয়ে আসছি। চলছে সময়ের পালা বদল  ।কারো আসা হলে  সে যে আজকাল খবর  নিয়েই আসতে চাই।  কার কেমন  ব্যস্ততা আছে। সেটা  দেখে শুনেই তবে যাওয়া। পরিবার গুলো ছোট হচ্ছে। সেই আগের মত বড় পরিবার   আজ আর নেই। সন্তান দের চিন্তায়  থাকে মা বাবা  সারাক্ষন। পড়াশুনা নানান activity নিয়ে ব্যস্ত থাকে। কোথায়  আর সময় থাকে কারো বাড়ীতে  যাওয়ার । অনেক কঠিন এই সময়। সবার কথা চিন্তা করে তবেই চলতে হয়।   তাই আজ অতিথির পরিভাষাটাও বদলে গেছে। বিনা কারনে  কারো বাড়ীতে আজকাল কেও যায়না। আমরা নিজেরাও  তেমন হয়ে গেছি। অযথা সময় নষ্ট করতে চাই না। সব থেকে যেটা সেটা হলো ভালোবাসা ।  ভালোবাসা, আন্তরিকতা ,আত্মীয়তা আজ   সব মুছে গেছে সবার মন থেকে। কেও আসেলে ভাবি কতক্ষনে  যাবে। মনের মানসিকতা সময়ের সাথে রূপ নিচ্ছে।   কিন্ত আগে ছিলো একদম অন্য রকম ।হটাৎ করে কোন অতিথি  রাত বিকেলে   এসে গেলে‌ও কেও খারাপ পেতো

প্রিয় নেতাজী

ভারতের স্বাধীনতার প্রাণপুরুষ  প্রিয় নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুকে  জানাই সশ্রদ্ধ  প্রণাম।🙏🙏 প্রিয় নেতাজী ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের তুমি এক উজ্জল নক্ষত্র তোমার পথ ছিলো একটাই মন্ত্র ছিলো স্বাধীনতার মন্ত্র স্বাধীনতার অদম্য ইচ্ছাকে বুকে নিয়ে ছুটেছিলে তুমি তোমার মত সাহসি  বীর নেতাকে পেয়েছিলো এই  মাতৃভূমি "তোমরা আমাকে রক্ত দাও আমি স্বাধীনতা দেবো তোমাদের এটাই ছিলো মূল মন্ত্র তোমার  পরাধীন ভারতকে মুক্ত করার সবার কাছে অতি প্রিয় নেতাজী ছিলো না কোন জাতি ধর্ম মাতৃভূমি ভারতবর্ষকে স্বাধীন  করা ছিলো  একমাত্র  কর্ম তুমি ভারতের গর্ব বীর সন্তান তোমার লক্ষ ছিলো একটাই তোমার আত্মত্যাগ বলিদান চিরস্মরণীয় ইতিহাসের পাতায় কোথায় গেলে তুমি নেতাজী আজ    যে তোমার বড় দরকার  চরম অশান্তি ধর্ম বিদ্বেষ সারা দেশ জুড়ে ফিরে এসো একবার একেই মন্ত্রে করো দীক্ষিত শান্তির পথ দেখাও তোমার স্বপ্নের দেশকে  আতঙ্ক ,ভয় ,হিংসার কালো অন্ধকার থেকে মুক্ত করো দেশবাসীকে।                                                                     জয় হিন্দ।  

হারানো শৈশব

বাঁধন হারা ছেলেবেলা শুধু উড়ে বেড়ায় ঘরেতে বসে না মন খেলাধূলাতে সময় যায় অবাধ্য এই ছেলেবেলা শোনে না কার‌ও মানা দুষ্টমী ভরা সেই জীবন আর কখন‌ও ফিরবে না  হারিয়ে ফেলেছি তোকে সময়ের চোরাবালিতে ভাঙ্গে না ঘুম আর মা র ডাকে সকালবেলাতে জীবন আজ এক ঘেয়েমী  হারিয়ে গেছে সব বার বার  ফিরে দেখি আসবে কি সেই শৈশব বার্ধক্যের  হাতছানিতে আঁকড়ে ধরি স্মৃতিকে  হাতড়ে খুঁজি  স্মৃতির পাতায়  ছেলেবেলাকে রঙিন দিনের স্বপ্ন গুলো মনের মাঝে খেলাকরে মিথ্যের জগতে আজ যে তোকে ভীষন মনে পড়ে বিকেল গুলো চলে যায় অসময়ে  করে না খেলাধূলা বাস্তবের আড়ালে হারিয়ে গেলি পুরোনো ছোটবেলা।

