পোস্টগুলি

শব্দের আত্মকাহিনী

শব্দের আত্মকাহিনী ২৪/৯/২০২০ মনের কারাগারে বন্দী  প্রানহীন কলম দেয়নি স্বাধীনতা কোনদিন তবুও পাশে থাকে  কবির  ‌কল্পনায় শব্দের ডানা মেলে উড়ে যেতে চায় কত কান্না কত দুঃখে ক্ষত বিক্ষত হাজার শব্দের ভীড়ে তারা বড় ক্লান্ত কিছু হারিয়ে যায় মনের ব্যর্থ ভাবনায় অসহায় কিছু কলম আঁকড়ে বাঁচতে চায় যত‌ই অগোছালো এলোমেলো শব্দের খেলাতে   বেঁচে থাকুক তারা এভাবে কলম আর কালিতে।

আগমনীর সুর

নীলাকাশে বাঁধন হারা মেঘ  চলে দলে দলে শরতের ছোঁয়ায় পূজোর গন্ধ   শিউলি ফুলে মা আসছে কৈলাশ থেকে  একটি বছর পরে খুশীতে আজ মন মেতেছে  আগমনীর সুরে  কাশ ফুলেরা ঢেউ তোলে  শরতের গান গেয়ে শিশির ভেজা ঘাসে শিউলি ঝরে  মিষ্টি সুবাস নিয়ে।

মেয়েদের ঠিকানা,,,,

মেয়েদের নিজেদের আদৌ নিজের বলে কিছু থাকে,????,,,,,,,, যে বাড়ীতে ছোট থেকে বড় হয় একদিন সব ছেড়ে ছুড়ে  অন্য একটা বাড়ীতে তাকে চলে আসতে হয় তখন সেই চেনা বাড়ীটা একদিন কখন যে পর হয়ে যায়  নিজেই জানে না,,,,,,,,  আর যে বাড়ীতে আসে সে বাড়ীটাতে সব সময় পরের বাড়ীর মেয়ে হয়ে থেকে যায় ,,,,, যে বাড়ীটাকে ছোট থেকে এতদিন বড় নিজের বলে মনে হতো  একদিন যখন তাকে বলাহয় কোথায় যাচ্ছো বাপের বাড়ী  তখন সত্যি অবাক লাগে শুনতে ,,,,,,,পাড়া প্রতিবেশী বা নিজের বাড়ীর লোকজন অনেক বলতে শোনা যায় কিরে কতদিন থাকবি বাপের বাড়ী  এক কথায় বুঝিয়ে  দেওয়া হয় তোমার বিয়ে হয়ে গেছে শশুর বাড়ীটা এখন তোমার বাড়ী  ,,,,,,কিন্ত সেখানেও যখন  শশুর শাশুরি বলে এখানে তোমার কোন মন মানি চলবে না এটা তোমার বাপের বাড়ী পাওনি ,,,,যখন একটা মেয়েকে এসব কথা শুনতে হয় তখন  মনে হয় সত্যি মেয়েদের নিজের বলে কিছুই কি নেই,,,,,,সব সময় একটা মেয়েকে‌ই কেন তার নিজের জায়গাটা খুঁজে নিতে হয়????  বছরের পর বছর ধরে এই একেই প্রথা চলে আসছে  বাপের বাড়ী শশুর বাড়ী,,,,,,একটা মেয়ে জন্ম হ‌ও...

নতুন প্রজন্ম

সমাজ পরিবর্তনশীল,,, এখানে দিন দিন নতুন নতুন পরিবর্তন ঘটছে,,,, এর মধ্যে যেটা সব থেকে পরিবর্তন হচ্ছে সেটা হলো পারিবারিক সম্পর্ক,,,,,পরিবর্তিত সময়ে আমরা লক্ষ করছি সমাজে কিছু জিনিষ যেমন আমাদের অভ্যাস, আমাদের জীবন যাপন  খুব দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে ,,,পারিবারিক বন্ধন গুলো ভেঙ্গে যাচ্ছে,,,,এখন নতুন প্রজন্মের সাথে অভিভাবকদের  মতের মিল কিছুতেই খাপ খাওয়াতে পারছে না,,,,, এখন প্রশ্ন উঠছে এই পরিবর্তন কি নতুন প্রজন্মের  জন্য খুব লাভদায়ক ?????  আমি মনে করি সেটা মোটেই না,,,,, তাই আমি আমার কিছু অভিজ্ঞতাও  মতামত এখানে শেয়ার করতে চাই,,,,, পুরানো প্রজন্ম দের সাথে নতুন প্রজন্মের অনেক মতবিরোধ থাকতেই পারে তাই বলে সবকিছু তাদের উপর ছেড়ে দেওয়াটা খুবে বোকামী বলে মনে করা হবে,,,,, ,,, প্রতিটি প্রজন্ম একটি নিদিষ্ট সময়ের সাথে জীবন যাপন করে,,,,, এতে কোন সন্দেহ নেই যে  এখনকার সময়টা নতুন প্রজন্মের জন্য অনেক টা প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার মত,,,,,অভিভাবক ও নতুন প্রজন্ম দু পক্ষকে‌ই সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হচ্ছে,,,,,,, নানা রকম মতবিরোধ থাকা সত্বেও অনেক সময় সন্তানদের কথা শুনতে হয় অভিভা...