ইলিশ

বর্ষার শুরুতে এসেছে  বাজারে ইলিশ এবার  বাঙ্গালির ঘরে ঘরে হাটে বাজারে ইলিশের ছড়াছড়ি ইলিশ তোমার নেইকো জুড়ি ইলিশ ভাপা ইলিশ পাতুরি পাতে চলে ইলিশের লুকোচুরি স্বাদে গন্ধে তোমার নেই তুলনা এক পিসে কখন‌ও মন ভরে না দামটা যত‌ই থাক আকাশ ছোঁয়া  তোমাকে নিয়েই তবে ঘরে যাওয়া শিরোপার মুকুট পেলে মাছের রাজা ইলিশ ভাপা ইলিশ পাতুরি দারুন মজা।

নীরবতা

শব্দেরা নিঃশব্দে চলেছে নীরবতার মিছিলে ক্ষত বিক্ষত শব্দের বাণে  স্বাধীনতার লড়াই বেহিসেবি ভাবনারাও আজ   শুধু রং বদলায়   শহরের রঙীন আলোয়   স্বপ্নের নেশায়  বয়ে চলা বেদনা হতাশায়  ভরছে কবিতার পাতা অশান্ত মন ভাসে বদ্ধ  অলিতে গলিতে   ধূসর আর বিবর্ণ স্মৃতিতে  হাতড়ে খুঁজে নিই আপনজনের মূখ  ভালো  মন্দ ছিলো একদিন  সমাজের  স্বচ্ছ আয়না আজ সে  ধোঁয়াশে কালো  মুখোশের আড়ালে  ভালোবাসার কবিতারা আজ  পথে ঘাটে অসহায় ঘর ভাঙ্গার খেলায়  মন  মেতেছে সবার সময় ছুটে চলে  ব্যস্ত শহরে  দুঃখ যন্ত্রনা সব বুকের মাঝে যেতে যেতে বলে যায় কথা সামলে  চলো আগামী পথটা।          

সৃষ্টির লীলাখেলা

সবেই  কি মিথ্যে  এই জীবন যাপন বিশ্বচরাচরে  কেনো  তবে এই আকর্ষণ মায়া মোহ এই সংসার  কেনো  মিথ্যে জ্বালা বলো  প্রভু কেনো তুমি  খেলছো এই লীলাখেলা সবেই কি মিথ্যে এই সৃষ্টি চন্দ্র সূর্য্য গ্রহ তারা কোথায় তাদের স্বার্থ  সেটা বলবে কারা বৃথা তবে এই গাছপালা   প্রকৃতির এই মায়া  এই আকাশ এই বাতাস দিন  রাত্রির এই আলো ছায়া   এই বসুন্ধরা এই নদী ঝরনা সমুদ্রের গর্জন সৃষ্টির কলা পাখীদের সুরে ভোরের গান ভেসে যায় মেঘের ভেলা বলো প্রভু রেখো না আঁধারে আছো যে তুমি সর্বত্র সৃষ্টির কনায় কিছুই নয় মিথ্যে যা কিছু  হচ্ছে সবেই তোমার ইশারায়।  