বাইলাকূপ ভ্রমন

বেড়ানো  আমার একটা নেশা ,,,,সেটা একদিনের জন্য হ‌উক বা কিছুদিনের জন্য হউক তাতে কোন অসুবিধা নেই ,,,,,বেড়াতে যেতে পারলেই হলো,,,,,কিছুদিন হয়ে গেলে মনের ভিতর যেনো কেমন করে ইস,,,একটু যদি কোথাও  ঘুরতে যাওয়া হয় মন্দ হয় না,,   এই বছর মে মাসে একটা ট্যুর ছিলো সবাই মিলে বেড়াতে যাওয়ার ,কিন্ত  করোনার তান্ডবলীলায় সব পন্ড হয়ে গেলো,,,,,,, বেড়াতে তো যেতে পারবো কিন্ত এখন সব থেকে যেটা সেটা হলো সবার সুস্থ কামনা,  সবাই একটা সুস্থ জীবনে ফিরে আসুক এটাই ঠাকুরের কাছে প্রার্থণা। দুদিনের ভ্রমন..…..."বাইলাকূপ " বৌদ্ধ গোল্ডেন টেম্পল। নতুন বছরের আগমন ,চারিদিকে সবাই পার্টি ,পিকনিক আড্ডা এইসব নিয়ে ব্যাস্ত সবাই,,, তার‌উপর ব্যাঙ্গালোরের রাস্তা ঘাটে  দম বন্ধ ট্রাফিক  ,,,,, তখন আমার  মনে হলো  চলো না যাই কোলাহল মুক্ত শহর থেকে দূরে কোথাও একটু ঘুরে আসি,,,সেইঅনুযায়ী প্লান করা হলো  বাইলাকূপ যাওয়ার । ১৯শে জানুয়ারী ভোর ৫টায় উঠে স্নান সেরে এককাপ চা বিস্কিটখেয়ে বাইলাকূপের জন্য র‌ওনা হোলাম,,, ৪ঘন্টার রাস্তা ,,,,,  রাস্তাতে কোথাও ব্রেকফাষ্টটা সেরে নেবো,,,,তাই...

অঙ্গীকার

ভারত মাতার সকল বীর সন্তান জেগে উঠো   সময় এসেছে ভারত মাকে রক্ষা করার অনেক  সংগ্রাম রক্তক্ষয়  অশ্রুজলের বিনিময়ে  পেয়েছি মোরা তেরঙ্গা পতাকা  ভারত মাতার বৃটিশ পুলিশের গুলি রক্তাক্ত শরীর  তবুও থামেনি পথ  সামনে  এগিয়ে চলা আতঙ্ক ভয় হিংসা ধর্ম বিদ্বেসের কালো অন্ধকারে  ভারত মায়ের আঁচল  আজ হয়েছে  কালা হাতে তেরঙ্গা মূখে বন্দেমাতরম শেষ রক্ত বিন্দু দিয়েও  স্বপ্ন ছিলো শুধু স্বাধীনতার লক্ষে তেরঙ্গা আমাদের অমূল্য প্রাপ্তি গর্ব দেবো না কারো হাতে  কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে করবো আমরা ভারত মাকে রক্ষে।

স্বাধীন ভারত

স্বাধীন ভারত স্বাধীন ভারতের আমরা নাগরিক এটা শুনতে যেমন ভালো লাগে  বলতে‌ও তেমন ভালো লাগে ,,,স্বাধীন আমার জন্মভূমি আমার স্বদেশ,,,,,, যাদের জন্য আমরা স্বাধীনতার মূখ দেখেছি  তাদের কথা কি করে ভুলি,,,,,,,লক্ষ লক্ষ মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছেন ,,,,,,,বিপ্লবী মহাপরুষরা হাসতে হাসতে ফাঁসীর দড়িকে চুম্বন করেছেন,,,,,,হাজার হাজার স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ফাঁসী,দীপান্তর, কালাপানির অবর্নণীয় নির্যাতন আর রক্তের বিনিময়ে আমাদের এই স্বাধীনতা,,,,,,,,,আজকে আমরা যে ভারতবর্ষকে দেখছি তার থেকে মনে হয় পরাধীন হয়ে থাকা ভালো ছিলো নয় কি???,,,,,,,,,খুব কষ্ট হয় যখন  দেখি আমরা একেই দেশের ভারত মায়ের সন্তান হয়ে   যখন নিজের দেশকে বদনাম করার জন্য উঠে পড়ে লাগে,,,,,, বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে আমরা কি  বলতে পারি সত্যি আমরা স্বাধীন,,,,,,,,,নাকি  স্বাধীনতা দিবসের দিন  কিছু হোয়াটস অ্যাপ বা ফেসবুকে কিছু পোষ্ট দিয়ে আমরা বলি আমরা স্বাধীন আমরা স্বাধীন ভারতের নাগরিক,,,,,,,শুধু বৃটিশ শাসকদের হাত থেকে মুক্তি লাভ করাই শুধু স্বাধীনতা হোতে পারে না ,,,,,,,  যেসব শহীদের আমরা শ্রদ্ধাঞ্জলী দিচ্ছি...