বংশ পরিচয়

নারী আজ তুমি ছুঁয়েছো আকাশ শ্রেষ্টত্বের মুকুট তোমার মাথায়  ঘরে বাইরে সামলাও সমান তালে তবুও বংশের পরচয় এক ছেলে পাই নারী তুমি সৃষ্টি তোমার দ্বারাই  সম্ভব এক ছেলের জন্ম তবু‌ও নিকৃষ্ট মনের মানুষ বুঝেও বুঝেনা মেয়ের মর্ম  সভ্যতার আড়ালে লড়ে যাও তুমি সভ্য সমাজের মুখোসধারী লোক আধুনিক সমাজ বদলায়নি   মেয়ে চাইনা ছেলে হোক ছেলে দিবে বংশের বাতি  বাড়বে  বংশের মান মেয়ের  হয়না পরিচয়  সে যে পরের ধন মায়ের গর্ভে ছেলে বা মেয়ে  থাকে সমান অধিকারে তবে কেনো জায়গা হয়না  মেয়েদের এই সংসারে মেয়ে হয়ে ধরো না  আকাশের  চাঁদ ছেলেই তো দিবে মা বাবাকে  মরলে পরে কাঁধ মেয়ের ইচ্ছা অনিচ্ছার  নেই কোন  দাম এক ছেলেই দেখাবে  মা বাবাকে বৃদ্ধাশ্রম ধাম দিন যায় সময় বলে যায় মেয়ে‌আজ ছেলের সমান  নিজের যোগ্যতায় রাখতে পারে এক বংশের মান।      

মন তোর কিসের ভাবনা

কেনো বলতে পারিস সবাই শুধু তোকেই খোঁজে সবার ভাবা তোর মত আর কেই বা বোঝে যখন তখন  হৃদয়ে  শুধু বাঁধিস ঘর তোর উপর আছে যে হৃদয়ের  জোর সারাক্ষন চলে তোর মন নিয়ে খেলা মান অভিমানের দেখাস তুই পালা আবেগ অনুভূতিতে ভরা মনের ধূলিকনা সবার হৃদয়ে বাসা বেঁধে করিস নানা ছলনা হিংসা প্রতিহিংসায় জ্বলছিস  সবার  হৃদয়ে সময়ের স্রোতে সহজ সরল মন গেছে হারিয়ে ভালো রাখার চাবিকাঠি আছে যে তোর হাতে শান্তির বার্তা নিয়ে আয়না সকলের হৃদয়তে।  

মানুষ মানুষের জন্য কথাটা কি আদৌ‌ও সত্যি

 "মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য"  এই কথাটা কি আদৌও সত্য। মানুষ হয়ে জন্ম নিয়ে কতটা পেরেছি আমরা মানুষ হতে ।  সারাক্ষন শুধু নিজের কথাই ভেবে যাই।  দিন দিন মানুষের বিবেক  মনুষ্যত্ব বলে জিনিষটা  আজ হারিয়ে ফেলছি।  বহুরূপী মানুষ মুখোশ লাগিয়ে চলছে ।কে  যে ভালো আর কে খারাপ  সত্যি খুব বোঝা দায় ।  কার‌ও দুঃখ দেখলে  একটু কষ্ট হয় মনে  , কিন্ত কতক্ষন আর সেটাকে নিয়ে বসে থাকি।  আগুনের মধ্য ঘি সবাই পারে ঢালতে কিন্ত নিভাতে কতজন পারে। এটা হয়তো সবাই আমরা ভালো করে জানি। আজকাল  যেখানে স্বার্থ জরিয়ে থাকে নিজের সেখানে দুটো কথা সবাই বলতে পারে....কিন্ত বিনা স্বার্থে কারো দুটো শব্দ‌ও বেরোয় না মূখ থেকে।  এরাই হলো আমাদের আশে পাশের লোকজন।  আনন্দ করার সময়  হাজার লোককে পাওয়া যায় । কিন্ত দুখের সময়  কাওকে সামনে পাবে না। বড় অদ্ভুত এই মানুষ আর এই সমাজ। আশে পাশে মানুষকে কেনো দোষ দিই  নিজেদের আত্মীয়স্বজনদের  মাঝে সব থেকে বেশী উদাহরন পাওয়া যায়।   এই কথাটাও ঠিক যে আজকাল বেশী ভালো করতে গেলে সেখানে‌ও  কথা শুনতে হয়।   ভালোবাসা দিলে  ভালোবাসা পাওয়া যায় একদম ভুল।  এখন একটাই মূল মন্ত্র সবার নিজে খাবো  নিজে বাঁচবো।